ঢামেক হাসপাতালে উত্তেজনা / চিকিৎসা না নিয়েই ফিরলেন রোগীরা
Why this classification
The event is classified as political violence because it involved a direct confrontation between student political factions (Chhatra Dal) and hospital staff, characterized by slogans and demands for the director's resignation based on political affiliations.
Killed
0
Injured
1
Summary
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ এবং কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার ফলে বহির্বিভাগের অনেক রোগী চিকিৎসা না নিয়েই ফিরে যেতে বাধ্য হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, NCP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: NCP, BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ঢামেক হাসপাতালে উত্তেজনা / চিকিৎসা না নিয়েই ফিরলেন রোগীরা
ঢামেক হাসপাতালে উত্তেজনা চিকিৎসা না নিয়েই ফিরলেন রোগীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:১২ | আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৬ | ১০:১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি অবস্থানকে কেন্দ্র করে গতকাল মঙ্গলবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামানের পদত্যাগের দাবিতে চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ তাঁর কার্যালয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থান করেন। অন্যদিকে, এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগের বিচার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের একটি অংশ পরিচালকের কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নেয়। দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থান, স্লোগান ও উত্তেজনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে। পরিস্থিতির কারণে বহির্বিভাগে আসা অনেক রোগী চিকিৎসা না নিয়েই ফিরে যান। তবে জরুরি বিভাগ ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক ছিল। গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত এ পরিস্থিতি চলে। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলের হস্তক্ষেপে চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা পরিচালকের কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। পরে কর্মচারীরাও অবস্থান প্রত্যাহার করেন। রোগীর ভোগান্তি হাসপাতালের প্রশাসনিক এলাকায় চিকিৎসক-কর্মচারীদের অবস্থান ও স্লোগানে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন রোগী ও স্বজনরা। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা অনেকেই পরিস্থিতি দেখে ফিরে যান। কামরাঙ্গীরচর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা ষাটোর্ধ্ব আব্বাস মিয়া বলেন, চিকিৎসা নিতে এসে দেখি চিকিৎসক-কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা। চারদিকে স্লোগান ও হইচই। কী হচ্ছে, বুঝতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসা না নিয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে। নয়াবাজার থেকে নাক-কান-গলা বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা তাসলিমা বলেন, হাসপাতাল মানুষের চিকিৎসার জায়গা। সেখানে এমন পরিস্থিতি হলে সাধারণ রোগীদেরই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জরুরি বিভাগ ও ভর্তি রোগীদের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক ছিল। পরিচালকের কক্ষে অবস্থান প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামের বদলি এবং বদলি হয়ে আসা মোজাম্মেল হকের ঢামেকে যোগদান ঠেকানো নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এ ঘটনায় পরিচালকের পদত্যাগ এবং মোজাম্মেল হককে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ। তারা দুপুর ১২টার দিকে পরিচালকের কার্যালয়ে গিয়ে অবস্থান নেন। এ সময় ‘দফা এক দাবি এক, পরিচালকের পদত্যাগ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চিকিৎসক ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুল আলম বাদশা বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা দিতে পরিচালক বাধা দিয়েছিলেন। কর্মচারীদের পাল্টা অবস্থান চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা পরিচালকের কক্ষে অবস্থান নেওয়ার সময় বাইরে অবস্থান নেয় হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের একটি অংশ। তাদের অভিযোগ, গত সোমবার তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী মো. হানিফকে মারধর করা হয়েছে। ঘটনার বিচার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে তারা পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছিলেন। তবে চিকিৎসকরা পরিচালকের কক্ষে অবস্থান নেওয়ায় তারা স্মারকলিপি দিতে পারেননি। ঢামেক হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আজিম বলেন, ‘হানিফকে কেন মারধর করা হলো, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’ - বিষয় : - ঢামেক - চিকিৎসা সেবা
উত্তেজনা নিরসনে বৈঠকের পর ঢামেক হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালকের পদত্যাগের দাবি এবং এক কর্মচারীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া উত্তেজনা নিরসনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে চিকিৎসক ও কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসূচি ত্যাগ করলে হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। উদ্ভূত সংকট নিরসনে পরবর্তী বৈঠকটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা নিজ নিজ অবস্থান ছেড়ে চলে যান। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর থেকেই ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামানের পদত্যাগের দাবিতে তার কক্ষে অবস্থান নেন একদল চিকিৎসক ও শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, হানিফ নামের এক কর্মচারীকে মারধরের ঘটনার বিচার দাবি ও প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করেন এবং অবস্থান নেন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। এতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল। সংশ্লিষ্টদের নিয়ে যৌথ বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসক এবং কর্মচারীদের মধ্যে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে আমরা পরিচালকের কক্ষে এসেছিলাম। পরে চিকিৎসকদের বুঝিয়ে স্থান ত্যাগ করার অনুরোধ জানালে তারা চলে যান। এরপর কর্মচারীদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক করব। আশা করছি, যে বিষয়টি নিয়ে সমস্যা, সেটি দ্রুতই সমাধান করা যাবে।’ এ বিষয়ে ড্যাবের মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল জানান, ‘আমরা এসে চিকিৎসকদের পরিচালকের কক্ষ থেকে পাঠিয়ে দিয়েছি এবং প্রশাসনিক ব্লকে কর্মচারীদের যে অবস্থান ছিল, তা-ও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবগত আছেন এবং আমাদের মন্ত্রণালয়ে এই বিষয় নিয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।’ এসএএ/বিআরইউ
পরিচালককে অবরুদ্ধ রাখার পর সমঝোতা
ঢামেকে এক কর্মকর্তার বদলি নিয়ে ফের হট্টগোল পরিচালককে অবরুদ্ধ রাখার পর সমঝোতা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এক প্রশাসনিক কর্মকর্তার বদলি ইস্যুকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারী চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে কার্যালয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান। এ সময় বিক্ষুব্ধরা তার পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত পরিচালকের কার্যালয়ে এই বিক্ষোভ চলে। পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও ড্যাব নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুপুরে শতাধিক চিকিৎসক ও শিক্ষার্থী একটি মিছিল নিয়ে ঢামেক পরিচালকের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে তারা পরিচালককে নিজ কক্ষে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হাসপাতালের এক দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার বদলির আদেশ হয়েছিল। কিন্তু পরিচালকের হস্তক্ষেপে সেই বদলি স্থগিত করা হয়। তারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া এই পরিচালক ফ্যাসিস্টের দোসর এবং জুলাই অভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা প্রদানে বাধা দিয়েছিলেন। বিক্ষোভ চলাকালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা পরিচালকের কক্ষে প্রবেশ করতে গেলে চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে পড়েন। পরে তারা কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নেন। এতে করে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে সোমবার দুপুরে ওই প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষে তালা মারতে যান কয়েকজন চিকিৎসক। এ সময় এক কর্মচারী বাধা দিলে তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে সোমবার ঢামেক প্রাঙ্গণে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
