বাহুবলে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

এটি একটি সুনির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা: দুই গ্রামের মধ্যে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে দুজন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়েছেন, দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা ব্যবহার হয়েছে। ঘটনাটি ১৪ দিনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে এবং বাংলাদেশে অবস্থিত, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
15/06/26•আদিত্যপুর, আরিছপুর, আব্দাফৌজদা গ্রাম ও ডুবাঐ বাজার এলাকা

Killed

2

Injured

40

Summary

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় কবরস্থানের পাশের রাস্তা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সোমবার (১৫ জুন) দুই দফা সংঘর্ষে দুজন নিহত ও অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Selu MiaHelal MiaMosahid MemberNasirAkhtarOC Saiful Islam

Tags

Land DisputeMurderClash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 40

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 17/06/26open original ↗

কবরস্থানের রাস্তা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ২

কবরস্থানের রাস্তা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ২ বাহুবলে কবরস্থানের পার্শ্ববর্তী রাস্তা নিয়ে সোমবার দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের একটি মুহূর্ত সমকাল হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬ | ০৭:৩৭ | প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় কবরস্থানের রাস্তা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় গ্রামের অন্তত ৫০ জন বাসিন্দা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সোমবার দুপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত উপজেলার আদিত্যপুর ও আব্দাফৌজদা গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের মাঝে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত দুজনই রাতে মারা যান। তারা হলেন, আদিত্যপুর গ্রামের মৃত ফিরোজ মিয়ার ছেলে সেলু মিয়া এবং একই গ্রামের গাবরু মিয়ার ছেলে হেলাল মিয়া। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই গ্রামের মধ্যবর্তী একটি কবরস্থানের পাশের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে সোমবার দুপুরে আদিত্যপুর গ্রামের মিলন ও নাসিরের সঙ্গে আব্দাফৌজদা গ্রামের আব্দুল হাই ও শালু মিয়ার বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর জের ধরে সন্ধ্যায় ডুবাঐ বাজার এলাকায় আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত সেলু মিয়াকে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আরেক আহত হেলাল মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান। - বিষয় : - নিহত

Source 2: Jugantor · 16/06/26open original ↗

বাহুবলে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২

বাহুবলে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২ Advertisement বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩০ এএম হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় দুই গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই দফা সংঘর্ষে নিহতের সংখ্য বেড়ে দুজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুর ও সন্ধ্যায় পৃথক দুটি সময়ে উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের আদিত্যপুর ও আরিছপুর,আব্দাফৌজদা গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন আদিত্যপুর গ্রামের মৃত ফিরোজ মিয়ার ছেলে সেলু মিয়া (৫৩) এবং একই গ্রামের হেলাল মিয়া (৩৭)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই গ্রামের মাঝামাঝি একটি কবরস্থানের পাশের চলাচলের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে সোমবার দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে আরিছপুর, আব্দাফৌজদা ও কাসেরগাঁও গ্রামের মোশাহিদ মেম্বার পক্ষের সঙ্গে আদিত্যপুর গ্রামের নাসির ও আক্তার পক্ষের মধ্যে প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষ দেশিয় অস্ত্র, টেটা, রামদা, লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে বাহুবল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং রাত ৮টার দিকে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়। তবে একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ডুবাঐ বাজার এলাকায় দ্বিতীয় দফায় আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার হয় এবং সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নেয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে সেলু মিয়া গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় কদর আলী (৭০), লুৎফুর রহমান (৩০), আতাউর রহমান (২৫), কুহিনুর (৪১), জাহিদ মিয়া (৫৫), রিমন (১৮), অলফুজ মিয়া (৫০), খলিল মিয়া (৩০), সুহেল মিয়া (৩০), হাবিব মিয়া (২৫), হেলাল মিয়া (৩৭), সিমন (১৮) ও হান্নানসহ (৫০) অন্তত ৪০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরে রাত ১১টার দিকে গুরুতর আহত হেলাল মিয়াকে সিলেটে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এদিকে, ঘটনার জেরে স্থানীয়রা প্রতিশোধমূলক হামলা বা লুটপাটের আশঙ্কা করছেন। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঘটনার পর পুলিশ নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাহুবল মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে।