ধামরাইয়ে নারী বাবুর্চিকে ধর্ষণের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a specific, recent report of a sexual assault (rape) against a woman at a brick kiln in Dhamrai, Dhaka, with the accused manager named. The report describes a concrete violent act, not a statement, commentary, or statistical summary, so it is classified as a violence incident.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
04/10/26•ধামরাইয়ের ইটভাটা

Killed

0

Injured

0

Summary

ধামরাইয়ের একটি ইটভাটার ম্যানেজার সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে নারী বাবুর্চিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বিচার চাওয়ায় রোববার (৪ অক্টোবর ২০২৬) রাতে ওই নারীকে ইটভাটা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে, এবং অভিযুক্ত ম্যানেজার আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

ইটভাটার ম্যানেজার মো. সাদ্দাম হোসেন (অভিযুক্ত)ইটভাটার যৌথ মালিক মো. আব্দুর রশিদইটভাটার যৌথ মালিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামধামরাই উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মো. জালাল উদ্দিনধামরাই থানার ওসি (অপারেশন) দেবাশীষ সানানারী বাবুর্চি (ভুক্তভোগী)

Tags

RapeSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 22/05/26open original ↗

কেরানীগঞ্জে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা

কেরানীগঞ্জে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা প্রতীকী ছবি কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬ | ২১:১৮ ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে হাসনাবাদ বসুন্ধরা সিটি একটি পরিত্যক্ত জঙ্গলে এই ঘটনা হয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে ধর্ষিতার স্বামী বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেছেন। মামলার বাদী জানান, তারা দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন সেন্টারগলি, ২১ নং গলি কাজী অফিসের সামনে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। এক সপ্তাহ আগে নাদিম নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে আমার স্ত্রী ৫ হাজার টাকা ধার নেন। উক্ত টাকা ধারের বিষয়ে লিটন নামে এক ব্যক্তিকে জামিন রাখা হয়। জামিনদার হিসেবে বুধবার রাতে মো. লিটন মিয়া (৪০), ইউসুফ হোসেন ওরফে ফারুক(৫৭) ও মো. ইয়াসমিন মিয়া (২২) তার বাসায় যান। পাওনা টাকার কথা বলার জন্য তার স্ত্রীকে মোটরসাইকেলযোগে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার হাসনাবাদের বসুন্ধরা রিভারভিউ এলাকার একটি ফাঁকা প্লটের ডেরার জঙ্গলের মধ্য নিয়ে যান। একেক করে তিনজনে তার স্ত্রীকে জঙ্গলের মধ্যে ফেলে মৃত্যুর ভয় দিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্ত্রী বাসায় এসে আমাকে জানান। পরে মামলা করি। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ হয়েছে। আসামিদের ধরার জন্যে চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - ঢাকা - কেরানীগঞ্জ

Source 2: Jugantor · 06/10/26open original ↗

ধামরাইয়ে নারী বাবুর্চিকে ধর্ষণের অভিযোগ

ধামরাইয়ে নারী বাবুর্চিকে ধর্ষণের অভিযোগ ইটভাটার ম্যানেজার উধাও ভুক্তভোগীকে বিতাড়িত Advertisement ধামরাইল (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ধামরাইয়ে ইটভাটার নারী বাবুর্চিকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। বিচার চাওয়ায় ওই নারী বাবুর্চিকে রোববার রাতের আঁধারে ইটভাটা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ অভিযোগ যৌথ মালিক মো. আব্দুর রশিদ ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ওই নারী বাবুর্চির বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায় বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই নারী বাবুর্চি ওই ইটভাটায় যোগদানের পর থেকেই ভাটার ম্যানেজার সাদ্দাম হোসেন নানাভাবে উত্তপ্ত এবং প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হয়ে ওই নারী বাবুর্চি ইটভাটার যৌথ মালিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও আব্দুর রশিদকে বিষয়টি অবহিত এবং বিচার প্রার্থনা করেন। এতে তারা কর্ণপাত না করে বিষয়টি ধামাচাপা দেন। এরপর সুযোগ বুঝে কয়েক দিন আগে ওই নারী বাবুর্চিকে মুখ চেপে ধরে ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করে। তার ডাক চিৎকারে ঘটনাটি জানাজানি হয় ওই ইটভাটার শ্রমিকসহ সর্বমহলে। ওই নারী বাবুর্চি আবারও পূর্বের ন্যায় ওই দুই মালিকের কাছে বিচার প্রার্থনা করেন ওই ম্যানেজার সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে। এতে ওই দুই মালিক কোন পদক্ষেপই না নিয়ে উল্টো ওই নারী বাবুর্চিকে গালাগালি করেন। এ ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে ধামরাই উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান এবং বিচারের জন্য ওই দুই মালিককে চাপ সৃষ্টি করেন। ইটভাটার মালিকদ্বয় বিচার করা তো দূরের কথা উল্টো রোববার রাতে ওই নারী বাবুর্চিকে ওই ইটভাটা থেকে তাড়িয়ে দেন। অপরদিকে ওই ইটভাটার ম্যানেজার মো. সাদ্দাম হোসেনকে অন্যত্র লুকিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক ঘটনায় ওই দুই মালিক জানান, আমরা বিচার করার আগেই ধর্ষক ও ধর্ষিতা নিজেদের মধ্যে আপস করে ইটভাটা ছেড়ে চলে গেছে। আমরা তাদের ইটভাটা থেকে তাড়িয়ে দেইনি। এ বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি অপারেশন দেবাশীষ সানা বলেন, অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।