স্কুল থেকে টিসি দেওয়ার পর ছাত্রী নিখোঁজ, ঝোপে মিলল খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ
Why this classification
ঘটনাটি একটি হত্যাকাণ্ড, তবে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যের কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই। তাই এটিকে অপরাধমূলক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
Killed
1
Injured
0
Summary
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কবরস্থান সংলগ্ন ঝোপ থেকে এক নিখোঁজ ছাত্রীর খণ্ড-বিখণ্ড অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
স্কুল থেকে টিসি দেওয়ার পর ছাত্রী নিখোঁজ, ঝোপে মিলল খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে একটি কবরস্থান সংলগ্ন ঝোপ থেকে খণ্ড-বিখণ্ড অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। রোববার (২১ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের চন্দননগর এলাকার কবরস্থান সংলগ্ন ঝোপের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে চন্দননগর এলাকার একটি ঝোপে খণ্ড-বিখণ্ড অর্ধগলিত মরদেহ এবং একটি স্কুলব্যাগ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সিংগাইর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ শুরু করে। তবে মরদেহটি বিকৃত ও খণ্ড-বিখণ্ড অবস্থায় থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে মরদেহটি ৬ দিন আগে নিখোঁজ ছাত্রী মারিয়ার। সেই সূত্র ধরেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশম শ্রেণির আলিফ নামের এক শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গলিত মরদেহটি হত্যার পর ৪–৫ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এক নিখোঁজ ছাত্রীর বাবা-মায়ের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মরদেহের ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট এলে চূড়ান্তভাবে পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে। স্থানীয়দের ধারণা, অন্য কোনো স্থানে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা মরদেহটি এখানে ফেলে রেখে গেছে। জানা যায়,সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মারিয়া ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফের আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ উঠলে গত ১৫ জুন স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের টিসি (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) প্রদান করে। ওই দিন মারিয়া বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে যায়নি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে পরদিন পরিবারের সদস্যরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। পরে কোনো সমাধান না হওয়ায় সিংগাইর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের পর থেকে পুলিশ তার সন্ধানে তৎপরতা চালিয়ে আসছিল। সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আরকে
নিখোঁজের ৬ দিন পর ঝোপে স্কুলছাত্রীর খণ্ডিত লাশ, সহপাঠী আটক
নিখোঁজের ৬ দিন পর ঝোপে স্কুলছাত্রীর খণ্ডিত লাশ, সহপাঠী আটক Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ ও সিংগাইর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:৪২ পিএম সিংগাইর থানা মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় নিখোঁজের ছয় দিন পর অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর অর্ধগলিত খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিদ্যালয়ে এক সহপাঠীর সঙ্গে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগে টিসি দেওয়ার ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল মারিয়া আক্তার (১৪)। রোববার বিকালে উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের চন্দননগর এলাকার একটি কবরস্থানসংলগ্ন ঝোপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নিহত মারিয়া আক্তার সিংগাইর উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর দেওয়ানবাড়ি এলাকার প্রবাসী মিজানুর রহমানের মেয়ে। সে সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৫ জুন বিদ্যালয়ের টিফিন বিরতির সময় একটি শ্রেণিকক্ষে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফ হোসেনের সঙ্গে মারিয়ার আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ ওঠে। বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি ধরা পড়ার পর দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উভয়কেই টিসি দেয়। ওই দিনই বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় মারিয়া। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে সিংগাইর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। নিখোঁজের ছয় দিন পর রোববার বিকাল ৫টার দিকে চন্দননগর এলাকার কবরস্থানের পাশে ঝোপের মধ্যে স্থানীয়রা একটি অর্ধগলিত খণ্ডিত লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি মারিয়ার বলে শনাক্ত করে। পুলিশ জানায়, লাশের ওপরের অংশ একটি গাছের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছিল এবং কোমরের নিচের অংশ মাটিতে পড়ে ছিল। ঘটনাস্থলের ভয়াবহ দৃশ্য উপস্থিত লোকজনকে স্তম্ভিত করে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সিংগাইর থানার ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলিফ হোসেন নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কিভাবে এ ঘটনা ঘটেছে, তা উদ্ঘাটনে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সিঙ্গাইরে নিখোঁজের ছয় দিন পর স্কুলছাত্রীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার
লাশপ্রতীকী ছবি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায় নিখোঁজের ছয় দিন পর এক স্কুলছাত্রীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার চন্দননগর এলাকায় একটি কবরস্থানসংলগ্ন ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত স্কুলছাত্রীর (১৪) বাড়ি সিঙ্গাইর উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নে। সে স্থানীয় সাহরাইল উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সিঙ্গাইর থানার পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বিদ্যালয়ে টিফিন চলাকালে একটি শ্রেণিকক্ষে দশম শ্রেণির এক ছাত্রের (১৬) সঙ্গে ওই ছাত্রীর আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ওই দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উভয় শিক্ষার্থীকে স্থানান্তর সনদ (টিসি) দেয়। পুলিশ জানায়, ওই দিনই ওই কিশোরী নিজের মুঠোফোন রেখে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার চন্দননগর এলাকায় কবরস্থানের কাছে একটি ঝোপের মধ্যে তার অর্ধগলিত খণ্ডিত লাশ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। লাশের ওপরের অংশ একটি গাছের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল এবং পাশে কোমরের নিচের অংশ মাটিতে পড়ে ছিল। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন তথ্য–উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পুলিশমানিকগঞ্জসিঙ্গাইরনিখোঁজলাশঢাকা বিভাগ
