কুপিয়ে জখমের আট দিন পর গৃহবধূর মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

A woman was repeatedly struck on the head with a spade (kodal) by a neighbour during a long-standing feud on 28 April 2026, and she died from her injuries on the night of Monday, 4 May 2026. This is a single, recent, concrete attack resulting in a death in Maheshpur, Jhenaidah, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorSingle source
28/04/26•নেপা ঘোষপুর, মহেশপুর

Killed

1

Injured

0

Summary

ঝিনাইদহের মহেশপুরে গত ২৮ এপ্রিল পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রতিবেশী শহিদুল ইসলাম কোদাল দিয়ে কুপিয়ে গৃহবধূ জোসনা আক্তারকে গুরুতর জখম করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ মে (সোমবার রাতে) তাঁর মৃত্যু হয়েছে, এবং অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

শহিদুল ইসলাম (accused)শাহিন (accused)শাহিনা খাতুন (accused)জোসনা আক্তার (victim)ফারুক হোসেন (victim's husband, complainant)মেহেদী হাসান (OC, Maheshpur Police Station)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 06/05/26open original ↗

কুপিয়ে জখমের আট দিন পর গৃহবধূর মৃত্যু

পূর্বশত্রুতার জের কুপিয়ে জখমের আট দিন পর গৃহবধূর মৃত্যু Advertisement মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মহেশপুরে পূর্ব শত্রুতায় কোদাল দিয়ে কুপিয়ে জখমের আট দিন পর সেই গৃহবধূ জোসনা আক্তার মারা গেছেন। সোমবার রাতে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। দুই সন্তানের মা জোসনা আক্তার উপজেলার নেপা ঘোষপুরের ফারুক হোসেনের স্ত্রী। এর আগে ২৮ এপ্রিল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোসনা আক্তারকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী প্রতিবেশী দুই ভাই শহিদুল ইসলাম ও শাহিন এবং তাদের মা শাহিনা খাতুনকে আসামি করে মামলা করেন। জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুরে জোসনা আক্তার বাড়ির পাশের শ্যালো মেশিনে গোসল করতে গেলে শহিদুল ইসলাম হাতে থাকা কোদাল দিয়ে সজোরে মাথায় কোপ দেন। এ সময় জোসনা মাটিতে পড়ে গেলে শহিদুল মাথায় পর পর আরও দুটি কোপ দেন। জোসনার চিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে এলে শহিদুল পালিয়ে যান। জোসনাকে যশোর সদর হাসপাতাল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ওসি মেহেদী হাসান বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।