ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু, সড়ক অবরোধ
Why this classification
ঘটনাটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ কারণ ভুক্তভোগী ছাত্রলীগের (আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন) সদস্য এবং অভিযুক্ত পুলিশের ডিবি শাখা। মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে এবং বিএনপি নেতারা ঘটনাটিকে 'হত্যাকাণ্ড' হিসেবে আখ্যায়িত করে রাজনৈতিক বক্তব্য দেন।
Killed
1
Injured
0
Summary
ফরিদপুরের মধুখালীতে ডিবি হেফাজতে থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগ কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তের (২৭) মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাবাসী আধা ঘণ্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে জানাজায় বিএনপি নেতারা ঘটনাটিকে 'হত্যাকাণ্ড' আখ্যায়িত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু / দোষীদের বিচার দাবিতে আধা ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করল এলাকাবাসী
ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু দোষীদের বিচার দাবিতে আধা ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করল এলাকাবাসী ছবি: সংগৃহীত ফরিদপুর অফিস প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬ | ২১:১৪ ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যদের হেফাজতে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবিতে আধা ঘণ্টার বেশি মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পরে জানাজায় অংশ নিয়ে উপজেলা বিএনপির তিন নেতা ঘটনাটিকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। সোমবার সকাল ১১টা থেকে ১১টা ৪০ পর্যন্ত ফরিদপুরের মধুখালী পৌরসভার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে পেঁয়াজবাজার, মধুখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান ও পশ্চিম গোন্দারদিয়া মহল্লা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা। এতে সড়কের দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে একটি অ্যম্বুলেন্সে করে ফরিদপুর ডায়বেটিক হাসপাতালের হিমঘর থেকে মৃত ছাত্রলীগ কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তের (২৭) মরদেহ মধুখালীতে পেয়াজবাজার সংলগ্ন পশ্চিম গোন্দারদিয়া মহল্লার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হলে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। ওই সময় ওই বাড়িতে উপস্থিত এলাকাবাসী পেয়াজবাজার এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে। এ সময় পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে জনতার প্রতিরোধের মুখে তারা সামনে এগুতে পারে নি। পরে যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ১১টা ৪০ মিনিটে মৃত মির্জা ইশতিয়াক আহমেদের পরিবারের অনুরোধে অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নিলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। জোহরের নামাজের পর দুপুর দুইটার দিকে মধুখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ ময়দানে জানাজার নামাজ শুরু হয়। এতে মৃতের পরিবারের পক্ষে তার চাচাতো ভাই মির্জা লোটাস কামাল বক্তব্য দেন। জানাজার নামাজ পড়ান মৃত মির্জা ইশতিয়াক আহমেদের ছোট ভাই মির্জা আব্দুস সামাদ। জানাজা শুরু হওয়ার আগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম ও মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হায়দার আলী মোল্লা বক্তব্য দেন। এই তিন নেতাই এ ঘটনাটিকে ‘হত্যাকাণ্ড’ আখ্যায়িত করে বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা অতীতে মধুখালীতে ঘটনি।’ এ ঘটনার জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তারা। জানাজার শুরুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ বলেন, ‘প্রান্ত হত্যার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় এনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সকলের আছে। কিন্তু আসামিকে ধরে তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলতে হবে এইটা কোনও অবস্থাতেই মেনে নিতে পারিনা।’ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুষ্ঠু বিচার দাবি করে বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সুষ্ঠু বিচার চাই। আমরা চাই কোনও মাকে যেন তার সন্তানকে হারাতে না হয়। কোনও মানুষকে যাতে পুলিশি নির্যাতনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করতে না হয়।’ জানাজার পর পশ্চিম গোন্দারদিয়াস্থ পারিবারিক কবরাস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ দিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মির্জা ইশতিয়াকের মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম গতকাল রোববার এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলামকে। কমিটি অপর দুই সদস্য হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল আজম এবং ডিএসবির (ওসি) মোশাররফ হোসেন। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে তদন্ত কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম বলেন, কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দেওয়ার চেষ্টা করবেন তারা। উল্লেখ্য, গত শনিবার বিকেল ৫টার দিকে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত (২৭) নামের ছাত্রলীগের ওই কর্মীকে আটক করে ডিবি। এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই পেটানো হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের। পরদিন রোববার সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডিবির হেফাজতে মারা যান প্রান্ত। - বিষয় : - ফরিদপুর - ছাত্রলীগ নেতা - মৃত্যু - ডিবি হেফাজত
