হোটেল মালিককে কোপাল যুবদল নেতার ক্যাডাররা
Why this classification
The incident involves a stabbing attack by members of a political youth wing (Awami League) against a hotel owner, with clear party involvement and use of weapons, meeting the definition of political violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
২০২৬-০৭-২৭ তারিখে রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় একতারা আবাসিক হোটেলে যুবদল ক্যাডাররা মালিক রাজু আহমেদকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতরভাবে আহত করে। তিনি হাসপাতালে ভর্তি, মাথা ও পেটের ধারালো জখম দেখা যায়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
94% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
আম্মার গং কি আইনের ঊর্ধে?
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মব সন্ত্রাস আম্মার গং কি আইনের ঊর্ধে? সম্পাদকীয় প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬ | ০৭:৩০ | প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ও তাঁহার সহযোগীরা পুনরায় মব সন্ত্রাস করিয়াছেন। এইবার তাহাদের মব সহিংসতার শিকার হইয়াছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির তিন শিক্ষার্থী। শুধু উহাই নহে; সমকালসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার হামলাটি শুরু হয় প্রক্টরের দপ্তরে প্রক্টরেরই সম্মুখে। এক পর্যায়ে হামলা হইতে বাঁচিবার আশায় আক্রান্তরা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে আশ্রয় লইলেও রেহাই পান নাই। এমনকি গ্রন্থাগারে পাঠরত সাধারণ শিক্ষার্থীরাও আক্রান্ত হইয়াছেন। প্রক্টরের দপ্তর কিংবা গ্রন্থাগারেও যদি রেহাই না মিলে; রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপদ এলাকা তাহা হইলে কোনটি? স্মরণ করা যাইতে পারে, রাকসুর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হইবার অব্যবহিত পর হইতেই সালাহউদ্দিন আম্মার ক্যাম্পাসের স্বঘোষিত অভিভাবক বনিয়া যান। অপছন্দের শিক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ ঘোষিত ‘ছাত্রলীগ কর্মী’ আখ্যা দিয়া প্রহার ও বিতাড়ন করেন। অনেক শিক্ষকও তাঁহার হেনস্তা হইতে রেহাই পান নাই। বেপরোয়া ও দুর্বিনীত এই ‘শিক্ষার্থী’ সাধারণ শিক্ষকদের ভোটে নির্বাচিত বিভিন্ন অনুষদের ডিনের কর্তব্য পালনে বাধা দিয়াই ক্ষান্ত হন নাই; হুমকি-ধমকি দিয়া পদ ছাড়িতেও বাধ্য করিয়াছেন। দেশের আইন-আদালত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধানের তোয়াক্কা না করিয়া একজন ছাত্রনেতা এই প্রকারে একাদিক্রমে সহিংসতা চালাইয়া যাইবার অধিকার কোনো সভ্য রাষ্ট্রে পাইতে পারেন না। অতীতে অনেক শিক্ষকও উপযুক্ত প্রতিকার দাবি করিয়া বিক্ষোভ প্রদর্শন করিয়াছিলেন। অত্র সম্পাদকীয় স্তম্ভেই আমরা সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাইয়াছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদ্রূপ ঐ সকল আহ্বান ও দাবির প্রতি কর্ণপাত করে নাই, তদ্রূপ তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারও নীরবতা পালন করিয়াছিল। বস্তুত, এহেন দায়মুক্তিই আম্মারসহ মব সন্ত্রাসীদের অপকর্ম চালাইয়া যাইতে দ্বিগুণ উৎসাহ দিয়া আসিতেছে। শিক্ষাঙ্গনে মব সহিংসতা কেবল শিক্ষার পরিবেশই ক্ষতিগ্রস্ত করে না, প্রাণহানিও যে ঘটাইতে পারে– রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েই ইহার একাধিক দৃষ্টান্ত রহিয়াছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাবি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আবদুল্লাহ আল মাসুদকে প্রহার করিয়া হত্যা করা হইয়াছিল। অবস্থাদৃষ্টে মনে হইতেছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশ এইবারও এহেন ফৌজদারি অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান লইতে ইচ্ছুক নহে। প্রতিবেদনমতে, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবর্তে আক্রান্ত এবং হাসপাতালে ভর্তি তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুইজনকে নিষিদ্ধ ‘ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম’-এর মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হইয়াছে। ঐ শিক্ষার্থীদের বায়বীয় মামলায় গ্রেপ্তার সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নীরবে সম্মতি দিয়াছে। উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটি কতখানি সুষ্ঠু তদন্ত করিতে পারিবে, উহা লইয়া প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। প্রসংগত, গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের সহিত সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করিয়াছেন। তদুপরি, অতীতে কোনো শিক্ষার্থীর সহিত ছাত্রলীগের সম্পর্ক থাকিলেই তাঁহাকে গ্রেপ্তারের আইনি ভিত্তি কী? যতক্ষণ কেহ ফৌজদারি অপরাধে সংশ্লিষ্ট না হন, তিনি অন্যান্য সকলের ন্যায় নাগরিক অধিকার ভোগ করিবেন। এই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন বিঘ্নিত করিবার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ এড়াইতে পারিবে না। অস্বীকার করা যাইবে না, গত দুই বৎসর যাবৎ দেশে যেই মব সহিংসতা চলিতেছে, উহার প্রভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও নাজুক অবস্থায়। বিশ্ববিদ্যালয়সমূহেও অহরহ আইন স্বীয় হস্তে তুলিয়া লইবার ঘটনা ঘটিতে থাকিলে তাহা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাকে আরও দুরূহ করিয়া তুলিবে। স্মরণে রাখিতে হইবে, সালাহউদ্দিন আম্মার সরাসরি সম্পর্ক অস্বীকার করিলেও, তাঁহার অপকর্মের সহযোগীদের প্রায় সকলেই ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী। আম্মারের স্তম্ভের শক্তি কোনো রাজনৈতিক সংগঠনেই নিহিত– উহা বুঝিতে বিশেষজ্ঞ হইবার প্রয়োজন নাই। - বিষয় : - সম্পাদকীয়
রাকসু ভবনে হামলার জেরে রাবিতে উত্তেজনা, জিএসসহ আহত ২
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) কার্যালয়ে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ এক নেতার ওপর সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরে অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ না করে প্রশাসনিক ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়াকে ঘিরেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নারীঘটিত এক ইস্যুতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমানের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে শনাক্ত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীরা। উত্তপ্ত বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী ছাত্রদল কর্মী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা করতে প্রক্টর দপ্তরে আসেন সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ও বর্তমানে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আনাস। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় প্রক্টরের সঙ্গে আনাসের বাগবিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রক্টর তাকে দপ্তর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। আজ দুপুর ১২টার দিকে অভিযোগের বিষয়ে মহসিন আলমের বক্তব্য ও স্বীকারোক্তি নেওয়ার জন্য তাকে প্রক্টর দপ্তরে তলব করা হয়। এ সময়ও আনাস সেখানে উপস্থিত হন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আবারও প্রক্টরের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার তাকে মারধর করেন। এরপর ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আনাসকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ প্রক্টর দপ্তরে আসে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিসিপ্লিনারি কমিটির মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে প্রক্টর পুলিশ তাকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান বলে জানা গেছে। পরে আনাস প্রক্টর দপ্তর থেকে বের হয়ে কিছু সময় পর কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে রাকসু ভবনে অবস্থানরত নেতৃবৃন্দের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার এবং সহ-বিজ্ঞান সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন। হামলার পর উভয় পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দিকে চলে যায়। সেখানে রাকসু নেতৃবৃন্দ এবং আনাসের নেতৃত্বাধীন দলের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। একপর্যায়ে আনাস ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা গ্রন্থাগারের রিডিং রুমে আশ্রয় নিলে রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীরা সেখানে প্রবেশ করে তাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান এবং জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে আহত এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ করে দেন প্রক্টর। তবে অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে নেওয়ার পথেও তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনার পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ‘সেইফ এক্সিট’ দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন রাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দ। পরে উপাচার্যের সঙ্গে শিবির, রাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), ছাত্র উপদেষ্টা, প্রক্টরসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আহত রাকসুর সহ-বিজ্ঞান সম্পাদক নাজমুস সাকিব বলেন, আনাস প্রক্টর অফিস থেকে বের হয়ে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীসহ রাকসু ভবনে এসে জিয়া হলের জিএস আরিফকে খুঁজতে থাকে। আমি বলি, আরিফ জিয়া হলে থাকবে, রাকসু ভবনে কেন খুঁজতে আসছেন। এরপর আনাসসহ কয়েকজন রাকসু জিএসের কক্ষে গিয়ে তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। তিনি আরও বলেন, একপর্যায়ে আনাসের সঙ্গে থাকা ছাত্রদলের কয়েকজন মিলে আম্মারের ওপর হামলা করে রাকসু ভবন থেকে বেরিয়ে লাইব্রেরির দিকে চলে যায়। এরপর প্রক্টর স্যার ওদের সেইফ এক্সিট দিয়েছেন। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমরা খুব দ্রুত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আজকের মধ্যেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাব। জুবায়ের জিসান/এসএইচএ
হোটেল মালিককে কোপাল যুবদল নেতার ক্যাডাররা
হোটেল মালিককে কোপাল যুবদল নেতার ক্যাডাররা Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহীর একটি আবাসিক হোটেলের মালিককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক নাজির হাসানের ক্যাডার বাহিনী এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রাজু আহমেদের অভিযোগ। তিনি লক্ষ্মীপুর এলাকার একতারা আবাসিক হোটেলের মালিক। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার সন্ধ্যায় মহানগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় তার আবাসিক হোটেলে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেতৃত্ব দেন মো. হাবিব নামের এক ব্যক্তি। তিনিও প্রিয়াসি নামের একটি আবাসিক হোটেলের মালিক। যুবদল নেতা নাজির হাসানের অনুসারী তিনি। ভুক্তভোগী রাজু আহমেদ জানান, যুবদল নেতা নাজিরের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এছাড়া বাজার কমিটি নিয়েও তার ওপর ক্ষুব্ধ নাজির। সোমবার বেলা ১১টায় নাজিরের নির্দেশেই তার ক্যাডার বাহিনীর সদস্যরা হোটেলে গিয়ে তাকে খুঁজছিলেন। পরে সন্ধ্যায় হাবিব ছাড়াও যুবদল নেতা নাজিরের ক্যাডার জামাল, রানা, অয়ন, নয়ন, মিলন, রবিন, সজিব, পিয়াসসহ ১০-১২ জন হোটেলে গিয়ে তার ওপর হামলা করেন। তাকে ছুরিকাঘাত করে হামলাকারীরা চলে যান। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা রাজুর মাথা, পেটসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো জখম দেখা যায়। রাজু জানান, যুবদল নেতা নাজিরের কারণে তিনি এখনো নিরাপত্তাহীনতায় আছেন। এ বিষয়ে তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জানতে চাইলে মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, নাজিরের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আমরাও শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করব। তারপর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক নাজির হাসান। তিনি বলেন, রাজু এ ঘটনার জন্য আমাকে দায়ী করে বক্তব্য দিচ্ছেন। এটা আমিও দেখলাম। রাজনৈতিক কারণে হয়তো কেউ তাকে দিয়ে বলাচ্ছে। কিন্তু ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। কয়েকদিন ধরে আমি ঢাকায় ছিলাম। আজই রাজশাহী ফিরেছি। আমি সব পরে শুনেছি। হামলাকারীরা তার ক্যাডার-এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি রাজনীতি করি। কেউ ভাই বলে, কেউ চাচা ডাকে। কাছে আসে। এর মানে তারা আমার ক্যাডার না। তিনি বলেন, রাজু আওয়ামী লীগের দোসর। তার বিরুদ্ধে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার মামলাও আছে। সোমবারও রাজু নিজে আগে হামলা করেছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। পরে তিনি এই প্রতিবেদকের হোয়াটসঅ্যাপে রাজুর বিরুদ্ধে থাকা মামলার কপি পাঠান। ঘটনার বিষয়ে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাজুর ওপর হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলা রেকর্ড করা হবে। এছাড়া রাজুর বিরুদ্ধেও একটা লিখিত অভিযোগ এসেছে। সেটাও তদন্ত করে দেখা হবে।
