শাশুড়ি ও দুই সন্তানকে হত্যার দায় স্বীকার সৎবাবার

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

ঘটনাটি ২০২৬-০৬-০৫ তারিখে খুলনায় সংঘটিত একটি সুনির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ড; এতে তিনজন নিহত হয়েছেন এবং আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। তাই এটি সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
04/06/26•Sonadanga

Killed

3

Injured

0

Summary

খুলনার সোনাডাঙ্গায় শুক্রবার (৫ জুন) সকালে রফিকুল ইসলাম হাওলাদার শাশুড়ি বেবী বেগম ও দুই সৎসন্তান শামীম ও মুস্তাকিমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। শনিবার (৬ জুন) তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 9

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

রফিকুল ইসলাম হাওলাদারবেবী বেগমশামীমমুস্তাকিমমেরী বেগম

Tags

Domestic ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 06/06/26open original ↗

শাশুড়ি ও দুই সন্তানকে হত্যার দায় স্বীকার সৎবাবার

খুলনার সোনাডাঙ্গায় শাশুড়ি ও দুই সন্তানকে খুনের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার প্রধান আসামি ও শিশু দুটির সৎবাবা রফিকুল ইসলাম হাওলাদার। শনিবার (৬ জুন) দুপুরে জবানবন্দি রেকর্ড করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ফরিদুজ্জামান। পরে রফিকুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার সকালে বরিশালের কাশিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৬ খুলনার সদস্যরা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের কর্মকর্তা কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) অনিমেষ মন্ডল জানান, ঈদের দিন রাতে মেরী বেগমের মা রাগ করে রফিকুলকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরের দিন শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পুনরায় ওই বাড়িতে ফিরে আসেন মেরী বেগমের স্বামী রফিকুল। সকালে মেইন গেট ও ঘরের দরজা খোলা ছিল। রফিকুল ঘরে ঢুকতে গেলে শাশুড়ি বেবী বেগম তাকে দেখে গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় তাকে ঠেলা দিয়ে ঘরের ভেতরে ফেলে দেন রফিকুল। গায়ে থাকা ওড়না দিয়ে শাশুড়ি বেবী বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর বিষয়টি শিশু শামীম দেখে ফেলায় তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। এরপর শামীমের চিৎকার শুনে মুস্তাকিম ঘুম থেকে জেগে হত্যার বিষয়টি দেখে ফেলে। ট্রাংকের ওপর থাকা পায়জামা দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকেও হত্যা করেন রফিকুল। এরপর শাশুড়ি বেবী বেগমের মরদেহ খাটের নিচে, শামীমের মরদেহ ট্রাংকের ওপর ও মুস্তাকিমের মরদেহ ওয়ারড্রবের একটি ড্রয়ারের মধ্যে লুকিয়ে রেখে তালা দেন। মেরী বেগম ঘুম থেকে উঠে দেখেন বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া। ভেতর থেকে একাধিকবার ধাক্কা দেওয়ার পর রফিকুল দরজা খুলে দেন। পরবর্তীতে ছেলে ও মায়ের সন্ধান করতে থাকেন মেরী বেগম। তখন তাকে রফিকুল জানান- শাশুড়ি তাদের সাথে থাকবেন না বলে বাড়ি থেকে চলে গেছে। দুপুরে একই বাড়িতে একসাথে খাওয়া দাওয়া করেন রফিকুল। ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে তালা কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় রফিকুল ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। প্রথমে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে এসে দৌলতপুর ও ফুলবাড়িগেটে কিছুক্ষণ অবস্থান করে রাতে বরিশালের উদ্দেশ্যে খুলনা ত্যাগ করেন। তিনি আরও জানান, শুক্রবার দুপুরে র্যাব-৬ এর সদস্যরা আসামি রফিককে থানায় হস্তান্তর করে। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তবে এ সময় তিনি নিজের দোষ অস্বীকার করতে থাকেন। পরে রাতে নিজের দোষ স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে চান। পরে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। মোহাম্মদ মিলন/আরএআর

Source 2: Jugantor · 18/03/26open original ↗

৪০০ টাকা বিরোধের জেরে চা দোকানদারকে হত্যার অভিযোগ

৪০০ টাকা বিরোধের জেরে চা দোকানদারকে হত্যার অভিযোগ Advertisement খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬, ০১:১৬ এএম খুলনার রূপসা উপজেলায় ৪০০ টাকার পাওনা নিয়ে বিরোধের জেরে দীন মোহাম্মদ ঢালী (৫২) নামের এক চা দোকানদারকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকালে উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দীন মোহাম্মদ ঢালী একই গ্রামের আবুল কাশেম ঢালীর ছেলে। ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে তার একটি চায়ের দোকান রয়েছে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘাটভোগ ইউনিয়নের কৃষকদল নেতা ও ভ্রাম্যমাণ মাংস বিক্রেতা আবুল খায়ের লস্কর দীনের কাছে মাংস বিক্রির বাকি ৪০০ টাকা পেতেন। ওই টাকা আদায়ে তিনি একাধিকবার তাগাদা দিলেও তা পরিশোধ করা হয়নি। মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে আবুল খায়ের আবার দীনের দোকানে এসে টাকা দাবি করলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধস্তাধস্তিতে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, আবুল খায়ের ইট দিয়ে দীনের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এ সময় দীনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রূপসা থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক মীর বলেন, ৪০০ টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মাথায় আঘাত পেয়ে দীন মোহাম্মদ গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে। দীন মোহাম্মদের পরিবারে স্ত্রী ও চার কন্যা সন্তান রয়েছে। তার মৃত্যুর পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।