ছাত্রনেতা মাসুম হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন
Why this classification
The article is mainly a protest report about the 1 March murder of Masum, and that protest is not counted as violence. However, it also reports a new concrete incident on the night of 6 March, when two women from the accused's family chased the victim's elder brother with machetes, and a machete was recovered by police.
Killed
0
Injured
0
Summary
বাগেরহাটের শরণখোলায় ১ মার্চ রাতে ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মাসুম খুন হওয়ার পর, ৬ মার্চ রাতে আসামির পরিবারের দুই নারী সদস্য দা-বঁটি নিয়ে নিহতের বড় ভাইকে তাড়া করে। পুলিশ এলে তারা পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো বঁটি উদ্ধার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ছাত্রনেতা মাসুম হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন
ছাত্রনেতা মাসুম হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন শরণখোলায় বিক্ষোভ Advertisement শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বাগেরহাটের শরণখোলায় ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মাসুমকে নৃশংসভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে এবং হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। ৬ মার্চ সকালে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন এর খুড়িয়াখালী গ্রামে নিহত মাসুমের বাড়ির সামনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশ নেয়। উল্লেখ্য ১ মার্চ রাতে মাসুমকে হত্যা করা হলে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং বাকি আসামিরা পালিয়ে যায়। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীরা বলেন, মাসুমের হত্যায় যারা জড়িত তারা পূর্বে বনদস্যুতার সঙ্গে যুক্ত ছিল। বর্তমানেও পালিয়ে যাওয়া আসামিরা সুন্দরবনে অবস্থান করছে এবং রাতে তারা তাদের নিজেদের বাড়ীতে থাকে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা নেই বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন। নিহত মাসুমের পরিবার জানায়, আসামির পরিবারের নারীরা সন্ধ্যা হলেই ধারালো দা নিয়ে রাস্তায় বের হয়। গতকাল রাতে নিহত মাসুমের বড় ভাইকে একা পেয়ে দা- বঁটি নিয়ে তেড়ে আসে অভিযুক্ত আসামি পরিবারের দুই নারী সদস্য। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে ওই নারীরা পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো বঁটি উদ্ধার করে।
