‘সর্বহারা’ পরিচয়ে রাবির পাঁচ শিক্ষককে হত্যার হুমকি, চাঁদা দাবি
Why this classification
ঘটনাটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে 'সর্বহারা' নামধারী একটি দল কর্তৃক চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকি। এটি একটি অপরাধমূলক কাজ, তবে রাজনৈতিক দলের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা না থাকায় এটিকে রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।
Killed
0
Injured
0
Summary
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত পাঁচ শিক্ষককে 'সর্বহারা' পরিচয়ে ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে মতিহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
‘সর্বহারা’ পরিচয়ে রাবির পাঁচ শিক্ষককে হত্যার হুমকি, চাঁদা দাবি
‘সর্বহারা’ পরিচয়ে রাবির পাঁচ শিক্ষককে হত্যার হুমকি, চাঁদা দাবি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০০:০৬ ‘সর্বহারা’ পরিচয়ে ফোন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অন্তত পাঁচ শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে এক শিক্ষক মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। হুমকি পাওয়া শিক্ষকেরা হলেন— ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, গণিত বিভাগের অধ্যাপক গৌর চন্দ্র পাল, সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস, নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন ও কৌশিক সরকার। ভুক্তভোগী শিক্ষকেরা জানান, ‘সর্বহারা’ পরিচয়ে ফোন করে তাঁদের কাছে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের। নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন বলেন, তাঁর কাছে পরপর দুবার ফোন আসে। প্রথমবার ব্যস্ত থাকায় কথা বলতে পারেননি। প্রায় দুই ঘণ্টা পর আবার ফোন করা হয়। তখন দীর্ঘ সময় কথোপকথনের একপর্যায়ে জেলে থাকা কর্মীদের জামিনের খরচের কথা বলে জানতে চাওয়া হয়, তিনি কত টাকা দিতে পারবেন। শাহরিয়ার বলেন, কথোপকথনের একপর্যায়ে তারা বলে, আপনার মাথায় রিভলবার ধরে বলেনি যে আপনি টাকা ম্যানেজ রাখবেন। এ সময় কলদাতা নিজেকে সিরাজ শিকদারের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দেন বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, পুলিশের মাধ্যমে নম্বরটি শনাক্ত করে জানতে পেরেছেন, কলটি মাদারীপুর থেকে করা হয়েছে। যে সিম নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছে, সেটি মুফতি রেজাউল করিম নামে এক ব্যক্তির পরিচয়ে নিবন্ধিত বলে জানান তিনি। অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমাকে ফোন করে সর্বহারার পরিচয় দেওয়া হলে আমি বেশি কথা না বাড়িয়ে ফোন কেটে দিই। পরে জানতে পারি, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেক শিক্ষকের কাছেও এমন কল এসেছে। মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজুন বলেন, আমরা এই ধরনের অভিযোগ পেয়েছি। একটি জিডিও করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। - বিষয় : - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
