অপারেশন থিয়েটারে শিশুকে চড়থাপ্পড়

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A hospital assistant allegedly slapped a child named Rimon hard enough to leave clear finger marks and cause bleeding in the eye, which is a concrete physical attack with an injury. The hospital suspended the employee and started legal action, and the article reports a new incident rather than commentary on an old one.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
07/03/26•শেবাচিম হাসপাতাল, অপারেশন থিয়েটার (অর্থোপেডিক্স বিভাগ)

Killed

0

Injured

1

Summary

বরিশালের শেবাচিম হাসপাতালে ইনজেকশনের সময় নড়াচড়া করায় শিশু রিমনকে অর্থোপেডিক্স বিভাগের অপারেশন থিয়েটারের সহকারী শাহীন (নাজমুল) থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা শুরু হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

শাহীন (নাজমুল) - অপারেশন থিয়েটারের চিকিৎসকের সহকারীরিমন - আহত শিশুশেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীর

Tags

Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 08/03/26open original ↗

অপারেশন থিয়েটারে শিশুকে থাপ্পড়, অভিযুক্ত কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত

অপারেশন থিয়েটারে শিশুকে থাপ্পড়, অভিযুক্ত কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত ফাইল ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬ | ১৬:৩১ বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অভিযোগের পর কর্মচারী জি এম নাজমুল হাসানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের ওটিতে অফিস সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, অপারেশন থিয়েটারে থাকা অবস্থায় শিশুটির গালে থাপ্পড় মারছেন জি এম নাজমুল হাসান। এ ঘটনায় শিশুটি ও তার অভিভাবক শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ করেন। শিশু নির্যাতন প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জি এম নাজমুল হাসানকে ৭ মার্চ ২০২৬ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে আরএস ক্যাজুয়ালিটির চিকিৎসক মো. মাজাহারুল রেজওয়ানকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিনিয়র স্টাফ অফিসার ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং সদস্য সচিব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) মো. হাসান মেহমুদ। তদন্ত কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।

Source 2: Jugantor · 08/03/26open original ↗

অপারেশন থিয়েটারে শিশুকে চড়থাপ্পড়

শেবাচিম হাসপাতাল অপারেশন থিয়েটারে শিশুকে চড়থাপ্পড় Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শেবাচিম হাসপাতালে রিমন বরিশালের শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। ইনজেকশন দেওয়ার সময় ভয় পেয়ে নড়াচড়া করায় শিশুটিকে মারধরের এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। ঘটনাটি জানাজানি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত কর্মচারীকে বহিষ্কার করেছে। ভুক্তভোগী শিশুটির নাম রিমন। সে পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা। জানা গেছে, দুর্ঘটনায় তার হাতের একটি আঙুল কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুক্রবার রাতে তাকে বরিশালের শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে আনার পর দীর্ঘ সময় শিশুটিকে অপেক্ষা করতে হয়। প্রায় ৯ ঘণ্টা পর তার চিকিৎসা শুরু হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া আঙুলটি আর জোড়া লাগানো সম্ভব না। এরপর শিশুটিকে চিকিৎসার অংশ হিসাবে ইনজেকশন দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ সময় ইনজেকশনের ভয়ে রিমন চিৎকার করে এবং নড়াচড়া করতে থাকে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অর্থোপেডিক্স বিভাগের অপারেশন থিয়েটারের চিকিৎসকের সহকারী শাহীন (নাজমুল) তার গালে থাপ্পড় মারেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, থাপ্পড় মারার পর শিশুটি কান্না শুরু করে। পরে তার অভিভাবকরা সেখানে গিয়ে দেখেন রিমনের গালে স্পষ্ট আঙুলের ছাপ রয়েছে। থাপ্পড়টি এতোই তীব্র ছিলে যে শিশুটির চোখে ও রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে হাসপাতালের ওই কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টরা তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে বের করে দেন বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়। শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীর জানান, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত কর্মচারী শাহীনকে (নাজমুল) সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।