রাজবাড়ীতে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে শিক্ষার্থী হাসপাতালে

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A social studies teacher severely beat a 13-year-old student with a cane and kicked him when the student could not answer a question, and the student was injured with bleeding wounds. This is a specific, concrete physical attack within the last few days, so it counts as a violent incident.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
12/05/26•বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়, পাংশা

Killed

0

Injured

1

Summary

রাজবাড়ীর পাংশায় বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২ মে (মঙ্গলবার) দুপুরে পড়া না পারায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাছিন মুন্সীকে বেত দিয়ে পেটানো ও লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক আহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। আহত ছাত্রটি পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন, এবং স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

আহাদ হোসেন (সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক, অভিযুক্ত)তাছিন মুন্সী (১৩, অষ্টম শ্রেণির ছাত্র, আহত)আব্দুল খালেক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক)সিয়াম মিয়া (আহতের সহপাঠী)মুন্সী জাহিদুল ইসলাম সবুজ (আহতের বাবা)স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা

Tags

AssaultStudent Abuse

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 12/05/26open original ↗

রাজবাড়ীতে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে শিক্ষার্থী হাসপাতালে

রাজবাড়ীর পাংশায় পড়া না পারার অপরাধে মো. তাছিন মুন্সী (১৩) নামে এক ছাত্রকে বেধড়ক বেত্রাঘাতের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আহাদ হোসেনকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আহত ছাত্র পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। আহত ছাত্র মো. তাছিন মুন্সী মৌরাট ইউনিয়নের মালঞ্চি এলাকায় সবুজ মুন্সীর ছেলে। সে বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আহাদ হোসেন কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের খরখরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ক্লাস চলাকালীন অভিযুক্ত শিক্ষক আহাদ হোসেন তাছিনকে পড়া ধরলে সে না পারায় তাকে প্রথমে ১০ থেকে ১৫টি বেত্রাঘাত করে। পরে ওই ছাত্রকে ক্লাস রুমের ফ্লোরে ফেলে অমানবিকভাবে লাথি মারে। এ সময় তাছিনকে সহপাঠীরা উদ্ধার করে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে জড় হন। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষককের নিরাপত্তার স্বার্থে লাইব্রেরিতে আটকে রাখেন প্রধান শিক্ষক। আহতের সহপাঠী সিয়াম মিয়া বলে, স্যার আমাদের পড়া না পাড়ার জন্য বেত দিয়ে দুইটা করে মারে। কিন্তু তাছিনকে বেশি মারে। এ সময় তাছিন জিজ্ঞেস করে, `ওদের থেকে আমাকে বেশি মারলেন কি জন্য‘। এই কথার পরই স্যার তাছিনকে বেঞ্চের উপর উঠে মারতে থাকে। পরে ফ্লোরে ফেলে লাথি মারে। আমরা ঠেকাতে গেলে আমাদেরও আবার মারে। অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আহাদ হোসেন বলেন, তাছিনকে পড়া ধরলে সে না পারার অপরাধে শাসন করেছি। পরে সে আমার সঙ্গে বেয়াদবি করলে, আমি মেজাজ হারিয়ে তাকে আবার মেরেছিলাম। তবে বুঝতে পারি নাই, এমন হবে। আমি নিজে অনুতপ্ত। আমার ভুল হয়ে গেছে। আহত ছাত্রের বাবা মুন্সী জাহিদুল ইসলাম সবুজ বলেন, খবর পেয়ে এসে দেখি আমার ছেলের পিটে একাধিক বেত্রাঘাতের দাগ। প্রতিটি আঘাতের স্থান থেকে রক্ত বেড় হচ্ছে। ছেলেকে হসপিটালে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসার জন্য। আমি বিদ্যালয়ে আসছি জানার জন্য আমার ছেলের অপরাধ কি আঘাতের থেকে কম না বেশি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুল খালেক বলেন, যে কারণেই হোক এভাবে মারা ঠিক হয় নাই শিক্ষকের। আমি তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি শান্ত করতে শিক্ষককে শোকজ করছি। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এই সময় ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন। মীর সামসুজ্জামান সৌরভ/এএমকে

Source 2: Jugantor · 29/04/26open original ↗

ছাত্র আন্দোলনের কথিত নেতার হাতে প্রধান শিক্ষকের লাঞ্ছিতের ভিডিও ভাইরাল

ছাত্র আন্দোলনের কথিত নেতার হাতে প্রধান শিক্ষকের লাঞ্ছিতের ভিডিও ভাইরাল Advertisement গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৭ পিএম ছাত্র আন্দোলনের কথিত নেতার হাতে প্রধান শিক্ষকের লাঞ্ছিতের ভিডিও ভাইরাল রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দেবগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামসুন্নাহার পপির সঙ্গে এবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কথিত নেতা শরীফ সরদারের (২৭) অসদাচরণ ও হুমকি প্রদানের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই এলাকায় চরম উত্তেজনা ও জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী শিক্ষিকা এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে বুধবার বিকাল পর্যন্ত পুলিশ তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অভিযুক্ত শরীফ সরদার উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের চর বরাট গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য শাজাহান সরদারের ছেলে। ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষিকা শামসুন্নাহার পপি জানান, তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি দেবগ্রাম ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২৬ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ৫ম শ্রেণির কক্ষে ক্লাশ নেওয়ার সময় অভিযুক্ত শরীফ বিনা অনুমতিতে হঠাৎ করে কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি এক নারীর জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতার একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে তাকে চাপ দেন। কিছুটা সময় চাইলেও অভিযুক্ত তা না মেনে দ্রুত স্বাক্ষরের জন্য আমাকে চাপ প্রয়োগ করেন এবং হুমকি দিতে থাকেন। পরে ক্লাশ ম্যানেজ করে স্বাক্ষর করতে বাইরে এসে দেখি, যে কাগজে স্বাক্ষর করতে বলা হয়, সেটিতে বেশ অসঙ্গতি। সংশ্লিষ্ট নারী সাভারের ভোটার হওয়ায় আমি বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য সময় চাই। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করেন। একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে মারতে উদ্যত হন। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে নিবৃত্ত করেন। তারপরও অভিযুক্ত যুবক আমাকে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরি কক্ষে জোর করে আটকে রাখেন। এ ঘটনায় স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থী, অন্যান্য শিক্ষক ও উপস্থিত কয়েকজন অভিভাবক আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবক শরীফ সরদার সাংবাদিকদের জানান, তিনি শারমিন আক্তার নামে তার এক আত্মীয়ের মাতৃত্বকালীন ভাতার প্রয়োজনে স্বাক্ষর করাতে স্কুলে গিয়েছিলেন; কিন্তু কাগজে ত্রুটি আছে বলে ম্যাডাম কাগজটি সবার সামনে আমার মুখের ওপর ছুড়ে মারেন। যে কারণে আমি রাগান্বিত হয়ে যাই। গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, আমি ঘটনা শোনামাত্রই ওই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে অভিযুক্ত যুবক অত্যন্ত জঘন্য আচরণ করেছেন। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে আমাদের বলতে পারত। আমি ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে বলে দিয়েছি। এদিকে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শরীফ সরদার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের ৬ মাস পর নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয় দিয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকশ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। এ মামলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বহু নেতাকর্মী গ্রেফতার ও কারাভোগ করেছেন। অপরদিকে গোয়ালন্দে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা সজীব শাহরিয়ার জানান, শরীফ সরদারকে গোয়ালন্দ উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে আমরা কখনো দেখিনি। হঠাৎ ৬ মাস পর তিনি নিজেকে ওই আন্দোলনের নেতা পরিচয় দিয়ে থানায় এসে মামলা দায়ের করেন। তিনি বলেন, একজন প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার চরম অসদাচরণ ও লাঞ্ছিত করার ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।