শিবালয়ে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

প্রবন্ধে শ্রমিক ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে শারীরিক সংঘর্ষ, আঘাত এবং সম্পত্তি ক্ষতি বর্ণিত হয়েছে, যা সংজ্ঞায়িত শারীরিক সংঘর্ষের অন্তর্ভুক্ত; তাই এটি হিংসা হিসেবে স্বীকৃত।

Reported by:JugantorSingle source
20/06/26•শিবালয়ে হার্ডওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি (বিডি) লিমিটেড

Killed

0

Injured

0

Summary

শিবালয়ের চীনা মালিকানাধীন হার্ডওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভে গেট বন্ধ করে কর্মী ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Law Enforcement

Other actors

মো. মামুনমো. মোজাম্মেল হোসেন

Affected infrastructure

factory premises

Tags

Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 21/06/26open original ↗

শিবালয়ে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ

শিবালয়ে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ সংঘর্ষ, ধাওয়া-পালটাধাওয়া Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শিবালয়ে চীনা মালিকানাধীন হার্ডওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি (বিডি) লিমিটেডে সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে শনিবার উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কারখানার প্রধান ফটক বন্ধ করে বিক্ষোভরত শ্রমিকদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ নিয়ে ধাওয়া-পালটাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে প্রশাসন ও সংবাদকর্মীদের লক্ষ্য করেও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এ আন্দোলনে শতাধিক শ্রমিক অংশ নেন। পরে স্থানীয় প্রশাসন এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়ন না করায় তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন। এ নিয়ে অন্তত তিন দফা আন্দোলন হলেও কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি। বিভিন্ন সময় কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দোলনের সময় চার শ্রমিককে মারধরের ঘটনা কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে শ্রমিকরা সংঘবদ্ধ হয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের ওপর পালটা হামলা চালায়। এ সময় কারখানা এলাকায় ধাওয়া-পালটাধাওয়া এবং উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগের বিষয়ে কারখানার চীনা কর্তৃপক্ষের দোভাষী মো. মামুন বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের পূর্ববর্তী চুক্তি রয়েছে। অতীতে প্রশাসনের উপস্থিতিতে বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন গেজেট প্রকাশের পর তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং এজন্য কিছু সময় প্রয়োজন। এ বিষয়ে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিচালক মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, গেজেট প্রকাশের পর কারখানা কর্তৃপক্ষ কিছু সময় চেয়েছিল। বিদেশি বিনিয়োগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় মালিকপক্ষ ও পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কবে থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে, সে বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে শোকজ করা হয়েছে।