কালীগঞ্জে বহিষ্কারের জেরে নারী ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত
Why this classification
The incident involves a physical assault on a local official by the family of an expelled political leader, motivated by political retaliation.
Killed
0
Injured
1
Summary
কালীগঞ্জের চলবলা ইউনিয়নে বহিষ্কৃত কৃষকদল নেতার স্ত্রী ও ছেলের হামলার শিকার হয়েছেন ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল করিম। সকালে ধান ক্ষেতে যাওয়ার পথে তাকে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Union Parishad Member
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কালীগঞ্জে বহিষ্কারের জেরে নারী ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত
সেই কৃষকদল নেতার কাণ্ড কালীগঞ্জে বহিষ্কারের জেরে নারী ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত Advertisement কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কালীগঞ্জে এক ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন কৃষকদলের সদ্য বহিষ্কৃত এক নেতার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। শনিবার উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের দুহুলী বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য আব্দুল করিম। তিনি ওই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গত শুক্রবার সকালে আবাদি ধানের ক্ষেত দেখার উদ্দেশে বের হলে প্রতিবেশী এবং বহিষ্কৃত চলবলা ইউনিয়ন কৃষকদল সভাপতি শাহ আলমের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম আমার পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলেন। এ সময় তার ছেলে মেহেদি হাসান আমাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর ও লাঞ্ছিত করেন।’ পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে জানান তিনি। হামলার কারণ হিসেবে ইউপি সদস্য জানান, ‘গত ১৯ আগস্ট ওই কৃষকদল নেতা এক প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মামলা করলে পুলিশ শাহ আলমকে গ্রেফতার করে এবং দল থেকেও তাকে বহিষ্কার করা হয়। ওই মামলায় আমার ইন্ধন রয়েছে- এমন সন্দেহ থেকেই প্রতিশোধ নিতে এ হামলা চালানো হয়েছে।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কৃষকদল মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমি একজন নারী হয়ে প্রকাশ্যে কোনো পুরুষের গায়ে হাত তুলতে পারি না। মূলত ওই ইউপি সদস্যই কুবুদ্ধি দিয়ে চক্রান্ত করে আমার স্বামীকে জেলে পাঠিয়েছেন।’
