নেতা-কর্মীর গায়ে আবার হাত উঠলে লাশের বদলে লাশ, থানার ইট খুলে নেওয়ার হুমকি এনসিপি নেতার
Why this classification
প্রতিবেদনে এনসিপি ও বিএনপির মধ্যে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের বর্ণনা রয়েছে, যেখানে এনসিপি নেতা তৌহিদুল ইসলামকে অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। উভয় পক্ষই রাজনৈতিক দল, তাই এটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
4
Summary
২৮ সেপ্টেম্বর রাতে নারায়ণগঞ্জের বক্তাবলী বাজারে এনসিপি ও বিএনপির মধ্যে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এনসিপি নেতা তৌহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন আহত হন। পরে এনসিপি নেতা-কর্মীরা ফতুল্লা থানার সামনে বিক্ষোভ ও হুমকি দেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 4
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: NCP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ওসির কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে ‘থানার ইট খুলে নেওয়ার’ হুমকি এনসিপি নেতার
ওসির কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে ‘থানার ইট খুলে নেওয়ার’ হুমকি এনসিপি নেতার নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২০:২৫ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১:৪২ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতার ওপর হামলার ঘটনার পর দলের কোনো কর্মীর ওপর আবার হামলা হলে ‘থানার ইট খুলে নেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন দলটির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির আহ্বায়ক যুবাইর সরদার। সোমবার রাতে ফতুল্লা মডেল থানার ভেতরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তাকে এ হুমকি দিতে শোনা যায়। এ সময় তার বক্তব্যের ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি এনসিপির নেতাকর্মীরাই পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে যুবাইর সরদারকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি যুবাইর সরদার, নারায়ণগঞ্জ এনসিপির আহ্বায়ক। যদি আমার একটা কোনো কর্মীর গায়ে হাত তোলে, লাশের বদলে লাশ নেব। আমার একজন নেতাকর্মীর গায়ের রক্ত পড়ে আরেকবার, থানার ইটকল পর্যন্ত খুলে নেব।’ এ সময় তিনি উত্তেজিত কণ্ঠে নেতাকর্মীদের সামনে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানান, ওই সময় তিনি তার কক্ষের ভেতরে ছিলেন। যুবাইর সরদারের এমন বক্তব্য তিনি শুনেছেন কিনা, জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘এই ধরনের বক্তব্য কেউ দিয়েছে কিনা, আমি তা শুনিনি। তখন আমি ভেতরে ছিলাম। কিন্তু এমন বক্তব্য কেউ দিয়ে থাকলে তা ভালো চর্চা নয়। তারা দায়িত্বশীল পদে অবস্থান করে এভাবে থানার ভেতরে বক্তব্য রাখতে পারেন না।’ ওসি আরও বলেন, ‘এই ধরনের বক্তব্যের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে যদি কোনো ব্যত্যয় ঘটে, তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সেভাবে ব্যবস্থা নেবেন।’ হামলার পর থানায় এনসিপির নেতা-কর্মীরা এদিকে সোমবার রাত আটটার দিকে ফতুল্লা থানার বক্তাবলী বাজার এলাকায় হামলার শিকার হন এনসিপির জেলা কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম। এনসিপির নেতাদের অভিযোগ, ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবৈধভাবে মাটি কাটার বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ায় বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদের নির্দেশে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাওহীদুলের ওপর হামলা চালান। হামলার পর এনসিপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ফতুল্লা মডেল থানায় অবস্থান নেন। তারা থানার সামনে মিছিল করেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে রাতে থানায় যান স্থানীয় সংসদ সদস্য (নারায়ণগঞ্জ-৪) আব্দুল্লাহ আল আমিন। এ ঘটনায় জাতীয় যুবশক্তির জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান বাদী হয়ে হালিম আজাদসহ বিএনপির ১৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। তবে মামলার পর এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানিয়েছেন ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম। - বিষয় : - নারায়ণগঞ্জ - হুমকি - ওসি - এনসিপি
ফতুল্লায় থানার ইট খুলে নেওয়ার হুঁশিয়ারি এনসিপি নেতার
এমপির নেতৃত্বে থানার সামনে মিছিল ফতুল্লায় থানার ইট খুলে নেওয়ার হুঁশিয়ারি এনসিপি নেতার যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক এনসিপি নেতার ওপর হামলার ঘটনার পর ‘আর কোনো কর্মীর ওপর হামলা হলে থানার ইট খুলে নেওয়ার’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জেলা কমিটির আহ্বায়ক যুবাইর সরদার। সোমবার রাতে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ-সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনের নেতৃত্বে এনসিপি নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে থানার ভেতরে যান। এ সময় ওসি কক্ষের সামনে গিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। ফতুল্লা মডেল থানার ওসির কক্ষের সামনে যুবাইরকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি যুবাইর সরদার, নারায়ণগঞ্জ এনসিপির আহ্বায়ক। যদি আমার কোনো কর্মীর গায়ে হাত তোলে, লাশের বদলে লাশ নেব। যদি আমার একজন নেতাকর্মীর গায়ের রক্ত পড়ে আরেকবার, থানার ইট পর্যন্ত খুলে নেব।’ এই বক্তব্যের ১৭ সেকেন্ডের ভিডিও এনসিপি নেতাকর্মীরাই ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। সেখানে এ ধরনের বক্তব্য দিতে শোনা যায় যুবাইরকে। ফতুল্লা থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, এ ধরনের বক্তব্য কেউ দিয়েছে কিনা আমি শুনিনি। তখন আমি ভেতরে ছিলাম। এমন বক্তব্য কেউ দিয়ে থাকলে তা ভালো চর্চা নয়। তারা দায়িত্বশীল পদে থেকে এভাবে থানার ভেতরে বক্তব্য রাখতে পারেন না। এর আগে সোমবার রাতে ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী বাজার এলাকায় হামলার শিকার হন এনসিপি জেলা কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম। এনসিপি নেতাদের অভিযোগ-ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবৈধভাবে মাটি কাটা নিয়ে বক্তব্য রাখায় বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদের নির্দেশে বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা চালান। হামলার পর এনসিপি নেতাকর্মীরা ফতুল্লা মডেল থানার ভেতরে অবস্থান নেন। থানার সামনে মিছিল করেন এবং বিএনপির বিরুদ্ধে স্লোগানও দেন। রাতে থানায় যান এনসিপির সংসদ-সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনও। রাতেই এনসিপির যুব উইং জাতীয় যুবশক্তির জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান বাদী হয়ে হালিম আজাদসহ ১৬ বিএনপি নেতাকর্মীর নামে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। সংসদ-সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, আমরা আইনের আশ্রয় নিতেই থানায় গিয়েছিলাম। যুবাইর যে বক্তব্য দিয়েছে, এটি মূলত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এনসিপি নেতা যুবাইর বলেন, ফেসবুকে আমার যে বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে তা আংশিক, পুরো বক্তব্য নয়। আমি দলীয় নেতাকর্মীদের শান্ত করার জন্য বলেছিলাম, আমরা আইন হাতে তুলে নিতে পারি না। আমরা আইনের আশ্রয় নিতেই এসেছি। যদি পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা না নেয় তবে আমরা অ্যাকশনে যাব।
নেতা-কর্মীর গায়ে আবার হাত উঠলে লাশের বদলে লাশ, থানার ইট খুলে নেওয়ার হুমকি এনসিপি নেতার
এনসিপি নেতা তৌহিদুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে না—এমন অভিযোগ তুলে ফতুল্লা থানার সামনে দলটির নেতা-কর্মীরা জড়ো হনছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া ‘আমি জোবায়ের সরদার। নারায়ণগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক। যদি আমার একটা নেতা-কর্মীর গায়ে হাত তোলে, আমি লাশের বদলে লাশ নেব। আমার একটা নেতা-কর্মীর ওপর যদি হাত তোলে আর একবার, আমি থানার ইট পর্যন্ত খুলে নিয়ে যাব।’ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক জোবায়ের সরদারের এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল সোমবার রাতে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলমের অফিসের সামনে তিনি এ বক্তব্য দেন। এর আগে সদর উপজেলার বক্তাবলীতে এনসিপি নেতা তৌহিদুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে না—এমন অভিযোগ তুলে থানার সামনে দলটির নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। ওই সময় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে জোবায়ের সরদার বক্তব্য দেন। গতকাল সোমবার রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী বাজার এলাকায় তৌহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন এনসিপি নেতা-কর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। তৌহিদুল ইসলাম জেলা এনসিপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন এনসিপির সংগঠকের দায়িত্বে আছেন। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ফতুল্লা মডেল থানার ওসির কার্যালয়ের সামনে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক জোবায়ের সরদারসহ এনসিপির ৩০-৪০ নেতা-কর্মী অবস্থান করছেন। জোবায়েরের বক্তব্যের সময় উত্তেজিত নেতা-কর্মীদের স্লোগান দিতেও শোনা যায়। বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক জোবায়ের সরদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েক শ নেতা-কর্মী থানার সামনে জড়ো হয়েছিলেন। থানার সামনের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছিল। পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিল না। তখন নেতা-কর্মীদের শান্ত করার জন্য আমি বলেছি, আমার নেতা-কর্মীর গায়ে হাত উঠলে লাশের বদলে লাশ পড়বে। আবার আমাদের নেতা-কর্মীদের গায়ে হাত উঠলে, পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে থানার ইট খুলে নেওয়া হবে।’ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক জোবায়ের সরদারছবি: জোবায়ের সরদারের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া জোবায়ের সরদার আরও বলেন, ‘পুলিশ মামলা নিয়েছে। তবে এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’ বক্তাবলীতে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে এনসিপি ও বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বতিণ্ডা ও পরে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে এনসিপির নেতা-কর্মীরা থানার সামনে এসে স্লোগানে দেন। জোবায়ের সরদারের বক্তব্যের বিষয়ে তারেক আল মেহেদী বলেন, ‘বক্তাবলী দ্বীপাঞ্চল, সেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ থাকে না। এখানে পুলিশের কোনো গাফিলতি নেই। তাঁর ওই বক্তব্যের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’ মামলায় আসামি বিএনপি নেতা হামলার ঘটনায় জাতীয় যুবশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিকেলে বক্তাবলী ইউনিয়নের গঙ্গানগর এলাকায় দলীয় লোকজন নিয়ে বক্তাবলী ইউনিয়ন কমিটির কার্যক্রম নিয়ে আলাপ–আলোচনা করছিলেন বাদী ও তাঁর সহযোগীরা। এ সময় তাঁরা খবর পান, মধ্যনগর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিঘ্ন সৃষ্টিসহ জনজীবন হুমকির সম্মুখীন হতে পারে মর্মে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিষয়টি প্রতিহত করতে বক্তাবলী নৌ পুলিশ ফাঁড়িকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে তাঁরা নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। এজাহারে আরও বলা হয়, রাত সাড়ে আটটার দিকে বক্তাবলী বাজারে পৌঁছালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের পথ রোধ করেন। পরে তাঁরা নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে তৌহিদুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার মাঝখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। হামলায় আরও কয়েকজন আহত হন। এ সময় তৌহিদুল ইসলামের মুঠোফোন ও ২২ হাজার ৩০০ টাকা নিয়ে যাওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন লাশফতুল্লানারায়ণগঞ্জজাতীয় নাগরিক পার্টিএনসিপি
