আটঘরিয়ায় স্বামীর বেধড়ক পিটুনিতে স্ত্রী লাইলী খাতুনের মৃত্যু
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence in Pabna. Parties reported: Husband (Abdul Kuddus), Wife (Laily Khatun). Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
পাবনার আটঘরিয়ায় কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে স্বামী আব্দুল কুদ্দুসের মারধরে গুরুতর আহত লাইলী খাতুন ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মারা যান। ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে তাকে লাঠি দিয়ে পেটানো এবং কিল-ঘুষি মারা হয়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
74% · severity 9
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পাবনায় স্বামীর বেধড়ক পিটুনিতে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ
পাবনার আটঘরিয়ায় স্বামীর বেধড়ক পিটুনিতে আহত স্ত্রী লাইলী খাতুন (৪৫) মারা গেছেন। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মারধরের শিকার হন লাইলী খাতুন। নিহত লাইলী খাতুন উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের কচুয়ারামপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল সকালে কিস্তির টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কলহ বাধে। একপর্যায়ে স্বামী আব্দুল কুদ্দুস স্ত্রীকে উপর্যুপরি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন এবং লাঠি দিয়ে পেটান। এতে গুরুতর আহত লাইলী খাতুনকে আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে আজ বুধবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুপুরে মারা যান তিনি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। অভিযুক্ত স্বামী পালিয়েছেন।
