ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক বহিষ্কার

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a concrete incident of sexual assault by a madrasa teacher on a student that occurred on 14 June 2026 in Fotikchari, Chittagong. This is a recent, non‑political violent act targeting an individual, therefore it is classified as gender‑based violence.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
14/06/26•Fotikchari

Killed

0

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি মাদ্রাসার শিক্ষক মো. শাহীন উদ্দীনকে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনাটি ১৪ জুন ঘটেছে এবং মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদ ও অভিভাবকরা কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মো. শাহীন উদ্দীনমাওলানা নাজিম উদ্দিনহাসান শামসুদ্দিন

Tags

Sexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 13/06/26open original ↗

ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তাকারী এক অভিযুক্ত আটক : সিএমপি কমিশনার

চট্টগ্রাম নগরে নিজ বাসায় ফেরার পথে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য নাঈম হাসানকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে হেনস্তা ও জোরপূর্বক থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করে দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিযুক্ত একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ দুপুর ১২টার দিকে সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী ক্রিকেটার নাঈম হাসানের চট্টগ্রাম শহরের বাসভবনে যান। তিনি নাঈম ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং পুলিশের এমন আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। ক্রিকেটার নাঈমের বাসভবনে সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আমরা ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। আমরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে চাই। পুলিশ সদস্যরা চরম অপেশাদার আচরণ করেছেন। বাংলাদেশ জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সিএমপি কমিশনার আরও বলেন, অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যেই দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত একজনকে আটক করেছি। এ ঘটনায় বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।' স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার রাতে বিমানবন্দর থেকে গাড়িযোগে নিজ বাসায় ফিরছিলেন জাতীয় দলের এই অফস্পিনার। পথিমধ্যে সিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে তার গাড়ি থামায়। স্বর্ণ চোরাকারবারি সন্দেহে নাঈমকে গাড়ি থেকে নামতে বাধ্য করা হয় এবং তার সঙ্গে অত্যন্ত অশোভন আচরণ করা হয়। একপর্যায়ে নাঈম নিজের পরিচয় দিলেও পুলিশ সদস্যরা তা কর্ণপাত করেননি। উল্টো তাকে জোরপূর্বক থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেও দীর্ঘক্ষণ হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে পুলিশের এমন অশোভন আচরণের খবর ছড়িয়ে পড়লে চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সিএমপি সূত্র জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে এবং দোষী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্রিকেটার নাঈমের পরিবারের সদস্যরা জানায়, সিএমপি কমিশনার নিজে বাসায় এসে দুঃখ প্রকাশ করায় এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা আপাতত আশ্বস্ত। তবে তারা চান যেন তদন্তের মাধ্যমে দোষী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়। এসএম

Source 2: Jugantor · 16/06/26open original ↗

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক বহিষ্কার

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক বহিষ্কার Advertisement ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম মো. শাহীন উদ্দী চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে একটি মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মো. শাহীন উদ্দীন (৩১) নামের এক শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাদ্রাসা কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযুক্ত শাহীন উদ্দীন উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পশ্চিম হাসনাদ এলাকার মৃত বদিউল আলমের ছেলে। তিনি স্থানীয় খিল্লাপাড়া হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা.) ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ও হেফজখানার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (১৪ জুন) মাদ্রাসা চলাকালে ওই শিক্ষক দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করেন। কোমলমতি ছাত্রীরা তার এমন আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে পরিবারকে জানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার সকালে মাদ্রাসা কার্যালয়ে এক জরুরি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ। বৈঠকে শিক্ষক ও ভুক্তভোগী ছাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়। পরে উপস্থিত অভিভাবক ও পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে মাদ্রাসা থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর প্রবাসী অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শ্রেণিকক্ষে সন্তানদের সাথে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এভাবে চললে আমরা সন্তানদের কীভাবে মাদ্রাসায় পাঠাব? আমি প্রবাসে থেকে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। আমি এই লম্পট শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শাহীন উদ্দীনের মোবাইল ফোন দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা নাজিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের মাদ্রাসার এক শিক্ষক অত্যন্ত অপ্রীতিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছেন। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা কোনো আপস করিনি। অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে মাদ্রাসা থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক রাজনৈতিক আশ্রয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করছেন— মঙ্গলবার (১৬ জুন) এমন গুঞ্জন উঠলে তা নাকচ করে দিয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি হাসান শামসুদ্দিন। তিনি বলেন, অভিযুক্ত শাহীন উদ্দীন কখনোই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বা দায়িত্বশীল কেউ ছিলেন না। দলের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমরা এই ঘৃণ্য অপরাধের তীব্র নিন্দা জানাই এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।