মাতামুহুরীতে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
Why this classification
This is a single, specific incident on Monday night, 5 October 2026, in which an armed group led by Kalu attacked homes in Badarkhali, looted them, and abducted three cooperative members at gunpoint. It is within the recent window, involves physical violence and abduction, and took place in Bangladesh.
Killed
0
Injured
0
Summary
কক্সবাজারের চকরিয়ার মাতামুহুরীর বদরখালীতে সমবায় সমিতির বরাদ্দ ঘোনা দখলকে কেন্দ্র করে গত ৫ অক্টোবর (সোমবার) রাতে বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় সমিতির তিন শেয়ারদারকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মাতামুহুরীতে নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, বলাৎকারের আলামত
মাতামুহুরীতে নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, বলাৎকারের আলামত কক্সবাজার প্রতিনিধি, পেকুয়া ও চকরিয়া সংবাদদাতা প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬ | ২২:৩৯ কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর সাত বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ফজুমিয়ার চর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ডোবাসংলগ্ন ছড়া থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওয়াহিদুল ইসলাম স্থানীয় একটি মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ফজুমিয়ার চর এলাকার তৌহিদুল ইসলামের ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সকালে ওয়াহিদুল মাদ্রাসায় যায়। বেলা একটার দিকে তার বাড়ি ফেরার কথা থাকলেও সে আর ফিরে আসেনি। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন এবং এলাকায় মাইকিংও করা হয়। কিন্তু তার কোনো সন্ধান মেলেনি। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন একটি ডোবায় শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটির শরীরে বলাৎকারের আলামত পাওয়া গেছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। শিশুটির বাবা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ছেলে নিখোঁজ হওয়ার দিনই তাকে সম্ভবত হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহ ডোবার পানিতে ফেলে রাখা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। মাতামুহুরী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহের ভিত্তিতে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনির হোসেন বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আটক ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা, তা যাচাই করা হচ্ছে।’ - বিষয় : - মরদেহ উদ্ধার - কক্সবাজার
মাতামুহুরীতে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মাতামুহুরীতে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর তিনজনকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ Advertisement চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মাতামুহুরীর বদরখালীতে সমবায় সমিতির বরাদ্দ করা ঘোনা দখলকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় সমিতির তিন শেয়ারদারকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সোমবার রাত ১১টার দিকে বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির আওতাধীন সাতডালিয়ার ৫ নম্বর লটারির বরাদ্দ ঘোনায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই ঘোনায় বসবাস ও চাষাবাদ করে আসছেন ২৪ শেয়ারভুক্ত সদস্যরা। সম্প্রতি সেখানে কয়েকটি বসতঘর নির্মাণ করে সদস্যদের বসতি স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই জায়গার দখল নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। সমিতির সাতডালিয়া লটারির সভাপতি নাজেম উদ্দিনের অভিযোগ, স্থানীয় মোহাম্মদ কালু ইট-কনক্রিট রাখার কথা বলে তাদের কাছ থেকে তিন বছরের জন্য জায়গা ইজারা নেন। পরে ওই জায়গার পার্শ্ববর্তী নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হয়। নতুন করে ইজারা না দেওয়ায় জায়গা বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্নভাবে তালবাহানা করা হচ্ছিল বলে দাবি করেন তিনি। নাজেম উদ্দিনের অভিযোগ, সোমবার রাতে কালুর নেতৃত্বে একদল লোক তাদের বসতঘরে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি সমিতির তিন সদস্য আক্তার হোসেন, রুকন উদ্দিন ও তানভীর ইসলামকে তুলে নিয়ে যায়।
