হাতিয়ায় স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু
Why this classification
A husband beat his wife with an SS pipe during a family quarrel on 12 March 2026 in Hatiya, Noakhali, causing injuries to her head, face and body, a broken wrist, and her death. This is a single, recent, concrete violent incident in Bangladesh and is therefore classified as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১২ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) ভোরে হরণী ইউনিয়নের আলআমিন গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী মো. মিলন এসএস পাইপ দিয়ে স্ত্রী তাজ নাহার (৩২)-কে বেধড়ক মারধর করেন। চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয় এবং অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
হাতিয়ায় স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু
হাতিয়ায় স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু Advertisement হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম নোয়াখালীর হাতিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর মারধরে গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তাজ নাহার (৩২) নামের ওই গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মো. মিলন (৩৮) পলাতক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভোরে উপজেলার হরণী ইউনিয়নের আলআমিন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তাজ নাহার উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল জলিলের মেয়ে। তিনি তিন সন্তানের জননী ছিলেন। স্বামী মিলন একই উপজেলার হরণী ইউনিয়নের আলআমিন গ্রামের হোসেনের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার ভোরে মিলন এসএস পাইপ দিয়ে তাজকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তার মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তার ডান হাতের কব্জিও ভেঙে যায় বলে স্থানীয়রা জানান। পরে গুরুতর আহত তাজ সকাল ছয়টার দিকে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। সকাল ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় আবু সাঈদ বাজারের এক পল্লি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে সেখানে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। এদিকে স্ত্রী মারা গেছেন জানতে পেরে অভিযুক্ত মিলন সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যান। পরে স্বজনরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান। বিকালের মোরশেদ বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মোরশেদ বাজার তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. শহিদ উল্যাহ জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহত নারীর মাথা, মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া তার ডান হাতের কব্জি ভাঙা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বামীর মারধরের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর নির্যাতনে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামী ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে এবং তাকে আটকের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তিনি আরও জানান, নিহতের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
