ফতুল্লায় দোকান বাকি নিয়ে এনসিপি কর্মীকে মারধর যুবদল নেতার
Why this classification
This incident was classified as political violence in Narayanganj. Parties reported: Jubo Dal, NCP. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
1
Summary
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দোকান বাকির টাকাকে কেন্দ্র করে সোহাগ নামে এক এনসিপি কর্মীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে মারধর করেছেন যুবদল নেতা মাসুম রাজ। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে যৌথবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 3
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
দোকান বাকি নিয়ে তর্ক, এনসিপি কর্মীকে ধরে নিয়ে যুবদল নেতার মারধর
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দোকান বাকির টাকা নিয়ে তর্কে এনসিপি কর্মীকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। রোববার দুপুরে ফতুল্লার মধ্য রসুলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাত ১১টায় কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাসুম রাজের চাচা হানিফ মিয়ার দোকান থেকে কোমল পানীয় (মোজো) নিয়ে টাকা পরে দেওয়ার কথা বলে চলে যাচ্ছিলেন এনসিপি কর্মী সোহাগ। এ সময় দোকানদার হানিফ তাকে বাকি দিবেন না বলে জানান। তখন সোহাগ দোকানদারকে গালি দেয়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন সোহাগকে দূরে সরিয়ে দেন। তখন দোকানদারি কেমনে করবি- হানিফ মিয়াকে এ হুমকি দিয়ে সোহাগ চলে যান। বিষয়টি রোববার সকালে হানিফ তার ভাতিজা মাসুম রাজকে জানালে তিনি দলবল নিয়ে রাস্তা থেকে সোহাগকে ধরে তার দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যান এবং মারধর করেন। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবশক্তি সদস্য সচিব নাসিম আহমেদ জানান, কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাসুম রাজ জুলাই আন্দোলনের পর কুতুবপুর এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের এনসিপির কর্মী সোহাগকে রাস্তা থেকে দলবল নিয়ে তার ক্লাবে নেয়। এরপর তার ক্লাবে সোহাগকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে। খবর পেয়ে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মাসুমের ক্লাব থেকে সোহাগকে উদ্ধার করে থানায় খবর দিয়েছি। মাসুমকে গ্রেফতার করা হলে এলাকাবাসী শান্তিতে থাকতে পারবেন। মাসুম রাজ জানান, সোহাগ কোনো দলের কর্মী না। সে এলাকায় বখাটে এবং মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। এলাকার প্রতিটি মুদি দোকানদারকে সোহাগ মারাত্মক হয়রানি করেন। সিগারেট মোজোসহ বিভিন্ন সদাই নিয়ে টাকা পরে দিবে বলে চলে যায়। এরপর টাকা চাইলেই নানাভাবে হুমকি দেয়। গত শনিবার রাতেও হানিফ মিয়ার দোকান থেকে মোজো নিয়ে টাকা না দিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। তখন টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধ দোকানদার হানিফকে মারধর করতে ক্ষেপে যায়। রোববার সকালে সোহাগ ও তার মা পারভিনকে ডেকে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে আনি। এরপর উভয়পক্ষের কথা শুনি। তখন সোহাগকে তার মা পারভিন বেগম চর থাপ্পড় দিয়ে হানিফ মিয়ার সঙ্গে মিলেয়ে দেন। পরবর্তীতে এনসিপি নেতা পরিচয় দিয়ে নাসিম আহমেদ নামে এক ছেলে এসে গায়েপড়ে ঝগড়া করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের শান্ত করেন। ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দন চন্দ্র সরকার জানান, সোহাগ নামের ছেলেটি অপরাধ করেছে। তার অপরাধের বিচার তার মা করে মীমাংসা করেছেন। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
ফতুল্লায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এক আসামি কারাগারে
কারাগারপ্রতীকী ছবি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ মামলায় এক আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরেক আসামি জনতার পিটুনিতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর শিশুটির জবানবন্দি শেষে বাদীর জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলাটি করেছেন শিশুটির মা। দুই আসামি তাদের প্রতিবেশী। শিশুটির মা বলেন, তাঁর শিশুমেয়েকে নির্যাতনের ঘটনায় দুই আসামির ফাঁসি দাবি করেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ কোনো শিশুর প্রতি এমন নির্মম নির্যাতন করতে সাহস না পায়। প্রশাসনের লোকজনও ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। আরও পড়ুন ফতুল্লায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তরুণকে বেদম পিটুনি ২৩ মে ২০২৬ নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আবদুস সামাদ প্রথম আলোকে জানান, ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় আদালত সোহেল (২২) নামের এক আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় জবানবন্দি শেষে শিশুটিকে মামলার বাদী মায়ের জিম্মায় দিয়েছেন আদালত। এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশে খেলার সময় কৌশলে তাকে ডেকে নিয়ে দুই তরুণ যৌন নির্যাতন করেন। পরে শিশুটি বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। শিশুকে ধর্ষণের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্ত হিরুকে পিটুনি দেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হিরুর সহযোগী সোহেলকে আটক করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মো. শামীম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গণপিটুনি দেওয়া যুবক হিরু মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। শিশুটির মায়ের করা মামলায় অপর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে শনিবার সকালে ফতুল্লা মডেল থানায় শিশুটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিনসহ কয়েকজন। সেখানে শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। জেলা প্রশাসক বলেন, ঘটনাটি নেক্কারজনক। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে সব রকম আইনি সহায়তা করার আশ্বাস দেন তিনি। জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্মা জহিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন শিশুমামলাকারাগারঢাকা বিভাগনারায়ণগঞ্জধর্ষণ
