গাজীপুরে পাওনা টাকার দাবিতে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, আহত ৩০
Why this classification
This article reports a specific incident on Tuesday, 21 April 2026, in which workers and factory officials physically clashed in two rounds at a garment factory in Kaliakair, Gazipur. Workers also damaged factory property, and 30 people, including women, were injured. This is a concrete physical clash with injuries, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
30
Summary
গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় আহসান কম্পোজিট লিমিটেড কারখানায় বাৎসরিক ছুটির টাকার দাবিতে বিক্ষোভের সময় শ্রমিক ও কারখানা কর্তৃপক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ ও ভাঙচুর হয়, যাতে নারীসহ ৩০ জন আহত হন। ঘটনাটি ২০২৬ সালের ২১ এপ্রিল (মঙ্গলবার) দুপুরে ঘটে, এবং পুলিশ ও শিল্পপুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 30
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
গাজীপুরে পাওনা টাকার দাবিতে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, আহত ৩০
গাজীপুরে বাৎসরিক ছুটির টাকার দাবিতে আহসান কম্পোজিট লিমিটেড নামে একটি কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় শ্রমিক ও কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দুই দফা সংঘর্ষ হয়। এতে নারীসহ ৩০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে জেলার কালিয়াকৈর পৌরসভার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, শ্রমিকদের গত বছরের বাৎসরিক ছুটির টাকা সময় মতো পরিশোধ করার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ গড়িমসি করছে। এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে পাওনা টাকা চেয়ে শ্রমিকরা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছেন। কর্তৃপক্ষ টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেন একাধিকবার কিন্তু পরিশোধ করেননি। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকরা কাজে এসে কর্মবিরতি দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। এ সময় কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা তাদের বাধা দিলে শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে কারখানা ভাঙচুর শুরু করেন। একপর্যায়ে দুপুরের দিকে শ্রমিকদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের সংঘর্ষ হয়। এতে নারী শ্রমিকসহ ৩০ জন আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সাইফুল্লাহ মাসুদ নামে ওই কারখানার এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা শুধু শ্রমিকদের বলেছি, সময় মতো টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যেই তারা ভাঙচুর শুরু করেছেন। এক পর্যায়ে তারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপরে হামলা চালান। তারা অনেক দামি জিনিসপত্র ভাঙচুর করেছেন। এ সময় উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। সাবিনা আক্তার নামে এক নারী শ্রমিক বলেন, আমরা পরিশ্রম করে টাকা কামাই। আমাদের পাওনা টাকা না দিয়ে তারা শুধু তালবাহানা করে যাচ্ছে। টাকা চেয়ে না পেয়ে আমরা আন্দোলন করছিলাম। হঠাৎ কারখানার মালিকপক্ষ এসে আমাদের ওপর হামলা করে। এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই কারখানায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমাদের পুলিশ সদস্যরা সেখানে যান। পরে শিল্পপুলিশের সহায়তা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে সেখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। দুই পক্ষ নিয়ে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা হবে। এএমকে
