সিলেটে বেসরকারি হাসপাতালের কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর আন্দোলনে হামলা
Why this classification
On 3 October 2026, outsiders allegedly linked to BNP beat hospital workers during a wage protest at Park View Medical College Hospital in Sylhet, and about 30 workers were reportedly injured. This is a concrete physical attack within the recent window, though the BNP involvement is denied by the party.
Killed
0
Injured
30
Summary
শনিবার (৩ অক্টোবর ২০২৬) সিলেট নগরীর তালতলায় পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেতন বৃদ্ধির আন্দোলনের সময় বহিরাগতদের হামলা ও মারধরে কর্মচারীরা আহত হন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি নেতা ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর উপস্থিতিতে ঘটনার পর কর্মচারী ও বহিরাগতদের মধ্যে হাতাহাতি হয়, তবে বিএনপির সম্পৃক্ততা অস্বীকার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
75% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 30
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
সিলেটে বেসরকারি হাসপাতালের কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর আন্দোলনে হামলা
সিলেটে বেসরকারি হাসপাতালের কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর আন্দোলনে হামলা সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | ০২:৪৩ সিলেটের বেসরকারি পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে বেশ কজন কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। শনিবার দুপুরে নগরীর তালতলা এলাকার হাসপাতাল ভবনে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে হাসপাতালজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হাসপাতাল সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে সকাল থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনে নামেন হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। তারা মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। দুপুরের দিকে হাসপাতালে যান সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি হাসপাতালে পৌঁছালে আন্দোলনকারী কর্মচারীদের কয়েকজন তাকে ঘিরে ‘ভুয়া ভুয়া’সহ বিভিন্ন আপত্তিকর স্লোগান দেন। এর পরপরই হাসপাতালের সেমিনার হলে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে কয়েকজন কর্মচারীকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতিতে এক কর্মচারীর হাতে হাতকড়া পরানো হলে তিনি ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পা ধরে ক্ষমা চান। কর্মচারীদের অভিযোগ, ক্ষমা চাওয়ার সময়ই বহিরাগত কয়েকজন ওই কর্মচারীকে মারধর করে। কক্ষ থেকে বের হয়ে লিফটের সামনে গেলে তাকে দ্বিতীয় দফায় পেটানো হয়। হামলাকারীরা বিএনপির নেতাকর্মী বলে অভিযোগ করেন তারা। এ ঘটনার পর কর্মচারী ও বহিরাগতদের মধ্যে হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা শাখার কর্মচারী আহমদ আল জুবের বলেন, ‘স্লোগান দেওয়ার কারণে আমরা ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর কাছে ক্ষমা চেয়েছি। তারপরও আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আমাদের অন্তত ৩০ জন কর্মী আহত হয়েছেন। অন্য এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করে ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, আমি ১৭ বছর ধরে বিএনপি করি। আজ বিএনপির লোকজনই আমার ওপর হামলা চালিয়েছে, মারধর করেছে। ক্ষমা চাওয়ার পরও আমাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টা হাসপাতালে আটকা পড়েন ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ বিএনপির নেতারা। বিকেলে তিনি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসার সময় আবারও তাকে উদ্দেশ্য করে স্লোগান দেওয়া হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ফের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বহিরাগত কয়েকজন মারধর করেছে বলে শুনেছি। তবে এর সঙ্গে বিএনপির কেউ জড়িত নয়। কর্মচারীরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়েছিল, আমাকে উদ্দেশ্য করে নয়। আমি বিষয়টি সমাধান করে এসেছি এবং কর্মচারীরা আন্দোলন স্থগিত করেছে। হাসপাতালের পরিচালক পর্যায়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমকালকে বলেন, আন্দোলরনকারীরা বিকেলে কাজে যোগ দিয়েছেন। তাদের দাবি মানা হয়েছে। এ ব্যাপানে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির জানান, কর্মচারীরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলন করছিলেন। এ সময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। - বিষয় : - সিলেট
সিলেটে ছিনতাইকারীকে আটকাতে গিয়ে প্রাণ গেল র্যাব সদস্যের
সিলেটে ছিনতাইকারীকে আটক করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে মারা গেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-৯) সদস্য ইমন আচার্য্য। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছিনতাইকারী আসাদউল আলম বাপ্পীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ মে) দুপুর দেড়টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ইমন আচার্য্য র্যাব-৯ সিলেটে কর্মরত ছিলেন (কনস্টেবল নম্বর- ৬৯১৭৯০, বিপি নম্বর- ৯৮১৮২১৯২০৫)। পুলিশ জানায়, দুপুরে সিলেট মহানগরের কোতোয়ালী থানার কিন ব্রিজ এলাকায় পুলিশের একটি টহল দল সন্দেহভাজন এক ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে। পালানোর সময় অভিযুক্তের মুখোমুখি হন সাদা পোশাকে থাকা র্যাব সদস্য ইমন আচার্য্য। তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে ছিনতাইকারী ছুরি দিয়ে ইমনকে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকসেবী ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। ছুরিকাঘাতের পর আতঙ্ক সৃষ্টি করে সে একটি আবাসিক বাসায় ঢুকে এক শিশুকে জিম্মি করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ সতর্ক অভিযানে তাকে নিরস্ত্র করে আটক করে এবং ঘটনাস্থল থেকে ব্যবহৃত ছুরিটি জব্দ করে। মাসুদ আহমদ রনি /এসএইচএ
সিলেটে মাদক খাইয়ে ছিন্নমূল শিশুকে ধর্ষণ
সিলেটে মাদক খাইয়ে ছিন্নমূল শিশুকে ধর্ষণ Advertisement সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সিলেট কদমতলী রেলস্টেশন এলাকার ১২ বছর বয়সি এক ছিন্নমূল ও ভবঘুরে শিশুকে মাদক খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে লোদন (৩৫) নামের এক মাদকসেবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান জানান, নির্যাতনের শিকার শিশুটি ছিন্নমূল ও ভবঘুরে। নির্যাতনকারী মাদকসেবী। তিনি আরও জানান, ভিকটিমের মৌখিক অভিযোগ এবং তার পরিবারের এজাহারের ভিত্তিতে অভিযুক্ত লোদনকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জানা যায়, মঙ্গলবার ভোররাত আনুমানিক ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার দিকে কদমতলী রেলস্টেশন এলাকার বাসিন্দা লোদন শিশুটিকে একা পেয়ে ফুঁসলিয়ে একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে প্রথমে জোরপূর্বক মাদক খাওয়ানো হয়। পরে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। ভোররাত ৪টার দিকে টের পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানালে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে রেল পুলিশ বিষয়টি দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশকে জানালে তারা অভিযান চালিয়ে সকাল ৬টার দিকে কদমতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে লোদনকে গ্রেফতার করে।
সিলেটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে হামলা, চারজনকে কারাদণ্ড
প্রতীকী ছবি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের ইটপাটকেলের আঘাতে উপজেলা প্রশাসনের চার কর্মচারী আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত আটটার দিকে উপজেলার ধলাই ব্রিজের নিচে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বালু লুট ও হামলার ঘটনায় চারজনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কোম্পানীগঞ্জের কলাবাড়ী এলাকার মো. তেরা মিয়া (৫৫), দক্ষিণ কলাবাড়ীর মো. মাসুক (৪৫), উত্তর কলাবাড়ীর মো. গিয়াস (৩০) ও পারুয়া মাঝপাড়া এলাকার মো. মিসছবাহ উদ্দিন (২০)। অভিযান সূত্রে জানা গেছে, ধলাই ব্রিজের নিচে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়ার নেতৃত্বে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ তালুকদারসহ প্রশাসনের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক্টর জব্দ করা হয়। ট্রাক্টর জব্দের পর বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ লোক একত্র হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে হামলা চালায়। এ ঘটনায় চার কর্মচারী আহত হন। তবে ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অক্ষত ছিলেন। খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ সময় চারজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়া হয়। ইউএনও মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সিলেটহামলাসিলেট বিভাগঅবৈধ বালু উত্তোলনকোম্পানীগঞ্জ
