বড়লেখায় পুত্রার হাতে তাউই খুন

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

This is a single, concrete incident in Bangladesh in which a man was hacked with a dao (machete) during a family dispute and later died in hospital. The attack happened on Thursday night, which is within the 14-day window, and it is a murder, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
08/10/26•Golla Sangan village (গল্লাসাঙ্গন গ্রাম), Borolekha

Killed

1

Injured

0

Summary

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) রাতে শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক বিরোধ মেটাতে গিয়ে জামাতার ভাই ওমর ফারুকের দায়ের কোপে আব্দুর রহমান (৬৮) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

93% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Omar Faruk (ওমর ফারুক)Abdur Rahman (আব্দুর রহমান, 68)Md. Monirujjaman Khan (OC, Borolekha Police Station)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 09/10/26open original ↗

পারিবারিক বিরোধ মেটাতে গিয়ে মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে বাবা খুন

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মেয়ের শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে খুন হয়েছেন আব্দুর রহমান (৬৮) নামে এক বৃদ্ধ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে উপজেলার গল্লাসাঙ্গন গ্রামের ছাতুরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুর রহমান বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা আরেঙ্গাবাদ গ্রামের মৃত হাজী ইসরাক আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখা উপজেলার গল্লাসাঙ্গন গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার ছেলে কাতারপ্রবাসী মুন্না আহমদের সঙ্গে আব্দুর রহমানের এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে। মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে গাছ বিক্রির টাকা ও জমিজমা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জামাতা মুন্না আহমদের ভাই ওমর ফারুকের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে আব্দুর রহমান মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ওমর ফারুক তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। এসএইচএ

Source 2: Jugantor · 10/10/26open original ↗

বড়লেখায় পুত্রার হাতে তাউই খুন

বড়লেখায় পুত্রার হাতে তাউই খুন Advertisement বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বড়লেখার গল্লাসাঙ্গন গ্রামে নিজের ও মেয়ের শ্বশুড়বাড়ির পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গিয়ে পুত্রা (জামাতার ভাই) ওমর ফারুকের হাতে খুন হয়েছেন ফুপা আব্দুর রহমান (৬৮)। তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা আরেঙ্গাবাদ গ্রামের মৃত হাজি ইসরাক আলীর ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে গল্লাসাঙ্গন গ্রামে নিহতের সম্বন্ধী মৃত তোতা মিয়ার বাড়িতে। জানা গেছে, সম্বন্ধী মৃত তোতা মিয়ার ছেলে কাতার প্রবাসী মুন্না আহমদের সঙ্গে নিহত অব্দুর রহমান তার এক মেয়ের বিয়ে দেন। দীর্ঘদিন ধরে নিজের শ্বশুড়বাড়ি ও মেয়ের শ্বশুড়বাড়িতে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আব্দুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতে শ্বশুড়বাড়িতে যান। এ সময় মেয়ের জামাতার ভাই ওমর ফারুক পূর্বশত্রুতার জেরে ফুপা ও তাউই আব্দুর রহমানকে অতর্কিতভাবে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে শুক্রবার দুপুরে সরেজমিন ঘটনাস্থলে গেলে মৃত তোতা মিয়ার বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে বাড়ির লোকজন গা-ঢাকা দিয়েছেন। থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, নিহতের পরিবারের লোকজন থানায় যোগাযোগ করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ দাফনের পর তারা হত্যার ঘটনায় মামলা করবেন।