পুলিশের অভিযানে হামলা গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২২
Why this classification
The incident is classified as political violence because the perpetrators are identified as members of the BNP's student wing (Chhatra Dal) who attacked police officers to prevent the arrest of their leader, Wakil Hossain Boga, following a criminal case.
Killed
0
Injured
22
Summary
২০২৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ভোররাতে চট্টগ্রামের খুলশী এলাকায় পুলিশের ওপর হামলা চালায় সন্ত্রাসী বগা বাহিনী। এ সময় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং ওসিসহ ২২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 22
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ক্যাম্পের পানিতে ‘বিষ মেশানোর’ অভিযোগে মামলা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পের খাওয়ার পানিতে ‘বিষ মেশানোর’ অভিযোগের ঘটনায় ৪৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে পুলিশ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলাটি করে। মামলায় ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে রোববার (২৬ জুলাই) সকালে জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পের খাওয়ার পানিতে বিষ মেশানোর অভিযোগ ওঠে। ওই পানি পান করে তিন পুলিশ সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে সন্দেহজনক পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র এ নাশকতামূলক ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। এমআর/জেডএস
পুলিশের অভিযানে হামলা গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২২
চট্টগ্রামে ওসিকে সন্ত্রাসী বগার হুমকি পুলিশের অভিযানে হামলা গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২২ Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রাম মহানগরীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ওয়াকিল হোসেন বগাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় খুলশী থানায় চড়াও হয়েছেন নগর ছাত্রদলের সদস্য রকি হোসেন পিচ্চিসহ তার অনুসারীরা। এছাড়া মামলার খবর পেয়ে মোবাইল ফোনে নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা ওয়াকিল হোসেন বগা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) হুমকি ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছে। ঘটনাটি জানার পর বগাকে গ্রেফতারে অভিযান চালায় পুলিশ। শুক্রবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে খুলশীর ওয়্যারলেস এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দেয় বগা বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল, বোতল এবং ককটেলসদৃশ বিস্ফোরক নিক্ষেপ করে। এতে ওসির গাড়িসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ইটপাটকেলের আঘাতে ওসিসহ ২২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুলিশ ওয়্যারলেস এলাকার প্রতিটি গলি ও বগার বাসভবনে সাঁড়াশি অভিযান চালায়। তবে অভিযানের আগে সেখান থেকে বগা পালিয়ে যান। অন্য কাউকেও গ্রেফতার করা যায়নি। জানা গেছে, পাহাড়তলী কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মিজানুর রহমান চৌধুরীকে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর খুলশী থানায় মামলা করা হয়। পাহাড়তলী কলেজের অধ্যক্ষ শ্যামল কান্তি মজুমদার ও শীর্ষ সন্ত্রাসী বগাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক। মামলার খবর পেয়ে বগার ছোটভাই ও নগর ছাত্রদলের সদস্য রকি হোসেন পিচ্চিসহ তার অনুসারীরা থানায় ছুটে যান। এ সময় তারা ওসিকে গালাগাল করেন। পরে মোবাইল ফোনে কল করে ওসিকে বগাও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এ ঘটনা জানার পর বগাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। বৃহস্পতিবার যুগান্তরে ‘পাঁচ দিনেও মামলা নেয়নি পুলিশ, তদন্তে নেমেছে মাউশি’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশের পর রাতেই ভুক্তভোগীর দেওয়া এজাহার আমলে নিয়ে মামলা করা হয়। এতে পাহাড়তলী কলেজের অধ্যক্ষ শ্যামল কান্তিকে প্রধান আসামি করা হয়। বগাকে মামলায় দুই নম্বর আসামি করা হয়। অন্য আসামিরা হলো-ফয়সাল ওরফে মুরগি ফয়সাল, ইমন, সাজিদ, কলেজ শিক্ষক সালাহ উদ্দিন কাদের ও মনির আহমদ। এছাড়া ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলা হওয়ার খবর পেয়ে শতাধিক ব্যক্তিকে নিয়ে নগর ছাত্রদলের সদস্য রকি হোসেন পিচ্চি খুলশী থানায় যান। ওসি মোহাম্মদ আবদুর রহিমের কক্ষে ঢুকে তাকে পিচ্চি অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পরে বগাও গালাগাল করেন। জানতে চাইলে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম যুগান্তরকে বলেন, পাহাড়তলী কলেজের শিক্ষককে মারধর ও নির্যাতনের ঘটনায় মামলার পর বগা আমার মোবাইল ফোনে কল করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এরপর ওই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারে গিয়ে আমিসহ ২২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এ হামলার ঘটনায় থানায় মামলা করা হবে। এর আগে ২৯ আগস্ট যুগান্তরে ‘অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা : পাহাড়তলী কলেজ গিলে খাচ্ছেন অধ্যক্ষ!’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর ওইদিন বিকালে বাংলা বিভাগের প্রভাষক মিজানুর রহমান চৌধুরীকে কলেজ থেকে তুলে নিয়ে যায় বগার বাহিনী। এ সময় ওই শিক্ষকের কক্ষ তছনছ করা হয় এবং ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এরপর খুলশী থানার ওয়্যারলেস ২নং লেইনে টর্চারসেলে তাকে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করে বগা ও তার লোকজন। এতে তার ডান হাতের আঙুল ভেঙে যায় এবং কবজি রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া হাতে ও পিঠের একাধিক স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়। চাকরি করতে হলে অধ্যক্ষসহ বগাকে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে এবং বিভিন্ন দপ্তরে কলেজের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে জমা দেওয়া অভিযোগ প্রত্যাহার করতে তাকে চাপ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ওয়াকিল হোসেন বগা চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ৮ জুন দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ তাকে বহিষ্কার করা হয়।
