কুমিল্লায় ঘুসের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভাঙচুর

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

The article reports a clear physical assault and vandalism targeting a journalist inside a government office for recording bribery, meeting the criteria for a violent incident.

Reported by:JugantorProthom AloCorroborated · 2 sources
15/10/26•Comilla Zonal Settlement Office

Killed

0

Injured

1

Summary

কুমিল্লা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুস নেওয়ার ভিডিও ধারণ করায় ফাহিম মুনতাহিম নামে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 3

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

ফাহিম মুনতাহিম

Affected infrastructure

ভাঙচুর

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 15/10/26open original ↗

কুমিল্লায় ঘুসের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভাঙচুর

কুমিল্লায় ঘুসের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভাঙচুর Advertisement কুমিল্লা ব্যুরো প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৫ এএম ছবি-যুগান্তর কুমিল্লা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুস নেওয়ার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ফাহিম মুনতাহিম নামে এক সাংবাদিক। এ সময় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং লোগো সংবলিত বুম (মাইক্রোফোন) কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে। রাতে ভুক্তভোগী ফাহিম মুনতাহিম (২৩) বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দৈনিক নয়াদিগন্তের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি (মাল্টিমিডিয়া বিভাগ)। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি আবু সুফিয়ান ও ফাহিমসহ কয়েকজন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনে ওই অফিসে যান। অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে ভারপ্রাপ্ত রেকর্ড কিপার মেহরাব হোসেন (৪৮) দালাল রহিম (৫৫) ও শাহ আলমের (৬০) মাধ্যমে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ঘুস নিচ্ছিলেন। ফাহিম নিজের মোবাইল ফোনে সেই দৃশ্য ধারণ করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ভিডিও ধারণের বিষয়টি টের পেয়ে মেহরাব হোসেনের নেতৃত্বে রহিম, শাহ আলমসহ অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-সাতজন ফাহিমের ওপর হামলা চালান। তারা কাজে বাধা দেন, হাতাহাতি করে ফোন ও নয়াদিগন্তের লোগো সংবলিত বুম ছিনিয়ে নেন। ফোন কেড়ে নিতে গিয়ে রহিম ফাহিমের ডান হাতে আঘাত করেন এবং ফোনটি আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীরা প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তরা তাদের হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ৯৯৯-এ কল করা হলে কোতোয়ালী মডেল থানার টহল পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। খবর পেয়ে কুমিল্লার অন্য সাংবাদিকেরাও সেখানে পৌঁছে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেহরাব হোসেন। তিনি বলেন, ‘হামলা-ভাঙচুরের সঙ্গে আমরা জড়িত নই।’ ফাহিম মুনতাহিম বলেন, ‘মেহরাব হোসেনের ঘুস নেওয়ার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে আমি হামলার শিকার হয়েছি। তারা আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন। সহকর্মী ও অফিস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’ কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Source 2: Prothom Alo · 16/10/26open original ↗

মাদক কারবারিকে ধাওয়া করতে গিয়ে ভারতে প্রবেশ, বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের সীমানা এলাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তোলাছবি: প্রথম আলো কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ী সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় ভারতে প্রবেশ করে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক হয়েছেন বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্য। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ী সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই দুই পুলিশ সদস্য হলেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান। তাঁরা ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিএসএফের সঙ্গে আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিজিবির যোগাযোগ চলছিল। গতকাল রাত পৌনে দুইটার দিকে ও আজ সকাল পৌনে নয়টার দিকে প্রথম আলোকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন। তিনি জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে ভুলক্রমে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করায় দুই পুলিশ সদস্যকে বিএসএফের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে দায়িত্ব পালন করছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য। রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁরা শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ী সীমান্ত এলাকায় মাদক কারবারের তথ্য পান। এরপর সেখানে অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তখন কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান ওই ব্যক্তিকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে তিনি সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানাছবি: প্রথম আলো পরে সীমান্তের ওপারে অবস্থানরত কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক রোহিত আটক করেন। কনস্টেবল রোহিতকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে টহল দলের দায়িত্বে থাকা এএসআই ইমরান হোসেনকেও আটক করা হয়। একপর্যায়ে বিএসএফের সদস্যরা রোহিত ও ইমরানকে নিজেদের হেফাজতে নেন। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির সদস্যরা বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে বিএসএফ তাঁদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করতে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবির সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) শশীদল বিওপির দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাম্প কমান্ডারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে প্রথম আলো। তবে বিষয়টি নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। আশাবাড়ী স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিএসএফের হেফাজতে নেওয়ার আগে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে স্থানীয় কয়েকজন মারধর করেন। কনস্টেবল রোহিত দেওয়ানকে বেশি মারধর করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, পুলিশকে মারধর করা ব্যক্তিরা সীমান্তের ওপারে মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ী সীমান্ত এলাকা মাদক ও চোরাচালানের জন্য পরিচিত। ওই এলাকায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া নেই। এ সুযোগে সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অন্য পণ্য চোরাচালানের ঘটনা ঘটে। এর আগে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর একই ইউনিয়নের আশাবাড়ী সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের পর তৎকালীন র‍্যাবের (বর্তমানে এসআরবি) তিন সদস্য ও তাঁদের সঙ্গে থাকা দুই নারী সোর্সকে আটক করেছিল বিএসএফ। এর আগে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর একই ইউনিয়নের আশাবাড়ী সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের পর তৎকালীন র‍্যাবের (বর্তমানে এসআরবি) তিন সদস্য ও তাঁদের সঙ্গে থাকা দুই নারী সোর্সকে আটক করেছিল বিএসএফ। তাঁরা মাদক উদ্ধার ও চোরাকারবারিদের ধরতে বিশেষ অভিযানে গিয়েছিলেন। সে সময় ভুলক্রমে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করলে বিএসএফ তাঁদের আটক করে। পরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়। আইনি ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষে আটক ব্যক্তিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বিজিবিভারতবিএসএফসীমান্তচট্টগ্রাম বিভাগব্রাহ্মণপাড়াকুমিল্লা