উখিয়ার আশ্রয়শিবির মোটরসাইকেলে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের গুলি, ‘এআরও কমান্ডার’ নিহত

AI-classifiedconfidence 89%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Cox's Bazar. Parties reported: ARSA, ARO. Reported casualties: 1 killed and 2 injured. Reported by 2 sources.

Reported by:Prothom AloAjker PatrikaCorroborated · 2 sources
05/05/26•Tarjar Bridge, Balukhali Refugee Camp, Ukhia

Killed

1

Injured

2

Summary

২০২৬ সালের ৫ মে কক্সবাজারের উখিয়া বালুখালী আশ্রয়শিবিরে আরসা সদস্যদের গুলিতে এআরও কমান্ডার কেফায়েত উল্লাহ নিহত এবং আরও দুইজন আহত হন। আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

89% · severity 8

Parties involved

ARSAARO

Tags

Gang WarMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 06/05/26open original ↗

রোহিঙ্গা শিবিরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে এআরওর প্রধান নিহত, গুলিবিদ্ধ ২

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সন্ত্রাসীদের গুলিতে আরাকান রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশনের (এআরও) প্রধান কেফায়েত উল্লাহ হালিম (৪০) নিহত হয়েছেন। এ সময় তাঁর দুই সহযোগী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উখিয়া উপজেলার বালুখালী ৭ নম্বর ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কেফায়েত উল্লাহ হালিম বালুখালী ৭ নম্বর ক্যাম্পের এফ-২ ব্লকের বাসিন্দা বাদশা মিয়ার ছেলে। আর গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিরা হলেন একই ক্যাম্পের এ-৪ ব্লকের বাসিন্দা তোফায়েল আহমদের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৭) ও জি-ব্লকের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ (৩৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমিন জানান, সন্ধ্যায় বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮/ইস্ট থেকে হালিমসহ তিনজন একটি মোটরসাইকেলে করে নিজ নিজ শেডে ফিরছিলেন। মোটরসাইকেলটি ৭ ও ৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সংযোগ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তাঁদের লক্ষ্য করে আরসা সন্ত্রাসীরা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ তিনজনকে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে কুতুপালংস্থ এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হালিমকে মৃত ঘোষণা করেন। অতিরিক্ত ডিআইজি জানান, ঘটনার খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গুলিবিদ্ধ দুজন এমএসএফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসার সদস্যরা জড়িত বলে পুলিশ তথ্য পেয়েছে জানিয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি সিরাজ আমিন জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ। একই সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যমতে, নিহত কেফায়েত উল্লাহ হালিমের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন কারাবন্দী ছিলেন। সম্প্রতি জেল থেকে ছাড়া পেয়ে তাঁর নেতৃত্বে এআরও নামের সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠনটি গঠন করা হয়। এ কারণে আরসার সদস্যরা হালিমের ওপর ক্ষুব্ধ হন।

Source 2: Prothom Alo · 05/05/26open original ↗

উখিয়ার আশ্রয়শিবির মোটরসাইকেলে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের গুলি, ‘এআরও কমান্ডার’ নিহত

কক্সবাজারের উখিয়া বালুখালী আশ্রয়শিবিরে আরসার সন্ত্রাসীর গুলিতে নিহত এআরও কমান্ডার কেফায়েত উল্লাহ হালিমছবি-সংগৃহীত কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবিরে রোহিঙ্গা সশস্ত্রগোষ্ঠীর গুলিতে কেফায়েত উল্লাহ হালিম (৪৫) নামের আরেক রোহিঙ্গা সশস্ত্রগোষ্ঠীর ‘কমান্ডার’ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ক্যাম্পের তরজার ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে কেফায়েত উল্লাহসহ তিনজন মোটরসাইকেলে করে আরেক ক্যাম্প থেকে নিজেদের ক্যাম্পে ফিরছিলেন। পথে তরজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। এতে তিনজনই গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতারা জানান, আশ্রয়শিবিরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সশস্ত্রগোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যরা গুলি চালান। নিহত কেফায়েত উল্লাহ হালিম আরাকান রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন (এআরও) নামের একটি বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে এআরও আশ্রয়শিবিরে আরসাবিরোধী তৎপরতায় যুক্ত ছিল। এর আগে একবার গুলিবিদ্ধও হয়েছিলেন তিনি। নিহত কেফায়েত বালুখালী আশ্রয়শিবিরের ক্যাম্প-৭-এর এফ-২ ব্লকের বাসিন্দা বাদশা মিয়ার ছেলে। গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন একই আশ্রয়শিবিরের এ-৪ ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৭) ও জি ব্লকের নুর মোহাম্মদ (৩২)। তাঁরা এআরও-এর সদস্য বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা সাতটার দিকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নৌকার মাঠ পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় গুলিবিদ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে আশ্রয়শিবিরের ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে রাত আটটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেফায়েত উল্লাহ মারা যান। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপারেশন) মো. ওয়াহিদুর রহমান বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে আরসা সদস্যরা কেফায়েত উল্লাহ হালিমকে গুলি করে হত্যা করেছে। আশ্রয়শিবিরে তিনি এআরও নামে একটি বাহিনী গড়ে তুলে আরসাবিরোধী তৎপরতা চালাতেন। জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে এবং এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, কেফায়েত উল্লাহ আগে আরসার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও দেড় বছর আগে সংগঠনটি ছেড়ে নিজস্ব বাহিনী গড়ে তোলেন। পরে সেটি বিলুপ্ত করে এআরও নামে নতুন সংগঠন করেন। সাম্প্রতিক সময়ে সদস্য সংগ্রহ নিয়ে তাঁর সঙ্গে আরসার বিরোধ তীব্র হয়। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রোহিঙ্গাকক্সবাজারঅপরাধখুনচট্টগ্রাম বিভাগ