হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের হাতাহাতি
Why this classification
The article reports one specific incident on a recent date in which two people physically fought at the Fatikchhari upazila accounts office over a salary dispute. One of them tore up official documents, which led to the scuffle. No injuries or deaths were reported, so the severity is low.
Killed
0
Injured
0
Summary
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে বেতন-ভাতা নিয়ে বিরোধের জেরে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা এ কে এম নজরুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দীন চৌধুরীর মধ্যে তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে নথিপত্র কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন, যার পর উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের হাতাহাতি
হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের হাতাহাতি ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬ | ০৮:১৪ | প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা এ কে এম নজরুল ইসলামের সঙ্গে জসিম উদ্দীন চৌধুরী নামে এক শিক্ষকের তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি শিক্ষকের বেতন-ভাতা নিয়ে বিরোধের জেরে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে উভয়ের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। জসিম উদ্দিন ফটিকছড়ি করোনেশন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। সামাজিক মাধ্যমে এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক মহলসহ বিভিন্ন স্তরে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। জানা যায়, ফটিকছড়ি করোনেশন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দীন সরকার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দীনের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের কয়েক মাসের বেতন স্থগিত রাখেন। জসিম উদ্দিনকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি দেখিয়ে তিনি এ বেতন স্থগিত করেন। পরে সাবেক প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দীন সরকার বদলি হয়ে যাওয়ার পর ফের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন জসিম উদ্দীন। জসিম উদ্দীন দাবি করেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তিনি মবের শিকার হন। এ কারণে তিনি বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। তিনি ওই সময়ের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের কাছে অনুরোধ জানান। এ সময় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা তাঁর ছুটি মঞ্জুর-সংক্রান্ত লিখিত কাগজপত্র দেখাতে বলেন। পরে সিটিটি ফাইল থেকে অনুপস্থিতির নথি বের করা নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্কবিতর্ক এবং এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা এ কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, জসিম উদ্দীন তাঁর কাছে জানতে চান, গেজেটেড কর্মকর্তারা অনুপস্থিত থাকলে তারা বেতন-ভাতা পান কিনা। তখন তিনি বলেন, যথাযথভাবে ছুটি মঞ্জুর হলে তারা বেতন-ভাতা পেতে পারেন। কিন্তু আপনি যে পাঁচ মাস অনুপস্থিত ছিলেন, সে বিষয়ে সাবেক প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দীন সরকার বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছেন। তিনি (জসিম উদ্দীন) যদি ছুটি মঞ্জুরির কাগজ নিয়ে আসেন, তাহলে তিনি নিয়ম অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবেন। কিন্তু তিনি কোনো কথাই শুনতে চাননি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত হলে তিনি তাঁকে বেতন বন্ধের চিঠিটি দেখান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ সেলিম রেজা। তিনি বলেন, বিষয়টি প্রায় সমাধানের পথে ছিল। এ সময় প্রধান শিক্ষক অফিসিয়াল ডকুমেন্টস নিয়ে চলে যেতে চাইলে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা তাঁকে বাধা দেন। তখন তিনি ডকুমেন্টস হাত থেকে কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। পরে এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। - বিষয় : - হাতাহাতি
