নারী বাদীর সঙ্গে ওসির অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

The article reports a concrete physical attack on a woman by named individuals while she was on her way to file a case. This is a recent incident (June 18, 2026) in Bangladesh, involving assault and unlawful confinement, which meets the definition of violence. The primary motive appears to be criminal (related to the legal dispute), not political or communal.

Reported by:JugantorSingle source
18/06/26•চরদুয়ানী এলাকা

Killed

0

Injured

1

Summary

বরগুনার পাথরঘাটায় মামলা করতে যাওয়ার পথে নারী বাদী ফাতিমা জমাদ্দার অর্পাকে প্রধান আসামি বাদশা আকনসহ কয়েকজন পথরোধ করে মারধর করে একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

বাদশা আকনহারুন অর রশিদ জোমাদ্দারহাসান জোমাদ্দারফাতিমা জমাদ্দার অর্পাওসি মোহাম্মদ এনামুল হক

Tags

Land DisputeAssaultObstruction of Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 18/06/26open original ↗

নারী বাদীর সঙ্গে ওসির অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ

নারী বাদীর সঙ্গে ওসির অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ Advertisement বরগুনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম পাথরঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ এনামুল হক আদালতের নির্দেশনার পরও মামলা গ্রহণে বিলম্ব এবং নারী বাদীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে বরগুনার পাথরঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ এনামুল হকের বিরুদ্ধে। জানা যায়, বাদী ফাতিমা জমাদ্দার অর্পা পাথরঘাটা থানায় মামলার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে তার ওপর অতর্কিত হামলা করেন মামলার প্রধান আসামি বাদশা আকন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরদুয়ানী এলাকা থেকে পাথরঘাটা থানায় আসার পথে বাদীর পথরোধ করে মারধর করে একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। পরে পাথরঘাটা থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, বরগুনার এসিড অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইফুর রহমান গত ২০ মে ফাতিমা জমাদ্দার অর্পার দায়ের করা অভিযোগকে এফআইআর হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাথরঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ এনামকে নির্দেশ দেন। এতে পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী এলাকার বাদশা আকন, হারুন অর রশিদ জোমাদ্দার ও হাসান জোমাদ্দারকে আসামি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। বাদী ফাতিমা জমাদ্দার অর্পা অভিযোগ করে বলেন, আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও মামলা গ্রহণে বিলম্ব করা হয়। আদালতের আদেশ নিয়ে থানায় গেলে সহযোগিতা পাওয়ার পরিবর্তে ওসি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তার দাবি, ওসি তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন- ‘আপনি সেই মাল? ইবলিস যেন কোথাকার’। এতে তিনি অপমানিত ও বিব্রতবোধ করেন। এ সময় সাবেক পাথরঘাটা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির নেত্রী মরিয়ম চৌধুরী জেবু উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, মামলার প্রধান আসামিকে গত বুধবার রাতে পুলিশ আটক করলেও পরে তারা ছেড়ে দেয় এবং মুক্তি পেয়ে পরদিনই তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ হামলার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অর্পা আরও অভিযোগ করেন, গত ১৪ জুন মামলার বিষয়ে কথা বলতে ওসির সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করেও সাড়া পাননি। পরে ব্যক্তিগত নম্বরে যোগাযোগ করলে মামলার বিষয়ে কথা বলার পরিবর্তে কেন ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে তাকে জবাবদিহি করতে বলা হয়। এ সংক্রান্ত একটি অডিও রেকর্ডও তিনি সাংবাদিকদের সরবরাহ করেছেন বলে দাবি করেন। এ বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির নেত্রী মরিয়ম চৌধুরী জেবু বলেন, আমার উপস্থিতিতে ওসি মোহাম্মদ এনাম মামলার বাদী অর্পাকে উদ্দেশ্য করে ‘আপনি সেই মাল?’ বলে মন্তব্য করেন। একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার মুখে এমন মন্তব্য শুনে আমি এবং সেখানে উপস্থিত সবাই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছিলাম। আদালতের নির্দেশনা যথাসময়ে বাস্তবায়ন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হলে হয়তো পরবর্তীতে হামলার মতো ঘটনা ঘটত না। এ বিষয়ে জানতে পাথরঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ এনামুল হকের সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মোহাম্মদ শাহেদ চৌধুরী বলেন, বাদীর পথরোধ করে হামলার অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় এবং তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওসির বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বরগুনা পুলিশ সুপার কুদরাত-ই-খুদা যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি এবং আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আমি জরুরি একটি কাজে ঢাকা যাচ্ছি। ঢাকা থেকে এসে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।