সীমান্ত থেকে গুরুতর আহত দুই ভারতীয় উদ্ধার
Why this classification
The article reports a concrete shooting and beating of two Indian civilians by Indian BSF personnel at the border, resulting in injuries and rescue by locals in Bangladesh. This meets the definition of physical attack and occurs within the recent 14‑day window, so it is classified as a violence incident.
Killed
0
Injured
2
Summary
বিএসএফের গুলিতে আহত দুই ভারতীয় নাগরিককে কুড়িগ্রাম সীমান্তে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনা রবিবার রাত দেড়টায় ঘটেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
সীমান্ত থেকে গুরুতর আহত দুই ভারতীয় উদ্ধার
পুশইনে ব্যর্থ হয়ে গুলি সীমান্ত থেকে গুরুতর আহত দুই ভারতীয় উদ্ধার Advertisement রংপুর ব্যুরো প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্ত এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভারতের আসাম রাজ্যের দুই বাসিন্দাকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশের স্থানীয়রা। রোববার রাত দেড়টায় গুরুতর আহত দুজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের ডিবি পুলিশের হেফাজতে পাহারায় রাখা হয়েছে। এদের একজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। আহতদের কাছ থেকে জানা গেছে, তাদের মধ্যে একজন আসামের দক্ষিণ সালমারা-মানকারচর জেলার সুখচর থানার বড়বালু এলাকার আব্দুল করমি শেখের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৫), অপরজন একই থানার দেওয়ানীর আলগা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল আলীম (৩৯)। আহত ইসমাইল হোসেন জানান, তারা বাড়ির কাছে আসাম সীমান্ত এলাকায় বিকাল ৩টায় গরুকে গোসল করাতে নদীর দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাদের ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলে টহলরত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী (বিএসএফ) ডেকে তাদের নৌকায় তুলে নেয়। এভাবে দুজনকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সন্ধ্যা ৭টার সময় তাদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে জোর করে চরে নামিয়ে দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এ সময় তাদের মারধরও করা হয়। দুজনই ভারতীয় নাগরিক এবং ঘটনাস্থলের পাশে তাদের বাড়ি বলে জানায়। তারা ভারতের ভূখণ্ড ছেড়ে বাংলাদেশে আসতে রাজি না হলে তাদের একপর্যায়ে বাংলাদেশে সীমান্তের ভেতর ঠেলে দিয়ে গুলি করে ফেলে যায়। এর আগে সেখানে সাউন্ড গ্রেনেড ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বিএসএফ। সেখানে তারা দুজনই রক্তাক্ত অবস্থায় পরে প্রাণ বাঁচাতে নদী পেরিয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার যাত্রাপুর সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করেন। সেখানে স্থানীয় কয়েকজন জেলে ও মাঝি তাদের আহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে কুড়িগ্রাম পুলিশের সহায়তায় গভীর রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে আব্দুল আলিমের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। আহতরা আরও জানান, প্রথমে দুজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে কুড়িগ্রাম পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে পাঠায়। আব্দুল আলিম ও ইসমাইল হোসেন রমেক হাসপাতালে বলেন, তারা ভারতের আসাম রাজ্যের মানকারচর এলাকার বাসিন্দা। তারা কোনো অপরাধ করে থাকলে ভারতের আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাদের দাবি, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হোক। এখন পর্যন্ত তাদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি বলে জানিয়েছেন আহতরা। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, দুজনের শরীরেই গোলাবরুদের আঘাতে গুরুতর জখম রয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সীমান্তে দুই ভারতীয় নাগরিককে গুলি করে ফেলে গেল বিএসএফ, রংপুর মেডিকেলে ভর্তি
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ দুই ভারতীয় নাগরিককে ভর্তি করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলেছবি : প্রথম আলো কুড়িগ্রাম সীমান্তে গুলিতে আহত ভারতীয় দুই নাগরিক পুলিশি হেফাজতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) স্থানীয় একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে তাঁদের আটক করে। পরে আজ সোমবার ভোররাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুজনকে ভর্তি করা হয়। আহত দুজন হলেন আসামের সিংমারী জেলার সুখচর উপজেলার ভেড়ামারা গ্রামের আবদুল করিম শেখের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৫) ও আবদুল মজিদ মণ্ডলের ছেলে আবদুল আনিছ ওরফে খাজা (৩৯)। ওই দুজনের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের অভিযোগে রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানায় আজ বিকেলে মামলা (মামলা নম্বর–১২) দায়ের করেছে পুলিশ। মামলার বাদী মহানগর ডিবি পুলিশের উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ বাবলা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির এসআই প্রণয় কৃষ্ণ। এ সম্পর্কে রংপুর মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী মুঠোফোনে আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, ভারতীয় ওই দুই নাগরিক গতকাল রোববার কুড়িগ্রামের উলিপুরের সাহেবের আলগা ইউনিয়নের দইখাওয়া গ্রামে বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে গরু নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিলেন। এ সময়ে বিএসএফ তাঁদের লক্ষ্য করে শটগান থেকে গুলি ছোড়ে। এতে তাঁরা গুরুতর আহত হন। সনাতন চক্রবর্তী জানান, পরে কে বা কারা ওই দুজনকে সেখান থেকে উদ্ধার করে রংপুরের বেসরকারি একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে দেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখান থেকে তাঁদের উদ্ধার করে আজ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, গুলিবিদ্ধ ভারতীয় দুই নাগরিক হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর। হাত, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য গুলি লেগেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইসমাইল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে গতকাল রোববার তাঁদের বাংলাদেশি ভেবে আটক করে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পরে তাঁদের বাংলাদেশ সীমান্তে এনে গুলি করে ফেলে রেখে যায়। আইরমারীর চর এলাকার দুই বাসিন্দা তাঁদের উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে জানতে কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব উল হক ও সহকারী পরিচালক মতিউর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা ফোন ধরেননি। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বিজিবিরংপুররংপুর বিভাগকুড়িগ্রামবিএসএফহাসপাতালভারতসীমান্ত
