‘ঘরটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে’
Why this classification
The article reports a specific incident in which a farmer's house in Kamalnagar, Lakshmipur was allegedly demolished by a BNP ward leader and 29 others over a land dispute, and a court case was filed. The act of destroying the house is a concrete vandalism incident, and the article is not merely commentary on a past event.
Killed
0
Injured
0
Summary
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে কৃষক রেজাউল হকের বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগে তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মনিরুল হক মনিরসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জমির দাবিতে ঘরটি সম্পূর্ণ মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে, যদিও অভিযুক্তরা জমি তাদের বলে দাবি করে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
‘ঘরটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে’
‘ঘরটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে’ কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬ | ০৮:৪২ | প্রিন্ট সংস্করণ লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে রেজাউল হক নামে এক কৃষকের বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগে বিএনপি নেতাসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। রোববার রেজাউলের স্ত্রী শাহিদা আক্তার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি অঞ্চল কমলনগর আদালতে এই মামলা করেন। মামলায় তিনি উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনিরুল হক মনিরকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় ২৫ জনকে আসামি করা হয়। বাদীর ছেলে আজিজুল হক আজগর বলেন, ‘আমরা খুবই অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছি। আমাদের থাকার কোনো ঘর নেই। পুরো ঘরই বিএনপি নেতা মনির মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছেন। আমরা এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’ তাঁর ভাষ্য, মনিরদের সঙ্গে তাদের কোনো ঝগড়া নেই। বিএনপি নেতা মনিরুল হক মনিরের দাবি, ‘জমিটি আমাদের। তারা জোরপূর্বক এখানে বসবাস করছে। নিজেদের ঘর নিজেরা ভেঙে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। তাদের অভিযোগ মিথ্যা।’ - বিষয় : - ঘর তৈরি
স্কুলছাত্রীকে হয়রানি, বিএনপি নেতাকে জুতাপেটা ও জরিমানা
স্কুলছাত্রীকে হয়রানি, বিএনপি নেতাকে জুতাপেটা ও জরিমানা Advertisement রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ০১:২৯ পিএম লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শুক্কুর মিঝি নামে এক বিএনপি নেতাকে জুতাপেটা করে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিঠুর চরমোহনা গ্রামের বাড়িতে এক শালিস বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় মিঠুসহ ১০নম্বর রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদকসহ উভয়পক্ষের লোক উপস্থিত ছিলেন। মিঠু বলেন, মেয়েটির মা নেই, পরিবারটি গরিব। তাদের অনুরোধে ঘটনাটি মিমাংসা করে দেওয়া হয়েছে। রোববার বেলা ১১টায় রায়পুর ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ড দেবিপুর গ্রামের চালতাতুলি এলাকায় হয়রানির ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে রায়পুর ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শুক্কুর মিঝিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। সোমবার দুপুর ২টা পর্যন্ত শুক্কুর থানা পুলিশের হেফাজতে ছিলেন। অভিযোগ সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী (১৫) রায়পুর ইউনিয়নের দেবীপুর এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় জনকল্যাণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। রোববার সকালে সে ময়লা ফেলতে ঘর থেকে বের হয়। এ সময় বাড়ির গেটের সামনে থাকা শুক্কুর পেছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরে পাশের অটোরিকশা রাখার কক্ষে নিয়ে যান৷ সেখানে যৌনহয়রানির চেষ্টা করা হলে সে চিৎকার দেয়। এতে তার খালা ও নানি চলে এলে শুক্কুর পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কিশোরীর খালা থানায় শুক্কুরসহ দুজনের নামে এজাহার দেন। অন্য অভিযুক্ত হচ্ছেন শুক্কুরের মেয়ে জামাই ও উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন রানা। তিনি ভুক্তভোগীদের আইনের আশ্রয়ে না যাওয়ার জন্য হুমকি দেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীর খালা বলেন, আমার পরিবার অভিযুক্ত শুক্কুর মিঝি ও তার জামাতার লোকজনের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। ৩ থেকে ৪ জন সাংবাদিক ছাড়া আমাদের পক্ষে কোনো লোক কথা বলছেন না। শুক্কুর মিজির লোক সমঝোতার জন্য চাপসৃষ্টি করে আসছেন। তাই বাধ্য হয়ে স্থানীয়ভাবে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিঠুর বাড়িতে রাত ১০টায় শালিস বৈঠক বসে ১২টায় শেষ হয়। সেখানে এক লাখ টাকা জরিমানা ও জুতাপেটা করে আমাদের কাছে মাফ চাওয়ানো হয়। দলের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তবে আমরা এখনো টাকা পাইনি। অভিযুক্ত জালাল উদ্দিন রানা বলেন, আমার শ্বশুরকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছে। অভিযোগকারী আমার স্ত্রীর বান্ধবী। এজন্য ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার জন্য বলেছিলাম। আমার বিরুদ্ধেও হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে। এটা মিথ্যা। রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, শুক্কুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। তিনি আটক নন। অভিযোগকারী থানায় মামলা করবে না বলে জানিয়েছেন।
