সংঘর্ষের পর এবার ব্লকেড কর্মসূচি ডুয়েট শিক্ষার্থীদের
Why this classification
A clash on Sunday 17 May 2026 at DUET in Gazipur, where outsiders allegedly linked to the new Vice Chancellor caused fighting between two sides. At least 15 people were injured, and arson and vandalism occurred on campus. The party responsibility is an allegation that Chhatra Dal denies, so the perpetrator and victim parties are recorded with that uncertainty in mind.
Killed
0
Injured
15
Summary
গত রোববার (১৭ মে ২০২৬) ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের হাঙ্গামার পর দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়। এর প্রতিবাদে সোমবার (১৮ মে) থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ফটক বন্ধ করে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 15
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সংঘর্ষের পর এবার ব্লকেড কর্মসূচি ডুয়েট শিক্ষার্থীদের
নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পর এবার ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৮ মে) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলো ফটক বন্ধ করে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থী ছাড়া অন্য কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারছেন না। এ ছাড়া, নতুন নিয়োগ দেওয়া উপাচার্য যেন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে না পারেন সেজন্য প্রতিটি ফটকে কড়া পাহারা বসানো হয়েছে। এর আগে, গতকাল (রোববার) নতুন উপাচার্যের পক্ষে বহিরাগত লোকজন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে হাঙ্গামা সৃষ্টি করলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। দিনভর চলা সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়। পরে বিকেলের দিকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানান। দাবিতে বলা হয়- রোববার সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার, ক্যাম্পাসে সব ধরনের ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং রোববারের সংঘর্ষের ঘটনায় ডুয়েটের যেসব শিক্ষার্থী আহত হয়েছে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচে চিকিৎসা প্রদান করা। এসব দাবিতে শিক্ষার্থীরা ব্লকেড কর্মসূচির ঘোষণা দেন। সোমবার সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো এলাকাজুড়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা জানান, যে ভিসির জন্য শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরেছে সেই ভিসিকে তারা ক্যাম্পাসে গ্রহণ করবেন না। তারা আরও জানান, ডুয়েট থেকে সিনিয়র শিক্ষকদের মধ্যে দক্ষ একজনকে উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে। বহিরাগত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষককে তারা উপাচার্য হিসেবে মেনে নেবেন না। অপরদিকে, রোববারের সংঘর্ষের ঘটনায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কিছু নেতৃবৃন্দের নামে অভিযোগ করে ইসলামী ছাত্র শিবির। তবে ছাত্রদল তাদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ইসলামী ছাত্রশিবিরকেই দায়ী করেছে। গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ (সোমবার) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ব্লকেড করে রেখেছে। আমাদের বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য সেখানে রয়েছেন। আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। এখনো কোনো অপৃতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশিকুর রহমান/এএমকে
