বুধবার পরীক্ষা হলে সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়লেন পরীক্ষার্থীরা

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

The article reports a recent clash between student protesters and police in Dhaka, with physical beatings, meeting the definition of relevant violence and occurring within the 14‑day window, so it is classified as political violence.

Reported by:SamakalSingle source
14/07/26•Manik Miah Avenue

Killed

0

Injured

3

Summary

শিক্ষার্থীরা বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি করে মানিক মিয়া এভিনিউতে লংমার্চের ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছেড়ে দিল। পুলিশ তাদের পিটিয়ে সরিয়ে দিল এবং কিছু স্থানে ধাক্কা-ধাক্কির ঘটনা ঘটেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

93% · severity 2

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Locals

Other actors

মিরাজনাছির উদ্দীন নাছিরঅধ্যাপক সৈয়দ আকতারুজ্জামানতাহমিদআনম এহছানুল হক মিলন

Tags

Rally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 15/07/26open original ↗

বুধবার পরীক্ষা হলে সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়লেন পরীক্ষার্থীরা

বুধবার পরীক্ষা হলে সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়লেন পরীক্ষার্থীরা ছবি- সংগৃহীত সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬ | ০০:৩০ বুধবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা না হলে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চ করার ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছেড়েছেন আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার রাত নয়টা চল্লিশ মিনিটের পর তারা সংসদ ভবনের সামনের মানিক মিয়া এভিনিউ ত্যাগ করেন। এরপর সড়কটিতে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গ্রহণ এবং পরীক্ষার্থীদের 'ফার্মের মুরগি' সম্বোধন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা রাত সোয়া আটটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে জড়ো হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ আটকে দেন। রাত সাড়ে নয়টায় এক তাৎক্ষণিক ব্রিফিংয়ে এদিনের মত আন্দোলন শেষ করার ঘোষণা দেন ঢাকা সিটি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মিরাজ। তিনি বলেন, আমাদের দাবিগুলো আমরা আজকে দেখেছি মেনে নেওয়া হয়নি। আমাদের মূল দাবিগুলোর কিছুই মেনে নেওয়া হয়নি। আমরা বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত চাই আজকে রাতের মধ্যেই। তিনি আরও বলেন, একইসঙ্গে আমরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাচ্ছি। কারণ আমরা শিক্ষার্থী বান্ধব একজন শিক্ষামন্ত্রী চাচ্ছি। আমাদের দাবি যদি মেনে নেওয়া না হয়, আমাদের যদি বুধবারের পরীক্ষায় বসতে হয় তাহলে আমরা 'লংমার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়' পালনের ঘোষণা দিলাম। সরকার যদি বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা না করে তাহলে এদিন পরীক্ষা দেবেন কী না তা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, বুধবার যদি পরীক্ষায় বসতে হয় তাহলে আমরা অখুশি মনে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করবো। আমরা পরীক্ষা দিবো তা বলিনি, আমরা বলছি যদি পরীক্ষায় বসতে হয়। কারণ সরকার পরে বলবে (পরীক্ষা না দিলে) আমরা ফেইল। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে পুলিশ আন্দোলনরতদের সংসদ ভবনের সামনে থেকে পিটিয়ে সরিয়ে দেয়। এদিকে আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল সংসদের ভেতরে প্রবেশ করলেও তাদের সঙ্গে দায়িত্বশীল কারো আলোচনা হয়নি। এদিন সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তারা জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে পৌঁছে মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন বটতলার গেইটে অবস্থান নেন। পরে তারা মানিক মিয়া এভিনিউয়ের দুই পাশেই অবরোধ করেন। এর আগে বিকাল পৌনে চারটা থেকে দেড় ঘণ্টা তারা সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে অবস্থান করেন। পাঁচটা বিশ মিনিটে তারা সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় ছেড়ে সংসদের দিকে রওনা হন। তারা প্রথমে ঢাকা বোর্ডের দিকে যাওয়ার কথা বললেও পরে সংসদ ভবনের দিকে যান। তার আগে বেলা পৌনে বারোটা থেকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব ও উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনের সড়ক আটকে বিক্ষোভ শুরু করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে দুপুরে তারা ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল গেইটের সামনে পুলিশ শিক্ষার্থীদের আটকে দেন। এসময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করে। মুহসীন হলের সামনে বাধা পেয়ে দুপুর ১টার দিকে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। পরে দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা পলাশী মোড় হয়ে শিক্ষা বোর্ডের দিকে রওনা হন। দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নেন পরীক্ষার্থীরা। তখন পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা আলোচনার প্রস্তাব দিলেও তারা তা না করে ফের সায়েন্স ল্যাবে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আকতারুজ্জামান। পরে পৌনে চারটার আবার সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে অবস্থান নেন পরীক্ষার্থীরা। এদিকে উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা বুধবার সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করে বিকাল সোয় তিনটার দিকে সড়ক ছেড়ে দিয়েছেন। দিনভর আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ‘তুমি কে, আমি কে—ফার্মের মুরগি’, ‘কে বলেছে, কে বলেছে—শিক্ষামন্ত্রী’, ‘দফা এক, দাবি এক—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ’, ‘জ্বালো রে জ্বালো—আগুন জ্বালো’, ‘আপস না সংগ্রাম—সংগ্রাম, সংগ্রাম’—এমন নানা স্লোগান দিতে দেখা গেছে। তাদের হাতে পরীক্ষা স্থগিত এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়। আন্দোলনের মধ্যে তারা যে তিনটি দাবি তুরে ধরেছে, সেগুলো হলো— দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হবে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে যেসব পরীক্ষার্থী ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে পদত্যাগ করতে হবে। আন্দোলনকারী তাহমিদ বলেন, সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ায় পরীক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। অনেককে পানি-কাদা পেরিয়ে, এমনকি নৌকায় করে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানানো হলেও তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল ছিল এবং প্রশ্নের মান নিয়েও আপত্তি রয়েছে। - বিষয় : - শিক্ষার্থীদের অবস্থান - আন্দোলন