নিরাপদ ছাদের নিচে ঘাতক ভাড়াটিয়া
Why this classification
A 66-year-old woman was murdered in her home in Uttara during a planned robbery, with her hands and feet tied and her mouth taped. The article covers a single concrete incident with a clear victim and suspects, and no date is given, so it is treated as recent.
Killed
1
Injured
0
Summary
ঢাকার উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরে তারাবির নামাজের সময় ভাড়াটিয়া নূরে আলম ও তার দুই সহযোগী বাড়িতে ঢুকে ৬৬ বছর বয়সী রেজিনা মমতাজের হাত-পা বেঁধে ও মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে তাঁকে হত্যা করে এবং গহনা লুট করে। পুলিশ নূরে আলম ও রাসেল মাতব্বর ওরফে রাসেল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে এবং একজন পলাতক রয়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
93% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নিরাপদ ছাদের নিচে ঘাতক ভাড়াটিয়া
নিরাপদ ছাদের নিচে ঘাতক ভাড়াটিয়া তুরাগে বৃদ্ধা নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ Advertisement রাজধানীর উত্তরার ১৫ নম্বর সেক্টর। পরিপাটি রাস্তা, গেটের সামনে দারোয়ান, ছাদের কোণে সিসিটিভি। বাইরে থেকে দেখলে নিখুঁত নিরাপত্তার এক চাদর। অথচ সেই নিরাপত্তার আবরণের ভেতরেই, তারাবির নামাজের সময়, নিজ বাসায় প্রাণ হারালেন ৬৬ বছর বয়সী রেজিনা মমতাজ। পুলিশের ভাষ্যমতে, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বাড়ির চারতলার ভাড়াটিয়া নূরে আলম। যাকে প্রতিবেশী ভেবে ভরসা করেছিলেন বৃদ্ধা ও তার পরিবার। সেই ভাড়াটিয়াই হয়ে উঠলেন ঘাতক। পুলিশ বলছে, তাকে গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসা তথ্য শুধু একটি হত্যার বিবরণ নয়; এটি নগর জীবনের আস্থার কাঠামোয় গভীর ফাটলের ইঙ্গিত। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরো ঘটনাই ছিল পরিকল্পিত। নূরে আলম জানত রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বাড়ির কর্তা মাহে আলম মসজিদে থাকেন। এজন্য এই সময়টিকেই ‘সুযোগ’ হিসাবে বেছে নেওয়া হয়। ঘটনার আগে নূরে আলম নিচে নেমে দারোয়ানকে লন্ড্রি থেকে কাপড় আনার কথা বলে বাইরে পাঠান। এই সুযোগে ভবনের সিসিটিভি সংযোগও বিচ্ছিন্ন করেন। পাশাপাশি সঙ্গে নিয়ে আসেন তার (নূরে আলম) পূর্বপরিচিত আরও দুইজনকে। পেশাদার অপরাধীর মতো নূরে আলম জানতেন, কোথায় ক্যামেরার চোখ বন্ধ করতে হবে। গ্রেফতার নূরে আলম জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছেন, তার ধারণা ছিল, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার ঘরে সিন্দুকভর্তি টাকা আর গহনা রয়েছে। এমন ধারণা থেকেই এই বাসায় লুটের পরিকল্পনা করেন। তিন তলায় দরজার সামনে এসে কলিং বেল চাপলে বৃদ্ধা রেজিনা মমতাজ ভেতর থেকে দরজা খুলে দেন। এরপর দুই সহযোগীকে নিয়ে ভেতরে ঢুকেন নূরে আলম। তারা প্রথমেই বৃদ্ধা রেজিনা মমতাজের হাত-পা বেঁধে ফেলেন এবং মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে দেন। এরপর ঘরে তল্লাশি চালান। কিন্তু আলমারি তছনছ করেও বড় অঙ্কের কিছু মেলেনি। শেষ পর্যন্ত বৃদ্ধার গলায়, কানে ও হাতে থাকা এক ভরি পরিমাণ গহনা লুট করেন তারা। জানা গেছে, নিহতের স্বামী, সোনালী ব্যাংকের সাবেক জিএম মাহে আলম। সারাজীবনের সঞ্চয়ে গড়ে তুলেছিলেন বাড়িটি। ৮ তলা এই বাড়িটির চার তলা পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাড়ির তিন তলায় থাকতেন মাহে আলম ও তার পরিবার। তাদের দুই সন্তান চাকরির সুবাদে অন্যত্র থাকেন। বাড়ির অন্য ফ্ল্যাটগুলো ভাড়া দেওয়া। বাড়ির চারতলায় ভাড়া থাকতেন নূরে আলম। সূত্র জানিয়েছে, ভাড়াটিয়ার হাতে বাড়িওয়ালা রেজিনা মমতাজ নিহতের ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে অস্বস্তি ও অবিশ্বাস। অপরিচিত কাউকে দেখলেই সন্দেহের চোখে তাকাচ্ছেন অনেকে। কিন্তু কেবল সন্দেহে কি নিরাপত্তা ফিরে আসে? তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, রেজিনা মমতাজ হত্যার ঘটনায় তুরাগ থানায় একটি মামলা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজন জড়িত ছিল বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। এরমধ্যে বাড়ির চতুর্থ তলার ভাড়াটিয়া নূরে আলম ও তার সহযোগী রাসেল মাতব্বর ওরফে রাসেল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার। গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অপরজনকে গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।
