বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১২

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This article reports a single concrete incident on the night of Friday 20 February 2026 in which BNP and Jamaat workers clashed in Fazil Khan's Haat, Karnaphuli, leaving 12 people injured. Weapons were used, and shops and a house were attacked, so it qualifies as violence. The article is a primary report of the event, not a reaction piece.

Reported by:SamakalSingle source
20/02/26•ফাজিল খাঁর হাট, বড়উঠান ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

12

Summary

(২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ১২ জন আহত হন এবং কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। দুই দল একে অপরকে দায়ী করেছে এবং থানা পুলিশ এখনো কোনো পক্ষের অভিযোগ পায়নি।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

BNPJamaat

Victim side

BNPJamaat

Other actors

শাহেদুল আলম টিটু (স্বেচ্ছাসেবক দল/যুবদল নেতা)মঞ্জুর আলম (বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষক দল সদস্য)মো. ইমন (ছাত্রদল নেতা)নুরুল ইসলাম (উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক)নুর উদ্দীন জাহাঙ্গীর (জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার সেক্রেটারি)আলমগীর (জামায়াতের উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি)মনির আবছার চৌধুরী (জামায়াতে ইসলামী উপজেলা আমির)এস এম ফারুক হোসেন (চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি সদস্য)শাহীনুর আলম (কর্ণফুলী থানার ওসি)এনাম (বড়উঠান ইউনিয়ন জামায়াত সদস্য)মামুন (বড়উঠান ইউনিয়ন জামায়াত সদস্য)দিদার (৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখা জামায়াতের অর্থ সম্পাদক)

Affected infrastructure

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (দোকান)এনামের বড় ভাইয়ের দোকানমামুনের বাড়ি

Tags

Party ClashElection Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 12

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 22/02/26open original ↗

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১২

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১২ কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২০:৫৮ চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়। এ জন্য দল দুটির স্থানীয় নেতারা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। ‘নেতাকর্মীদের ওপর জামায়াতের হামলা’র প্রতিবাদ জানিয়ে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে পিএবি সড়কে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করে কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপি। এ জন্য বিএনপি কর্মীদের দায়ী করে শনিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামী কর্ণফুলী শাখার পক্ষ থেকে লিখিত প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল ইসলামের দেওয়া তথ্যমতে, সংঘর্ষে উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মঞ্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা মো. ইমনসহ আটজন আহত হয়েছেন। অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা শাখার সেক্রেটারি নুর উদ্দীন জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন, এতে উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সেক্রেটারি আলমগীর, বড়উঠান ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য এনাম, মামুন, ৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখার অর্থ সম্পাদক দিদারসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, এনামের বড় ভাইয়ের দোকান ও মামুনের বাড়িতেও হামলা হয়েছে। আহতদের মধ্যে বিএনপির চারজন ও জামায়াতের তিনজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানা গেছে। জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমির মনির আবছার চৌধুরীর অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্থানীয় বিএনপির কর্মী ও মাদক ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে জামায়াতের কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালানো হয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য ফাজিল খাঁর হাট বাজারে যান দলের নেতারা। সেখানে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টিটুর নেতৃত্বে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এস এম ফারুক হোসেনের ভাষ্য, নির্বাচনের দিন হিন্দুপাড়ার ভোটারদের নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়েছিল। এ ঘটনার জেরে শুক্রবার রাতের হামলা হয়। যুবদল ও ছাত্রলের কয়েকজন নেতাকর্মী এদিন দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে যান। এ সময় জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারি আলমগীরের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা হয়। কর্ণফুলী থানার ওসি শাহীনুর আলম শনিবার বিকেলে বলেন, এ ঘটনায় তারা কোনো পক্ষের অভিযোগ পাননি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্তের পর ব্যবস্থা নেবেন। - বিষয় : - বিএনপি - জামায়াতে ইসলামী - সংঘর্ষ