ময়মনসিংহে আ.লীগ কার্যালয় ভাঙচুর বৈষম্যবিরোধীদের
Why this classification
A group of 10 to 12 activists of the Baishommo Birodhi Chhatra Andolan, carrying hammers and rods, damaged a former Awami League district office in Mymensingh on Monday, 23 February 2026, and then burned tyres in protest. This is a concrete act of vandalism and arson with no casualties reported, so it counts as a violent incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
ময়মনসিংহ নগরের শিববাড়ী এলাকায় ২০২৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সকাল ১০টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১০-১২ জন নেতাকর্মী ও কয়েকজন শ্রমিক হাতুড়ি ও রডসহ সরঞ্জাম নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয় ভাঙচুর করেন। ভাঙচুরের পর তারা কার্যালয়ের সামনে টায়ারে আগুন দিয়ে বিক্ষোভ করেন, এবং খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: NCP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ময়মনসিংহে আ.লীগ কার্যালয় ভাঙচুর বৈষম্যবিরোধীদের
ময়মনসিংহে আ.লীগ কার্যালয় ভাঙচুর বৈষম্যবিরোধীদের ময়মনসিংহ নগরের শিববাড়ী এলাকায় গতকাল সোমবার সকালে জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা সমকাল নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৪৫ | প্রিন্ট সংস্করণ ময়মনসিংহে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর ও টায়ারে আগুন দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে নগরের শিববাড়ী এলাকায় অবস্থিত পরিত্যক্ত কার্যালয়টিতে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী আল নূর মোহাম্মদ আয়াস। দুই দিন আগে তিনি আওয়ামী লীগের কার্যালয়গুলোকে গণশৌচাগার করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১০-১২ জন নেতাকর্মী এবং কয়েকজন শ্রমিক বড় হাতুড়ি, রডসহ অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে কার্যালয়টিতে আসেন। তারা দীর্ঘ সময় ধরে কার্যালয়ের সামনের দেয়াল, প্রধান ফটক এবং দরজা-জানালা ভেঙে ফেলেন। পরে কার্যালয়ের সামনে টায়ারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করেন। ভাঙচুর চলাকালীন মোহাম্মদ আয়াস গণমাধ্যমকে বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই কার্যালয়ে এসে ফুল দিয়েছে এবং পতাকা উত্তোলন করেছে। এই ঘটনার দুই দিন পার হলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফ্যাসিবাদের দোসররা আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। তারা ফিরে এসে প্রথমেই বিপ্লবীদের ওপর আঘাত করবে। তাদের এখনই নির্মূল করা না হলে তারা ভয়ানক রূপ ধারণ করবে। সেই ক্ষোভ থেকেই আমি প্রতিবাদ হিসেবে এই কার্যালয় ভেঙে দিয়েছি। এদিকে খবর পেয়ে দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি অপরাধ করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিচার হবে। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। টাঙ্গাইল আ.লীগ অফিসে পতাকা উত্তোলন আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। গতকাল সকালে জেলা ছাত্রলীগের নেতা এবং সরকারি মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান নাইম টাঙ্গাইল পৌর শহরের মেইন রোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি পতাকা উত্তোলন এবং বক্তব্য প্রদানের ভিডিও নিজ ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, নাইমুর রহমান একটি বাঁশের খুঁটিতে জাতীয় পতাকা বেঁধে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে উত্তোলন করছেন। বক্তব্যে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি নাইমুর রহমান নাইম, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী। আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে দলের পক্ষ থেকে আজকে টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে আমি বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছি। আপনারা সবাই আমার পক্ষে থাকবেন, ধন্যবাদ, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের আগে ও পরে ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগের অফিসটি কয়েক দফা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এরপর থেকে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। কার্যালয়ে অস্থায়ী দোকান বসেছে। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল থানার ওসি রুহুল আমিন জানান, তিনি ছুটিতে রয়েছেন। এ কারণে বিষয়টি তাঁর জানা নেই। - বিষয় : - বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
