কলেজের জমিতে প্রাচীর, গুঁড়িয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরা
Why this classification
শিক্ষার্থীরা কলেজের জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত সীমানা প্রাচীর ভেঙে দিয়েছেন এবং ১৫টি গাছ কাটার ঘটনা রয়েছে; এটি ভাঙচুর/ধ্বংসাত্মক কাজ, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
0
Summary
দেবিদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের হোস্টেলের পেছনে অবৈধভাবে নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ও ১৫টি গাছ কাটার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিক্ষোভ করে হাতুড়ি দিয়ে প্রাচীরটি ভেঙে দেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Students
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কলেজের জমিতে প্রাচীর, গুঁড়িয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরা
কলেজের জমিতে প্রাচীর, গুঁড়িয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরা দেবিদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের জায়গায় নির্মাণাধীন প্রাচীর ভেঙে দিলেন শিক্ষার্থীরা সমকাল দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬ | ০৯:২৭ | আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬ | ১০:৫৪ | প্রিন্ট সংস্করণ দেবিদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের জায়গা দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। প্রাচীর নির্মাণকালে ১৫টি গাছ কেটে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে। খবর পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিলসহ গিয়ে প্রাচীরটি গুঁড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানান, দুই দিন ধরে একটি মহল কলেজ হোস্টেলের পেছনের অংশ দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। প্রথমে আশপাশের আবাসিক এলাকার পানি নিষ্কাশনের অজুহাতে ড্রেন নির্মাণের কথা বলা হয়। পরে ড্রেন নির্মাণের নামে হোস্টেলের ১৫টি গাছ কেটে ফেলা হয়। কিন্তু ড্রেন নির্মাণ না করে রাতারাতি সেখানে মাটি ভরাট করে একটি সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে কলেজ ক্যাম্পাস ও হোস্টেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুপুরে কয়েকশ শিক্ষার্থী হোস্টেলে জড়ো হয়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে হাতুড়ি দিয়ে অবৈধভাবে নির্মিত প্রাচীরটি ভেঙে ফেলেন। কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, তাদের চোখের সামনে কলেজের কোটি টাকার সম্পত্তি দখল হয়ে যাবে– মেনে নেওয়া যায় না। পানি নিষ্কাশনের মিথ্যা অজুহাতে হোস্টেলের ১৫টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে এবং এক রাতের মধ্যে দেয়াল তুলে জায়গা দখল করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সম্পত্তি রক্ষায় সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে তারা প্রস্তুত। জায়গা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে স্থানীয় সফিউল্লাহ মানিক বলেন, কলেজের জায়গা দখল করার কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। বর্ষাকালে পেছনের আবাসিক এলাকার পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হয়। সেই জনদুর্ভোগ কমাতে ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম বলেন, একটি পক্ষ অবৈধভাবে রাস্তা নির্মাণের জন্য রাতের আঁধারে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে ফেলেছে। কলেজের সম্পত্তি রক্ষায় যা করার প্রয়োজন, তা-ই করেছে তারা। দেবিদ্বার পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দিনের ভাষ্য, হোস্টেলের পেছনের বাসিন্দাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং তৎকালীন ইউএনও জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছিলেন। তবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশোক বিক্রম চাকমা বলেন, ‘কয়েক দিন আগে যোগদান করেছি। যতটুকু জেনেছি, জায়গাটি কলেজের। কয়েকটি পরিবারের যাতায়াতের সুবিধার্থে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ - বিষয় : - শিক্ষার্থীরা
