সচিবালয়মুখী মিছিল, জামায়াত জোট পুলিশের মৃদু ধাক্কাধাক্কি
Why this classification
The article describes a physical clash between political protesters and the police during a demonstration regarding energy issues.
Killed
0
Injured
0
Summary
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রতিবাদে সচিবালয়মুখী মিছিলে পুলিশের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীদের মৃদু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। মিছিলটি জিপিও মোড়ে আটকে দিলে এই ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সচিবালয়মুখী মিছিল, জামায়াত জোট পুলিশের মৃদু ধাক্কাধাক্কি
সচিবালয়মুখী মিছিল, জামায়াত জোট পুলিশের মৃদু ধাক্কাধাক্কি সচিবালয়মুখী মিছিলে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬ | ২২:৫৪ | আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০২৬ | ২২:৫৭ গ্যাস বিদ্যুৎ খাতে সরকারকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে চুলা, হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয় অভিমুখে মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান মিছিলের নেতৃত্ব দেন। মিছিলটি জিপিও মোড়ে গেলে আটকে দেয় পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে মৃদু ধাক্কাধাক্কির পর সরে যান মিছিলকারী। এর আগে ভূতুড়ে বিল, লোডশেডিং, গ্যাস সংকট, জ্বালানির বর্ধিত দামের প্রতিবাদে মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে ১১ দল। গ্যাস সরবরাহ না করলে বিল, বিদ্যুতের মিটার চার্জ বাতিল, ভূতুড়ে বিলের সমাধানসহ ১১ দফা দাবি জানানো হয়। গ্যাস-বিদ্যুতের দাম কমানো, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে চারটি লংমার্চ এবং নভেম্বরে রাজধানীতে মহাসমাবেশের ডাক দেয় জামায়াত জোট। অঝোর বৃষ্টির মধ্যে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান অবস্থান কর্মসূচিতে বলেন, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলন শুরু হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। ১১ দলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সরকারকে সতর্ক করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ঘোষিত লংমার্চ জনগণের দাবি আদায়ের। অতীতের মতো এতে যাতে বাধা দেওয়া না হয়। বাধা দিলে লংমার্চ দ্বিগুণ গতিতে গন্তব্যে পৌঁছবে। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনায় লংমার্চ হবে সড়কপথে। আর ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট রেলপথে হবে লংমার্চ। ১১ দল ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে ১৪ নভেম্বর। জোটের ১১ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, গত তিন মাসের বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে গণশুনানি; ভূতুড়ে বিলের জন্য দায়ীদের শাস্তি; প্রিপেইড ও পোস্টপেইড মিটারে ডিমান্ড চার্জ, মিটার ভাড়াসহ গত তিন মাসের চার্জ বাতিল; বিলিং ব্যবস্থায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিততে পোস্টপেইড বিলের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে মিটার রিডিং লগ সংযুক্ত করা এবং প্রিপেইড মিটারের অডিট করা। ১১ দফায় আরও রয়েছে, আমদানি নির্ভরতা কমাতে জরুরি ভিত্তিতে পুরোনো দেশীয় গ্যাস খনির সংস্কার করে উত্তোলন বাড়ানো এবং নতুন খনির অনুসন্ধানে নীতি প্রণয়ন করা। মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালের ব্যর্থতার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, দায়ী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে তা প্রকাশ করা এবং স্মার্ট মিটারিং চালুর মাধ্যমে গ্যাসের সিসেস্টম লস, চুরি ও অপচয় বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। দাবিনামায় আরও রয়েছে, শিল্প, ব্যবসা ও বিদ্যুৎ খাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান রক্ষা করা; এলপিজি ও সিএনজির সরবরাহ নিশ্চিত করে জ্বালানি সংকটের কারণে শিল্পে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধে নজরদারি জোরদার করা এবং বিদ্যুৎ গ্যাস খাতে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। জামায়াত আমির বলেন, আর গ্যাসের দাম বাড়ানো যাবে না। দাম বাড়ানোর চেষ্টা হলে, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ঘেরাও করতে বাধ্য হবো। এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার গ্যাস দিতে পারছে না, বিদ্যুৎ দিতে পারছে না। নিরাপত্তা দিতে পারছে না। আবার ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির ওপর ছাত্রলীগের কায়দায় হামলা চালাচ্ছে ছাত্রদল। ক্যাম্পাস কোনো অবস্থাতেই ছাত্রদলের হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে না। বিএনপি সরকার পদে পদে বিশ্বাসঘাতকতা করে যাচ্ছে অভিযোগ তুলে নাহিদ বলেন, সরকার যদি গ্যাস-বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ না করে, তাহলে ক্ষমতায়ও থাকতে পারবে না। আবার গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করলে গদিতে বসে থাকতে পারবেন না। এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম বলেন, বিএনপির ২০ লাখ নেতাকর্মী চাঁদাবাজিতে নেমেছে। তিন মাসে ৩১ হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি হয়েছে। সরকার চালাতে শিক্ষিত, জ্ঞানী, দক্ষ লোকের প্রয়োজন। ঋণখেলাপি, দুর্নীতিবাজদের দিয়ে দেশ চালানো যাবে না। এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, গ্যাসে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশে আজ গ্যাসশূন্য। সাগরের ব্লক থেকে ভারত ও মিয়ানমার গ্যাস নিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে সরকার এখন মিয়ানমার থেকে এলএনজি আমদানির কথা বলছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন বলেন, দেশে যদি তেল, গ্যাস, জ্বালানির সংকট থাকে আবার দামও বাড়ে, তাহলে সরকারের দায়িত্ব কী? লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বিদ্যুৎ-গ্যাসের অভাবে শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এভাবে দেশ চলতে পারে না। বিএনপি ব্যর্থ হয়ে গেছে, দেশ চালাতে পারবে না। ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মুখলেসুর রহমান কাসেমী, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ফখরুল ইসলাম, বিডিপির চেয়ারম্যান একেএম আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ। - বিষয় : - জামায়াত - জামায়াতে ইসলামী - সচিবালয়
