চেয়ারে বসা নিয়ে চার গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ১০

AI-classifiedconfidence 89%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Sylhet. Parties reported: Residents of Kumargaon, Residents of Sahebgaon, Residents of Nazirgaon, Residents of Charugaon. Reported casualties: 0 killed and 19 injured. Reported by 5 sources.

Reported by:Dhaka PostProthom AloAjker PatrikaCorroborated · 3 sources
05/02/26•Temukhi Point

Killed

0

Injured

10

Summary

সিলেট নগরীর তেমুখি পয়েন্টে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে ঘটা এই সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

89% · severity 3

Parties involved

Residents of KumargaonResidents of SahebgaonResidents of NazirgaonResidents of Charugaon

Tags

Gang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (5 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 05/02/26open original ↗

শাবির আন্তবিভাগীয় ক্রিকেট ফাইনালে সংঘর্ষ, আহত ১৫

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আন্তবিভাগীয় ক্রিকেটের ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে লোকপ্রশাসন ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আতঙ্কে ছোটাছুটিতে একাধিক শিক্ষকসহ অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষকেরা হলেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মো. ওমর ফারুক, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ সিদ্দিকী এবং প্রভাষক আব্দুল বাসিত। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেছুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ন্যায্যতার ভিত্তিতে বিচার করা হবে। কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের চিকিৎসার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জানামতে, দুটি হাসপাতালে দুজন করে ভর্তি আছেন। শিক্ষার্থীরা এখন কোন পর্যায়ে যাচ্ছে, আমাদের ভাবতে হবে। এটা তো মাত্রা ছাড়িয়ে গেল।’

Source 2: Dhaka Post · 06/02/26open original ↗

শাবিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শিক্ষকসহ আহত ১৬, তদন্ত কমিটি গঠন

ক্যাম্পাস সিলেট শাবিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শিক্ষকসহ আহত ১৬, তদন্ত কমিটি গঠন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক শাবি ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:৩৬ অ+ অ- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলায় ‘স্লেজিং’ করাকে নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চার শিক্ষকসহ অন্তত ১৬ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। এ ঘটনায় ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শিক্ষকদের মধ্যে আহতরা হলেন- লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আশরাফ সিদ্দিকী, প্রভাষক আব্দুল বাসিত, সহকারী প্রক্টর ওমর ফারুক ও জাহাঙ্গীর আলম। শিক্ষকদের মধ্যে আশরাফ সিদ্দিকী ও আব্দুল বাসিত মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানা যায়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আহতরা হলেন- বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মাহবুবুর রহমান, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের সোহানুর রহমান, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শাকিল শাহরিয়ার, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের নওশাদ খান, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মো. রাহুল, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের যশমন্ত মল্লিক। তাদের মধ্যে সোহানুর ও যশমন্তকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। অপরদিকে, লোকপ্রশাসন বিভাগের আহতদের মধ্যে রয়েছেন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের রেদুয়ান করিম, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাজিদ আবরার, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ফারদিন ইসলাম, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মাহফুজ, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নোহান ইমতিয়াজ ও ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ইহসানুল হক মিলন। এদের মধ্যে ফারদিন ও সাজিদ একটি বেসরকারি হাসাপাতলে চিকিৎসাধীন। তবে কারও আশঙ্কাজনক অবস্থা নেই বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, খেলা পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলা বিভাগ ও লোকপ্রশাসন বিভাগের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে বাংলা বিভাগ লোকপ্রশাসন বিভাগকে ১৪৯ রানের লক্ষ্য দেয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি লোকপ্রশাসন বিভাগ। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এরপর প্রায় ২০ মিনিট পর খেলা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে মাঠের উত্তর-পশ্চিম দিকে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছিলেন। এরইমধ্যে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে স্লেজিং করা হলে মাঠে থাকা বিপক্ষের খেলোয়াড়ের সঙ্গে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। এ নিয়ে উভয় বিভাগের খেলোয়াড় ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। উভয়পক্ষের মধ্যে দুই দফায় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে। পরবর্তীতে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় অন্তত ১৬ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা। এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের প্রধান রেজাউল ইসলাম বলেন, আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা মাঠের উত্তর পশ্চিম কোনায় ছিল। লোকপ্রশাসনের শিক্ষার্থীরা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এসে আক্রমণ করেছে। আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা মাঠে যায়নি। এর আগে থেকেই বার বার উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করে লোকপ্রশাসনের শিক্ষার্থীরা। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে অনেকেই আহত হয়েছে। যাই ঘটুক সবাই আমাদের শিক্ষার্থী। খেলা পরিচালনা কমিটি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন। জানতে চাইলে লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, ফাইনাল খেলা যেহেতু, আমি খেলা দেখতে মাঠে গিয়েছিলাম। আমাদের একজন খেলোয়াড়কে স্লেজিং করে। ওই খেলোয়াড় মনে হয় প্রতিক্রিয়ায় কিছু বলেছিল। এরপর আমাদের খেলোয়াড় শিক্ষার্থীকে বাংলা বিভাগের শিক্ষাথীরা মারধর শুরু করে। পরবর্তীতে আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা তা দেখে সেখানে যায়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি বাধে। আমি আটকাতে গেলে একজন আমার চোখের দিকে ঘুষি মারে। আহত হয়ে পড়ি। আশাকরি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি দ্রুতই সমাধান করবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান বলেন, প্রক্টরিয়াল বডি এসে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। ন্যায্যতার ভিত্তিতে বিচার করা হবে। কাউকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। যারা আহত হয়েছেন তাদের চিকিৎসার জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক ও খেলা পরিচলনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এছাক মিয়াকে সভাপতি করে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জুবায়েদুল হক রবিন/এসএইচএ

Source 3: Dhaka Post · 05/02/26open original ↗

চেয়ারে বসা নিয়ে চার গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ১০

সারাদেশ সিলেট চেয়ারে বসা নিয়ে চার গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪৮ অ+ অ- সিলেট নগরীর তেমুখি পয়েন্টে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ছুড়া ঢিলে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে আশপাশের বেশ কিছু এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে তেমুখি পয়েন্টে কুমারগাঁও ও সাহেবের গাঁওয়ের দুই দল কিশোরের মধ্যে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। তখন উপস্থিত লোকজন বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। তবে ঘণ্টাখানেক পর উভয় পক্ষ আবারও এ বিষয় নিয়ে উচ্চবাচ্য ও তর্কে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে কিশোরদের পক্ষ নিয়ে কুমারগাঁও এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে নাজিরের গাঁওয়ের লোকজন একাত্মতা প্রকাশ করলে সাহেবের গাঁওয়ের সঙ্গে চারুগাঁও এলাকার কয়েকজন যোগ দেন। এতে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের কারণে সিলেট–সুনামগঞ্জ সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে তেমুখি পয়েন্ট এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার দেবাশীষ দাস ঢাকা পোস্টকে জানান, রাত ১২ টার দিকে আমরা জানতে পারি এখানে দুইদলের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। এখানে মূলত কি নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা পাইনি। মাসুদ আহমদ রনি/এমজে

Source 4: Prothom Alo · 05/02/26open original ↗

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলায় ‘স্লেজিংকে’ কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১৬

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিকেট খেলায় স্লেজিংকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ান দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠেছবি: প্রথম আলো সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় ‘স্লেজিংকে’ কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে লোকপ্রশাসন ও বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত চারজন শিক্ষক। তাঁরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আশরাফ সিদ্দিকী, প্রভাষক আব্দুল বাসিত, সহকারী প্রক্টর ওমর ফারুক ও জাহাঙ্গীর আলম। তাঁদের মধ্যে আশরাফ সিদ্দিকী ও আব্দুল বাসিত একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত শিক্ষার্থীরা হলেন বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মাহবুবুর রহমান, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের সোহানুর রহমান, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শাকিল শাহরিয়ার, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের নওশাদ খান, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মো. রাহুল, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের যশমন্ত মল্লিক। তাঁদের মধ্যে সোহানুর ও যশমন্তকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্যদিকে লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের রেদুয়ান করিম, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাজিদ আবরার, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ফারদিন ইসলাম, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মাহফুজ, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নোহান ইমতিয়াজ ও ইহসানুল হক আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ফারদিন ও সাজিদ বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রত্যক্ষদর্শী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলা বিভাগ ও লোকপ্রশাসন বিভাগের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে বাংলা বিভাগ লোকপ্রশাসন বিভাগকে ১৪৯ রানের লক্ষ্য দেয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি লোকপ্রশাসন বিভাগ। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি শান্ত করে ২০ মিনিট পর আবার খেলা শুরু হয়। বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে মাঠের উত্তর-পশ্চিম দিকে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছিলেন। এরই মধ্যে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ‘স্লেজিং’ করা হলে মাঠে থাকা অপর পক্ষের খেলোয়াড়ের সঙ্গে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এ নিয়ে উভয় বিভাগের খেলোয়াড় ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই দফায় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বাংলা বিভাগের প্রধান রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা উত্তর–পশ্চিম কোনায় ছিল। লোকপ্রশাসনের শিক্ষার্থীরা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এসে আক্রমণ করেছে। আমাদের শিক্ষার্থীরা মাঠে যায়নি। আগে থেকেই বারবার উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করে লোকপ্রশাসনের শিক্ষার্থীরা। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে অনেকেই আহত হয়েছে। যা–ই ঘটুক সবাই আমাদের শিক্ষার্থী। এ বিষয়ে খেলা পরিচালনা কমিটি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।’ লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, ‘যেহেতু ফাইনাল খেলা, আমি খেলা দেখতে মাঠে গিয়েছিলাম। আমাদের একজন খেলোয়াড়কে স্লেজিং করা হয়। ওই খেলোয়াড় মনে হয় প্রতিক্রিয়ায় কিছু বলেছিল। এরপর আমাদের খেলোয়াড় শিক্ষার্থীকে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা মারধর শুরু করে। পরে আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা তা দেখে সেখানে যায়। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি বাধে। আমি আটকাতে গেলে একজন আমার চোখের দিকে ঘুষি মারে। আহত হয়ে পড়ি। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি দ্রুতই সমাধান করবে।’ জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘প্রক্টরিয়াল বডি এসে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। ন্যায্যতার ভিত্তিতে বিচার করা হবে। কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যারা আহত হয়েছে, তাদের চিকিৎসার জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। জানামতে, দুটি হাসপাতালে দুজন করে ভর্তি আছে। শিক্ষার্থীরা এখন কোন পর্যায়ে যাচ্ছে, আমাদের ভাবতে হবে। এটা তো মাত্রা ছাড়িয়ে গেল।’ এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ও নির্দেশনা পরিচালক এবং খেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি এছাক মিয়াকে সভাপতি করে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মো. এছাক মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত না মানায় প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ায় খেলা শুরুর কিছুক্ষণ পরে স্লেজিংকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুতই তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মারামারিসংঘর্ষসিলেটসিলেট বিভাগশাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়

Source 5: Prothom Alo · 05/02/26open original ↗

সিলেটে মধ্যরাতে সংঘর্ষে জড়ালেন পাঁচ গ্রামের মানুষ, আহত ১৫

সিলেট নগরের তেমুখী এলাকায় পাঁচ গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়ান। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল বুধবার রাতেছবি : প্রথম আলো সিলেটে দুই কিশোরের কথা-কাটাকাটির জেরে মধ্যরাতে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন পাঁচ গ্রামের মানুষ। এক পক্ষে দুই গ্রামের, আরেক পক্ষে তিন গ্রামের মানুষ ছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরের তেমুখী এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় এক ঘণ্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নগরের জালালাবাদ থানার পুলিশ জানিয়েছে, জালালাবাদ থানার অধীন তেমুখী এলাকার পার্শ্ববর্তী কুমারগাঁও ও সাহেবেরগাঁও গ্রামের দুই কিশোরের কথা-কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরে কুমারগাঁওয়ের লোকজনের পক্ষে নাজিরেরগাঁও এবং সাহেবেরগাঁওয়ের লোকজনের পক্ষে ছড়ারগাঁও ও কালিরগাঁওয়ের লোকজন যুক্ত হন। সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে। এ ঘটনায় ওই সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হন। তবে প্রাথমিকভাবে কারও নাম-পরিচয় জানা যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এদিকে পুলিশ আহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানার পাশাপাশি সংঘর্ষের কারণ জানারও চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে। গতকাল দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুরুতে কেউ কেউ সংঘর্ষের ঘটনাটি রাজনৈতিক বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সে তথ্য পাওয়া যায়নি। ঝগড়ার মূল কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। মূলত দুই গ্রামবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সিলেটসিলেট বিভাগপুলিশসংঘর্ষ