যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আ.লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে হামলাকারীরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত এবং ভুক্তভোগীও আওয়ামী লীগের কর্মী। ফলে এটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:Dhaka PostSamakalJugantorCorroborated · 3 sources
20/09/26•গোলাবাড়িয়া, মুরাদপুর ইউনিয়ন

Killed

1

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কর্মী আবুল মুনছুরকে কুপিয়ে আহত করার নয় দিন পর চমেক হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। ২০ সেপ্টেম্বর স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 8

Perpetrator side

Awami League

Victim side

Awami League

Other actors

আবুল মুনছুর (নিহত)মেহেদি হাসান ওরফে রানাজাহাঙ্গীরআমির হোসেনআলমগীরসাইমনমহিন উদ্দিনআশিকনিশানরুমা আক্তার (বাদী)

Tags

Political AssassinationParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 03/10/26open original ↗

সীতাকুণ্ড থানার সামনেই পুলিশকে মারধর যুবদল নেতার, পরে বহিষ্কার

সীতাকুণ্ড থানার সামনেই পুলিশকে মারধর যুবদল নেতার, পরে বহিষ্কার ফাইল ছবি সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ২২:৩৯ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে থানার সামনেই গত বৃহস্পতিবার রাতে এক পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর শুক্রবার চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ইসমাইল হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে একটি প্রাইভেটকার নিয়ে সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় গিয়েছিলেন ইসমাইল। তাঁর সঙ্গে স্থানীয় যুবদলের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী ছিলেন। যুবদল নেতা তাঁর গাড়িটি থানা ফটকের সামনে পার্ক করেন। এরপর তিনি সেখান থেকে চলে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর সেখানে ফেরেন। ইসমাইল ফেরার পর থানার ফটকের সামনে কেন গাড়ি পার্ক করা হয়েছে, তা জানতে চান থানার গাড়িচালক কনস্টেবল মো. শফিক। এ সময় শফিক পুলিশের ইউনিফর্ম পরিহিত ছিলেন না। গাড়ি কেন থানার সামনে রাখা হয়েছে– এ কথা জিজ্ঞাসা করতেই ইসমাইল কনস্টেবল শফিকের ওপর চড়াও হন। পুলিশ পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁকে মারধর করা হয়। এরপর থানায় থাকা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা ইসমাইলকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। ইসমাইলকে আটক করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হোন। এরপর থানার সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমল কদর ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহবুদ্দিন রাজুর নেতৃত্বে কয়েকজন থানার ভেতরে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বৈঠক করেন। চার ঘণ্টাব্যাপী চলা এ বৈঠকের পর বিএনপি নেতাদের জিম্মায় ইসমাইলকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইসমাইল হোসেনকে বহিষ্কার করে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি। সংগঠনটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে বাধা দেওয়ার সুস্পষ্ট অভিযোগে ইসমাইলকে দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, থানার সামনে গাড়ি রাখা নিয়ে কনস্টেবল গাড়িচালক মো. শফিককে মারধর করলে তিনি আহত হন। পরে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ইসমাইল হোসেনকে আটক করে হাজতে রাখা হয়। রাতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইসমাইলকে দলের উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের জিম্মায় দিয়ে দেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে ইসমাইল হোসেনকে একাধিকবার মোবাইলে কল দিলেও তিনি ধরেননি। তবে সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমল কদর বলেন, সামান্য কথাকাটাকাটির জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে। রাত ১টার দিকে থানা হাজত থেকে তাঁকে ছাড়িয়ে আনা হয়।

Source 2: Dhaka Post · 29/09/26open original ↗

যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আ.লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আবুল মুনছুর (৪৬) নামের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একজন কর্মীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার নয় দিন পর তার মৃত্যু হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাবাড়িয়া এলাকায় তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছিল। নিহত আবুল মুনছুর গোলাবাড়িয়া এলাকার খলিল ভূঁইয়া বাড়ির মৃত সালামত উল্লাহ ওরফে জুনুর ছেলে। মৃত্যুর পর তার মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হয়। গতকাল বাদ আসর হযরত ওমর ফারুক (রহ.) মাদরাসা মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০ সেপ্টেম্বর বেলা ১২টার দিকে স্থানীয় মোজাফফর আহমেদ ভূঁইয়ার নতুন বাড়ির সামনে মুনছুরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে নয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মুনছুরের স্ত্রী রুমা আক্তার বাদী হয়ে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় মেহেদি হাসান ওরফে রানা, জাহাঙ্গীর, আমির হোসেন, আলমগীর, সাইমন, মহিন উদ্দিন, আশিক ও নিশানকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া, অজ্ঞাত পরিচয় আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সীতাকুণ্ড মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজ কুমার বংশী বলেন, এজাহারভুক্ত আসামিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, নয় দিন আগে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই সময় মুনছুর আহত হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত রোববার তার স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এসএএস

Source 3: Jugantor · 10/04/26open original ↗

সীতাকুণ্ডে শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে যুবককে হত্যা

সীতাকুণ্ডে শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে যুবককে হত্যা Advertisement সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সীতাকুণ্ডে শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাটেরখিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ শামিম সীতাকুণ্ডু পৌরসভার শিবপুর এলাকার মৃত আবুল মনসুরের ছেলে। তিনি মুরাদপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে। জানা যায়, বুধবার রাতে শামিম শ্বশুরবাড়ি মধ্যম ভাটেরখীল গ্রামে বেড়াতে যান। রাত সাড়ে ১১টার দিকে কয়েক ব্যক্তি তাকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তারা তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পায়ের রগ কেটে লাশ বেড়িবাঁধ সংলগ্ন তালতলা এলাকায় ফেলে রেখে যান। দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। থানার ওসি মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত ১টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবায় ফোন পেয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।