কলেজছাত্রীর ভিডিও করা নিয়ে ঈদের নামাজ পড়েই দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪০

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a recent, single incident in which two local factions armed with indigenous weapons fought for about two hours after Eid prayers, injuring around 40 people. It is a physical clash, so it qualifies as relevant violence.

Reported by:JugantorSingle source
21/03/26•চক শংকরপুর গ্রাম, পানিউমদা ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

40

Summary

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের চক শংকরপুর গ্রামে ২০২৬ সালের ২১ মার্চ সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে কলেজছাত্রীর ভিডিও ধারণ নিয়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ৪০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় একজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের পক্ষবাজিত উল্লাহ মেম্বারের পক্ষবশর উল্লাহ (৪০), গুরুতর আহতগোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ দলনবীগঞ্জ থানার ওসি মোনায়েম মিয়া

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 40

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 21/03/26open original ↗

কলেজছাত্রীর ভিডিও করা নিয়ে ঈদের নামাজ পড়েই দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪০

কলেজছাত্রীর ভিডিও করা নিয়ে ঈদের নামাজ পড়েই দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪০ Advertisement নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪২ পিএম হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কলেজছাত্রীর ভিডিও করা নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের পরই চেয়ারম্যান ও মেম্বার গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের চক শংকরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে নোয়াগাঁও গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের পক্ষের কলেজছাত্রী আত্মীয় বাড়ী যাওয়ার পথে বাজিত উল্লাহ মেম্বার পক্ষের কয়েকজন যুবক মোবাইল দিয়ে ছবি এবং ভিডিও ধারণ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে গোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে বশর উল্লাকে (৪০) গুরুতর অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে। নবীগঞ্জ থানার ওসি মোনায়েম মিয়া সংঘর্ষের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।