টেকনাফে মাইন বিস্ফোরণে যুবক আহত, সড়ক অবরোধ

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A fisherman was seriously injured on Monday, 12 January 2026, when a landmine exploded in the Naf river near the Whaikong border in Teknaf, and his foot was severed. Officials say mines were planted in nearby areas, and locals then blocked the road in protest, so this is a concrete explosive attack-type incident with a clear victim and injury.

Reported by:SamakalSingle source
12/01/26•Shahjahan Island area, Whaikong border, Teknaf

Killed

0

Injured

1

Summary

টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ নামে এক যুবকের বাম পায়ের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা কক্সবাজার–টেকনাফ সড়ক অবরোধ করেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Md. Hanif (fisherman, injured)Lt. Col. Md. Zahirul Islam (Battalion Commander, 64 BGB)Md. Imamul Hafiz Nadim (UNO, Teknaf)Md. Shahjalal (Acting Chairman, Whaikong Union)Mohammad Amin (local resident)

Affected infrastructure

Cox's Bazar–Teknaf road (blockaded)

Tags

Other

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 12/01/26open original ↗

টেকনাফে মাইন বিস্ফোরণে যুবক আহত, সড়ক অবরোধ

টেকনাফে মাইন বিস্ফোরণে যুবক আহত, সড়ক অবরোধ আহত যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয়রা। ছবি: সমকাল টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৩:২৯ | আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৬:৪২ কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার সকাল ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং সীমান্তের শাহজাহান দ্বীপ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত হানিফ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল গ্রামের ফজল করিমের ছেলে। বিস্ফোরণে তার বাম পায়ের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এর আগের দিন রোববার একই সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। টানা এসব ঘটনার প্রতিবাদে ও নিরাপত্তার দাবিতে স্থানীয় লোকজন কক্সবাজার–টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (৬৪ বিজিবি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘সীমান্তবর্তী নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে এক যুবক মাইন বিস্ফোরণে আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সীমান্তের কাছাকাছি কিছু এলাকায় মাইন পুঁতে রাখা হয়েছে। স্থানগুলো চিহ্নিত করার কাজ চলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত না করতে বলা হচ্ছে।’ এদিকে মাইন বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়লে হোয়াইক্যং এলাকায় ক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করেন। একই সঙ্গে আগের দিন গুলিবিদ্ধ শিশু হুফাইজা আফনানের উন্নত চিকিৎসা ও সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে মানববন্ধন করেন স্থানীয়রা। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। হোয়াইক্যংয়ের লম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আমিন বলেন, ‘সকালে আমরা গুলিবিদ্ধ শিশুর চিকিৎসা ও সীমান্তবাসীর নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলাম। এর মধ্যেই খবর আসে, নাফ নদীতে এক জেলে মাইন বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন। এতে মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করে। এভাবে নিরাপত্তাহীন অবস্থায় আমরা কীভাবে বসবাস করব?’ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহজালাল বলেন, ‘আজও আমার এলাকার এক জেলে মাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়েছেন। এর আগের দিন মিয়ানমারের গুলিতে শিশু হুজাইফা মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে লাইফ সাপোর্টে রয়েছে। এসব ঘটনায় সীমান্তবাসী চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।’ টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম জানান, ‘গোলাগুলির কারণে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে। সড়ক অবরোধ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’