খাগড়াছড়িতে পৃথক গোলাগুলিতে ইউপিডিএফের দুই সদস্য নিহত
Why this classification
The article reports a new, specific shooting on Wednesday (24 June 2026) in Khagrachhari in which two UPDF members were killed and one person was injured. The UPDF blames JSS gunmen and security forces, though the JSS has not responded, so the attackers are still an allegation.
Killed
2
Injured
1
Summary
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও রামগড় উপজেলায় বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) পৃথক গোলাগুলিতে ইউপিডিএফের দুই সদস্য সুজন চাকমা ও ববিন ত্রিপুরা নিহত এবং সুনিল ত্রিপুরা আহত হয়েছেন। ইউপিডিএফের অভিযোগ, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্য ও নিরাপত্তা বাহিনী এই হামলা চালিয়েছে এবং মংসানু মারমা নিখোঁজ রয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: PCJSS, Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: UPDF
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
খাগড়াছড়িতে পৃথক গোলাগুলিতে ইউপিডিএফের দুই সদস্য নিহত
খাগড়াছড়িতে পৃথক গোলাগুলিতে ইউপিডিএফের দুই সদস্য নিহত ছবি: সংগৃহীত খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬ | ২০:২৪ | আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ | ২০:২৬ খাগড়াছড়ি সীমান্ত এলাকায় পৃথক গোলাগুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। বুধবার দীঘিনালা ও রামগর উপজেলার দুই জায়গায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ইউপিডিএফ সদস্য সুজন চাকমা (৪৮) ও ববিন ত্রিপুরা। সুজন কবাখালি ইউনিয়নের তারাবন্যা গ্রামের বিনন্দ মোহন চাকমা ছেলে ও ববিনের বাড়ি রামগড় মাজারা টিলা এলাকায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দীঘিনালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার। ইউপিডিএফের দাবি, নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনী ও আরেকজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির গুলিতে নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় সুনিল ত্রিপুরা নামে একজন আহত হয়েছেন। আহত সুনিল রামগড় দাতারামপাড়ার কমল বিকাশ ত্রিপুরার ছেলে। হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে ইউপিডিএফ মুখপাত্র অংগ্য মারমা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, জেএসএসের অস্ত্রধারী কয়েকজন তাদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। এ সময় সাংগঠনিক কাজে বাবুছড়ার মুড়োপাড়ায় অবস্থানরত তাদের সদস্য সুজন চাকমাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি বলেন, রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় আগে থেকে অবস্থান নেওয়া নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ইউপিডিএফ কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে ববিন ত্রিপুরা নিহত হন। এ ঘটনায় মংসানু মারমা নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা। তবে অভিযোগের বিষয়ে জেএসএসের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
