দেখে ফেলায় গৃহবধূকে হত্যা পটুয়াখালীতে
Why this classification
This is a single, concrete incident in which a 19-year-old housewife was allegedly murdered by her in-laws after she saw an illicit relationship. A murder case has been filed and her husband has been detained, so it is a recent fatal attack within Bangladesh.
Killed
1
Injured
0
Summary
পটুয়াখালী সদরের বড়বিঘাই ইউনিয়নে শাশুড়ি ও ননদের জামাইয়ের অবৈধ সম্পর্ক দেখে ফেলায় গৃহবধূ স্বর্ণা আক্তারকে (১৯) হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবার অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে, এবং পুলিশ হত্যা মামলা করে স্বামী রাকিবকে আটক করেছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
80% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
শাশুড়ি-জামাইয়ের অবৈধ সম্পর্ক দেখে ফেলায় পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগ
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় শাশুড়ি ও মেয়ে জামাইয়ের অবৈধ সম্পর্ক দেখে ফেলায় স্বর্ণা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শাশুড়ি মুনজুমা বেগম (৪০) ও ননদ জামাই সৌরভসহ (৩০) শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বর্ণার স্বামী রাকিবকে আটকের পর কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ এনে থানায় একটি মামলা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বড়বিঘাই ইউনিয়নের সি-কেওয়াবুনিয়া বাজারে মানববন্ধন করেন নিহত গৃহবধূ স্বর্ণার পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, শাশুড়ি মুনজুমার মেয়ে মারুফা প্রবাসে থাকার সুযোগে জামাই ও শাশুড়ির মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জেনে ফেলায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন স্বর্ণা। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধনে উপস্থিত স্থানীয় ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন বলেন, এই পরিবারটা খুবই অসহায়। তবে ওরা অত্যন্ত ভদ্র এক পরিবার। মেয়েটা অনেক নম্র-ভদ্র ছিল। এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের কঠোর বিচার হওয়া প্রয়োজন। নিহত স্বর্ণার বাবার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার কবর স্থানের পাশে মাটিতে লুটিয়ে কাঁদছেন তার মা। স্বর্ণার মা রিনা বেগম কান্না বিজড়িত কণ্ঠে অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি ওই বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। তখন স্বর্ণা আমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে বলে- মা, এখানে আমার ভালো লাগে না। আমারে ১০ হাজার টাকা দিবা? আমি তোমার জামাইকে নিয়া ঢাকা যামু। কারণ জানতে চাইলে স্বর্ণা বলে -মা তোমার কাছে বলতে আমার লজ্জা লাগে, তবুও বলছি, আমার শাশুড়ি আর আমার ননদের জামাই অবৈধ সম্পর্ক করে, আমি দুই-তিন দিন দেখছি। এ কথা বলার সময় ওই গৃহবধূর শাশুড়ি তা শুনে ফেলেন। পরের দিন ওর শাশুড়ি আমাকে জোর করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এর কিছুক্ষণ পরই শুনি আমার মেয়ে নাকি গলায় ফাঁস দিয়েছে। কিন্তু আশপাশের লোকজন বলছে, তারা কেউ ওরে গলায় ফাঁস লাগা অবস্থায় দেখেনাই। আমার মাইয়াটারে ওরা শাশুড়ি-জামাই মিলে মাইরা ফালাইছে। আমার এত আদরের মেয়েটা এইভাবে চইলা গেল, এভাবে ওরে মাইরা ফালাইলো। প্রশাসনের কাছে আমি এর বিচার চাই।’ স্বর্ণার বাবা কাঠমিস্ত্রি কামাল হাওলাদার কান্না বিজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি লোকজনের কাছে হাত পেতে চান্দা উঠাইয়া আমার মাইয়াটারে বিয়া দিছিলাম। কে জানতো এমন করে ওরা আমার মাইয়াটারে মাইরা ফালাইবে? আমার অনেক কষ্টের মাইয়া। ওরে সবসময় পর্দায় রাখছি, ওরা এইভাবে ওরে মাইরা ফালাইলো মানতে পারি না। আচ্ছা, গরিবের জন্য কি কোনো বিচার নাই? ওরা শাশুড়ি-জামাই কীভাবে পালিয়ে যায়? আমি ওদের বিচার চাই।’ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (১০ জুন) স্বামীর বাড়ি পশুরীবুনিয়া এলাকা থেকে গুরুতর অবস্থায় স্বর্ণাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান প্রতিবেশীরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ। ঘটনার পর স্বর্ণার স্বামীকে আটক করা হলেও অভিযুক্ত শাশুড়ি মুনজুমা ও ননদ জামাই সৌরভ পলাতক রয়েছেন। স্বর্ণার শ্বশুর খালেক মিরা (৬০) পূর্ব থেকেই ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শাশুড়ি ও ননদ জামাইয়ের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। একইভাবে শ্বশুর খালেক মিরার মুঠোফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে নিহতের স্বামীকে আটক করার পরে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত। বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যার মূল কারণ জানা যাবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সোহাইব মাকসুদ নুরনবী/এসএইচএ
দেখে ফেলায় গৃহবধূকে হত্যা পটুয়াখালীতে
শাশুড়ি-জামাইয়ের অবৈধ সম্পর্ক দেখে ফেলায় গৃহবধূকে হত্যা পটুয়াখালীতে Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, পটুয়াখালী প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পটুয়াখালী সদরের বড় বিঘাই ইউনিয়নে শাশুড়ি ও ননদের জামাইয়ের কথিত অবৈধ সম্পর্ক দেখে ফেলায় স্বর্ণা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের শাশুড়ি মুনজুমা বেগম, ননদের জামাই সৌরভ এবং শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন স্বর্ণার স্বজনরা। শনিবার বিকালে বড়বিঘাই ইউনিয়নের সি-কেওয়াবুনিয়া বাজারে অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা দাবি করেন, প্রবাসে থাকা মেয়ের অনুপস্থিতিতে শাশুড়ি ও তার মেয়ের জামাইয়ের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। স্বর্ণা বিষয়টি জেনে যাওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের মা রিনা বেগম বলেন, ঘটনার আগেরদিন স্বর্ণা তাকে জানিয়েছিলেন যে, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশে তিনি নিরাপদ বোধ করছেন না এবং শাশুড়ি ও ননদের জামাইয়ের অনৈতিক সম্পর্ক তিনি কয়েকবার দেখে ফেলেন। ওসি মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনা কেন্দ্র করে হত্যা মামলা হয়েছে। স্বর্ণার স্বামী রাকিবকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
