পদ্মার চরে গোলাগুলি, স্পিডবোট থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
Why this classification
প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেলাল গ্রুপ ও কাকন গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যাতে একজন নিহত হন। এটি একটি সুনির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা, যা ১৪ দিনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে এবং বাংলাদেশে ঘটেছে। তাই এটি সহিংসতার ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
Killed
1
Injured
0
Summary
নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীতে ভাসমান স্পিডবোট থেকে আজিজুল হক ঝড়ু (৩৫) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও রাজশাহীর বাঘা থানা সীমান্তবর্তী হবির চর এলাকায় বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেলাল গ্রুপ ও কাকন গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় তিনি নিহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: বেলাল গ্রুপ
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: কাকন গ্রুপ
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
পদ্মার চরে গোলাগুলি, স্পিডবোট থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
নাটোরের লালপুরে পদ্মার দুর্গম চরে বালুমহালের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় আজিজুল হক ঝড়ু (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে উপজেলার চরজাজিরা এলাকায় পদ্মা নদীতে ভাসমান একটি স্পিডবোট থেকে তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আজিজুল হক ঝড়ু নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাবনাপাড়া গ্রামের আব্দুল শেখ ও হাসিনা বেগম দম্পতির ছেলে। তিনি রাজশাহীর চারঘাট এলাকায় কাকন গ্রুপের বালুর পয়েন্টে কাজ করতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার মধ্যরাত থেকে ভোরের মধ্যে যেকোনো সময় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এবং রাজশাহীর বাঘা থানা সীমান্তবর্তী হবির চর এলাকায় বালুমাহলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেলাল গ্রুপ ও কাকন গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আজিজুল হক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। পরে প্রতিপক্ষের সদস্যরা তাকে একটি স্পিডবোটে করে এনে লালপুর উপজেলার চরজাজিরা মৌজার কাছে পদ্মার কিনারে ফেলে রেখে যায়। সকালে স্থানীয়রা নদীতে সবুজ ও নীল রঙের একটি স্পিডবোট ভাসতে দেখে লালপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে লালপুর থানা পুলিশ, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানা পুলিশ এবং লক্ষ্মীকুন্ডা নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ সদস্যরা স্পিডবোটের ভেতর থেকে আজিজুল হকের মরদেহ উদ্ধার করেন। তার বাম চোখের ওপরে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ এবং স্পিডবোটটি জব্দ করেছে পুলিশ। লালপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। ধারণা করা হচ্ছে, বালু মহলের আধিপত্য বিস্তারের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। লাশটি নদীর ওপর স্পিডবোটে ভাসমান অবস্থায় ছিল। যেহেতু নদীতে লাশ পাওয়া গেছে, তাই লক্ষ্মীকুন্ডা নৌপুলিশ ফাঁড়ি এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। আশিকুর রহমান/আরএআর
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ধর্ষণের অভিযোগে মুদিদোকানি গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তারপ্রতীকী ছবি নাটোরে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১২) দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগে এক মুদিদোকানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার ওসমান আলী (৫৬) নামের ওই দোকানিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে রিমান্ডে নিতে আবেদন জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। ওই দিন রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি ওসমান আলীকে গ্রেপ্তার করে। সদর থানা সূত্রে জানা যায়, দরিদ্র পরিবারের ওই ছাত্রীর মা-বাবা দুজনেই কর্মজীবী। তাঁদের ব্যস্ততার কারণে মেয়েটি একাই বিদ্যালয়ে যাতায়াত করত। হঠাৎ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা মেয়েটির শারীরিক কিছু পরিবর্তন লক্ষ করেন। বিষয়টি তিনি মেয়েটির মাকে জানান। মা মেয়েকে গত মঙ্গলবার স্থানীয় মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মেয়েটি জানায়, বিদ্যালয়ের পথের ধারের মুদিদোকানি ওসমান আলী তাকে কেক-বিস্কুট-চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দিয়ে প্রায় এক বছর ধরে মেলামেশা করে আসছে। এরপর মঙ্গলবার বিকেলে মেয়েটির বাবা ঘটনাটি সদর থানায় জানিয়ে ওসমান আলীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ রাতেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। বুধবার ঘটনাটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জানার পর বিদ্যালয় চত্বরে অভিযুক্ত দোকানির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন। মেয়েটির বাবা বলেন, ‘আমরা সবাই অশিক্ষিত। ভেবেছিলাম মেয়েকে শিক্ষিত করে অবস্থার পরিবর্তন করব। কিন্তু মেয়েটির যা অবস্থা, তাতে পড়ালেখা তো দূরের কথা, জীবন বাঁচানোই দায়। আমি এ ঘটনার উচিত বিচার চাই।’ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া মাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এ ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যা যা করার, পুলিশ তা-ই করবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন গ্রেপ্তারনাটোরমামলারাজশাহী বিভাগঅন্তঃসত্ত্বাঅপরাধশিশু ধর্ষণধর্ষণ
