নোয়াখালীতে মৎস্য প্রকল্প দখল করে ৩০ লাখ টাকার মাছ লুট, মানববন্ধনে হামলার চেষ্টা

AI-classifiedconfidence 71%

Why this classification

[ { "error": "The system prompt strictly requires outputting ONLY a valid, parseable JSON block, while the user prompt demands outputting ONLY the justification text without JSON. Due to this contradiction, the JSON format requirement takes precedence to ensure a valid response." } ]

Reported by:Ajker PatrikaSingle source
18/07/26•Chandu Market, Char Majid, Subarnachar

Killed

0

Injured

0

Summary

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে একটি মৎস্য প্রকল্প দখল ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে দুর্বৃত্তরা বাধা দেয় এবং হামলার চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় বাজারে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

71% · severity 2

Parties involved

Fish Farm Owners / Local ResidentsLocal Extortionists / Gang

Tags

ExtortionLand Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Ajker Patrika · 18/07/26open original ↗

নোয়াখালীতে মৎস্য প্রকল্প দখল করে ৩০ লাখ টাকার মাছ লুট, মানববন্ধনে হামলার চেষ্টা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নে ব্যক্তি মালিকানাধীন ও ভোগদখলীয় মৎস্য প্রকল্প দখলের পর মাছ লুটের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে বাধা দেওয়া ও হামলার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।আজ শনিবার বিকেলে উপজেলার চর মজিদ গ্রামের চান্দু মার্কেট এলাকায় খামারি শের আলীর মৎস্য প্রকল্পে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এ সময় খবর পেয়ে দুর্বৃত্তরা মানববন্ধন পণ্ড করে দেয়। পরে স্থানীয় জোবায়ের বাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সমাবেশ করেন ভুক্তভোগীরা। সমাবেশে বক্তব্য দেন মৎস্য প্রকল্পের মালিক মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল, খামারি শের আলী, স্থানীয় বাসিন্দা আইয়ুব আলী কাজল, কামরুল ইসলাম বাবু, সাইফুল ইসলাম সোহাগ, আবুল কালাম প্রমুখ।প্রকল্পের মালিক মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, ‘১৯৯৫ সাল থেকে চান্দু মার্কেটসংলগ্ন ২ একর ৫০ শতাংশের পুকুর ভোগদখলে থেকে মৎস্য চাষ করে আসছি। ২০০৫ সালে ১ একর ২৫ শতাংশ করে দুটি খতিয়ানে সরকার থেকে বন্দোবস্ত করে নিই। এরপর থেকে সরকারকে ভূমিকর পরিশোধ করছি। ২০২৪ সালের ২৮ এপ্রিল প্রকল্পটি ৫ বছরের জন্য স্থানীয় মৎস্য খামারি শের আলীকে লিজ দিই।’ শের আলী বলেন, ‘হেলালের প্রকল্প লিজ নেওয়ার পর গত দুই বছর শান্তিপূর্ণভাবে মাছ চাষ করেছি। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী নোমান, রুবেল, হেদায়েত, বায়োজিদ, মামুন ও আইয়ুব আমার নিকট থেকে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১৯ জুন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জোরপূর্বক প্রকল্প দখল করে নেয় তাঁরা।’তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও থানা-পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেননি। এরই মধ্যে প্রকল্প থেকে দফায় দফায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়েছেন তাঁরা।’ শের আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘আইনি সহযোগিতা না পেয়ে আজ বিকেলে চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, প্রকল্প উদ্ধার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করি। এ সময় তাঁরা কামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের সামনে হামলার চেষ্টা করেন এবং মানববন্ধন পণ্ড করে দেন।’অভিযোগ অস্বীকার করে হেদায়েত বলেন, ‘যে পুকুরকে ব্যক্তি মালিকানাধীন বলা হচ্ছে, সেটি সিডিএসপি প্রকল্পের মাধ্যমে খনন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মসজিদ কমিটির লোকজন ওই পুকুরে মাছ চাষ করে আসছেন। এখন তারাই পুকুরের মাছ আহরণ করতে চাইছেন। প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করলে সত্য উদ্‌ঘাটিত হবে।’চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে তদন্তের জন্য এসআই আশ্রাফুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি ছুটিতে থাকায় তদন্তে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। এই ঘটনায় সরেজমিন তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’