টাকা ধার না দেওয়ায় নারীকে কুপিয়ে হত্যা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

A man hacked a woman to death with a machete after she refused to lend him 5,000 taka, and he also injured her husband and son when they tried to stop him. The killing is a concrete, recent violent crime, so it counts as a violence incident.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
01/06/26•উত্তর কাটলি এলাকা, নেত্রকোনা পৌরসভা

Killed

1

Injured

2

Summary

নেত্রকোনা পৌরসভার উত্তর কাটলি এলাকায় সোমবার রাতে (১ জুন ২০২৬) টাকা ধার দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় আবদুর রশিদ বঁটি দিয়ে মনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করেন। বাধা দিতে গেলে নিহতের স্বামী আবু চান ও ছেলে আবির হাসান গুরুতর আহত হন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আবদুর রশিদমনোয়ারা বেগমআবু চানআবির হাসানসজল কুমার সরকার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল)

Affected infrastructure

বহুতল ভবনের দ্বিতীয়তলার বাসা

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 01/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 02/06/26open original ↗

ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে হত্যা, একজন আটক

নেত্রকোণা শহরের উত্তর কাটলী এলাকায় বাসায় প্রবেশ করে এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের নাম মনোয়ারা বেগম চায়না। সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৭টার দিকে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় মনোয়ারা বেগমের স্বামী আবু চাঁন ও ছেলে মুন্নাকে ছুরিকাঘাতে মারাত্মক জখম করে ঘাতক। পরে আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ঘাতক স্থানীয় রিকশাচালক আব্দুর রশিদকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোর্পদ করে এলাকাবাসী। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও নিহতের স্বজনরা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিহত চায়নার স্বামী আবু চাঁন তার বড় ছেলে আনোয়ারকে ফোন করে জানায় বাসায় হামলা হয়েছে। পরে ছেলে ও আশপাশের লোকজন এসে বাড়ির গৃহকর্তা ও তার ছোট ছেলে মুন্নাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আব্দুর রশিদ নামে এক রিকশাচালককে আটক করে পুলিশ। পরে স্থানীয়রা গৃহবধূকে অনেক খোজাঁখুজি করে না পেয়ে বাসার খাটের নিচ থেকে নিহত চায়নার মরদেহ উদ্ধার করে । চায়নার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নেত্রকোণা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর র্সাকেল) সজল সরকার সাংবাদিকদের জানান, তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য জানা যায়নি। তবে ঘটনার মূল্য রহস্য উৎঘাটনের জন্য পুলিশ কাজ করছে ও আটককৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। চয়র দেবনাথ মুন্না/আরকে

Source 2: Jugantor · 03/06/26open original ↗

টাকা ধার না দেওয়ায় নারীকে কুপিয়ে হত্যা

টাকা ধার না দেওয়ায় নারীকে কুপিয়ে হত্যা স্বামী-ছেলে আহত Advertisement নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নেত্রকোনায় একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয়তলায় ঢুকে মনোয়ারা বেগম নামে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুর্বৃত্তকে বাধা দিলে ওই নারীর স্বামী ও ছেলেকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয়রা হামলাকারী যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। তার নাম আবদুর রশিদ। সোমবার রাতে পৌরসভার উত্তর কাটলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মনোয়ারা উত্তর কাটলি এলাকার বাসিন্দা ঠিকাদার আবু চানের স্ত্রী। আবদুর রশিদ একই এলাকার এরশাদ মিয়ার ছেলে। পেশায় ইজিবাইকচালক। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবদুর রশিদ মাঝেমধ্যে মনোয়ারার কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন। ওইদিন রাতেও মনোয়ারার বাসায় গিয়ে ৫ হাজার টাকা ধার চান। এ সময় মনোয়ারার স্বামী ও ছেলে-মেয়েরা বাইরে ছিলেন। মনোয়ারা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রশিদ ক্ষিপ্ত হয়ে বঁটি দিয়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করে। পরে লাশ খাটের নিচে রেখে দেয়। এ সময় মনোয়ারার ছোট ছেলে আবির হাসান বাসায় ঢুকে এ দৃশ্য দেখে ফেলে। তখন তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আবু চান ছেলেকে উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করে। আহত বাবা-ছেলেকে নেত্রকোনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আবিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নেত্রকোনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বলেন, আবদুর রশিদ নেশাগ্রস্ত বলে জানা গেছে। নেশার জন্য তিনি মনোয়ারার কাছে পাঁচ হাজার টাকা ধার চান। না দেওয়ায় তাকে হত্যা করেন। এর পেছনে আরও কিছু ঘটনা থাকতে পারে।