ছেলে-পুত্রবধূকে চাকরি না দেওয়ায় স্কুল মাঠে কলাগাছ লাগালেন জমিদাতা, শিক্ষকদের কার্যালয়ে তালা
Why this classification
The article describes a land donor damaging school property by planting a tree, locking offices and blocking doors, which is a destructive act (vandalism) without any political or communal motive, thus it is classified as a violence incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
স্কুলের জমি দাতা তার ছেলে ও বউকে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগে বিদ্যালয়ের মাঠে কলাগাছ লাগিয়ে, শিক্ষকদের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে ও প্রধানের দরজা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ছেলে-পুত্রবধূকে চাকরি না দেওয়ায় স্কুল মাঠে কলাগাছ লাগালেন জমিদাতা, শিক্ষকদের কার্যালয়ে তালা
রাজশাহীর পুঠিয়ায় একটি স্কুলের জমির দাতা তার ছেলে ও ছেলের বউকে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিদ্যালয়ের মাঠে কলাগাছ লাগিয়ে দিয়েছেন। একই সঙ্গে শিক্ষকদের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি।
রাবিতে হল জিএসের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ প্রত্যাহার দাবি
রাবিতে হল জিএসের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ প্রত্যাহার দাবি Advertisement রাবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিলের সুপারিশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে অস্ত্রের মহড়া, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও শিক্ষার্থীদের কক্ষে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে দেওয়া স্মারকলিপিতে এসব দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। আবেদনে বলা হয়-৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর অস্ত্রের মহড়া এবং দেশীয় অস্ত্রের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। প্রতিবাদে প্রতিনিধি ও সচেতন শিক্ষার্থী হিসাবে জিএস আরিফুল ইসলাম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে সেদিন সন্ধ্যায় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ জিয়াউর রহমান হলে প্রবেশ করে হামলা চালান। আরিফুলকে না পেয়ে তার কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ৮-১০ জন সাংবাদিকের ওপরও হামলা চালানো হয়। তারা গুরুতর আহত হন। আবেদনে আরও বলা হয়, ৯ অক্টোবর প্রকাশিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রকৃত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উলটো আরিফুলের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। ফেসবুকে পোস্ট করায় তাকে শাস্তির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, আরিফুলকে সর্তক করা যেতে পারে বা বাসায় চিঠি দিতে পারে। কিন্তু ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ করা যৌক্তিক মনে হচ্ছে না।
