কথা আছে বলে মোটরসাইকেল থামান নারী, পরে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে চালককে মারধর করে সব লুট

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

The article reports a concrete recent incident in which a civilian was beaten twice, robbed of 25,000 taka, and forced to sign stamps by named Jubo Dal leaders, followed by a police case. This is physical assault plus extortion, not a simple arrest, reaction, or historical account, so it is classified as violence.

Reported by:Prothom AloJugantorAjker PatrikaCorroborated · 3 sources
03/10/26•প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়, বোদা

Killed

0

Injured

0

Summary

পঞ্চগড়ের বোদায় ২০২৬ সালের ৩ অক্টোবর সকালে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখে পাঁচ যুবদল নেতা মারধর, ২৫ হাজার টাকা ছিনতাই ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। এ ঘটনায় রোববার রাতে বোদা থানায় মামলা হয়; পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

পরিমল চন্দ্র বর্মনআনোয়ার হোসেন ওরফে রনিসোহেল রানাশাহীন মজুমদারমাহবুব হোসেন আরিফরাজু ইসলাম

Tags

ExtortionRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 09/10/26open original ↗

পঞ্চগড়ে তরুণীর ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে বিরোধ, ভারতীয় যুবকসহ গ্রেপ্তার ৩

পঞ্চগড়ে এক তরুণীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ভারতের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর দিকে, ওই তরুণী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মারধর, আটকে রাখা ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে পাল্টা মামলা করেছেন ওই যুবক। দুই মামলায় তরুণীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গ্রেপ্তার ভারতীয় যুবকের নাম মো. তানভীর আলম (২৪)। তিনি ভারতের বিহার রাজ্যের পাটনা জেলার বাসিন্দা। অভিযোগকারী তরুণীর (২০) বাড়ি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায়। তরুণীর পরিবারের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের অক্টোবরে একটি ভিডিও চ্যাটিং অ্যাপের মাধ্যমে তানভীরের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ভিডিও কলে কথা বলার সময় ওই তরুণীর ব্যক্তিগত ও নগ্ন ছবি-ভিডিও ধারণ করে সংরক্ষণ করেন তানভীর। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে ওই তরুণীর আত্মীয়স্বজন ও পরিচিত ব্যক্তিদের কাছে তাঁর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়। এগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ জানালেও তানভীর রাজি হননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তরুণীর অনুরোধে গতকাল বৃহস্পতিবার ভারত থেকে ঢাকা হয়ে পঞ্চগড়ে আসেন তানভীর। সেখানে ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা করার পর তাঁকে পঞ্চগড় পৌরসভার জালাসীপাড়ায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরিবারের সদস্যরা তানভীরের মোবাইল ফোনে থাকা ছবি ও ভিডিও মুছে দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। অন্যদিকে, তানভীরের করা পাল্টা মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ওই তরুণী তাঁকে বাংলাদেশে আসতে বলেন। পঞ্চগড়ে পৌঁছানোর পর তাঁকে জালাসী এলাকার তরুণীর মামার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর মোবাইল ফোন, পাসপোর্ট, ডেবিট কার্ডসহ ব্যক্তিগত জিনিসপত্র কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তানভীরের অভিযোগ, তাঁর মোবাইল ফোন থেকে ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলার পর তাঁকে একটি কক্ষে আটকে রেখে বিবস্ত্র করা হয়। এ সময় তাঁর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর মা ও বোনের কাছে ফোন করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তানভীরের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ভারতীয় পুলিশের মাধ্যমে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর পুলিশের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তানভীর আলম বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় ওই তরুণীসহ মো. লাবু (৩০), মো. সোহাগ (২৫) ও আব্দুল বারী রাশেদ (৩৭) নামের চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, ভারতীয় যুবকের করা মামলায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে, তরুণীর ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় তানভীরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তিনজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

Source 2: Jugantor · 27/04/26open original ↗

দেবীগঞ্জে ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ইউএনওর ওপর হামলা দেবীগঞ্জে ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা Advertisement পঞ্চগড় প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পাম্পে দায়িত্ব পালনকালে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। দেবীগঞ্জ থানার ওসি সেলিম মালিক জানান, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পাম্পে তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। জানা যায়, শনিবার পেট্রোল সরবরাহের খবর পেয়ে ভোর থেকেই দেবীগঞ্জের ভাউলাগঞ্জ এলাকার জান্নাতুল মাওয়া ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের লাইন দীর্ঘ হতে থাকে। দুপুর সাড়ে ১২টায় তেল সরবরাহ কার্যক্রম পরিদর্শনে ওই পাম্পে যান ইউএনও সবুজ কুমার বসাক। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি ফুয়েল কার্ডসহ, বৈধ কাগজপত্র নেই এমন চালকদের ওই স্থান ত্যাগের নির্দেশ দেন। এ সময় দুই চালকের মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় উভয়কে ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। লাইনে অপেক্ষমাণ অন্তত ৩০-৪০ জন মোটরসাইকেলচালক হট্টগোল শুরু করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের কারোই বৈধ কাগজপত্র ছিল না। এ সময় ইউএনও এবং তার সঙ্গে থাকা আনসার সদস্যের দিকে তেড়ে আসে তারা। পরিস্থিতির অবনতি হলে ইউএনওকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

Source 3: Prothom Alo · 06/10/26open original ↗

কথা আছে বলে মোটরসাইকেল থামান নারী, পরে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে চালককে মারধর করে সব লুট

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বাসিন্দা পরিমল চন্দ্র বর্মন (৩০) মোটরসাইকেলে বোদা উপজেলা শহরসংলগ্ন প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে যান। এ সময় অপরিচিত এক নারী তাঁর মোটরসাইকেল থামিয়ে কথা আছে বলে জানান। ওই নারীর সঙ্গে কথা বলতে দেখে কয়েকজন এসে ওই নারীর সঙ্গে পরিমলের অবৈধ সম্পর্ক আছে বলে দাবি করেন। এ সময় পরিমলকে মারধর করা হয়। বিষয়টি বসে সমাধান করতে হবে বলে ওই এলাকার ইউসুফ আলীর বাড়িতে নিয়ে তাঁকে আরেক দফা মারধর করেন ওই ব্যক্তিরা। পরিমল সেখানেও ওই নারীকে দেখতে পান। এ সময় তাঁর পকেট থেকে ২৫ হাজার টাকা বের করে নেন। এ ছাড়া তাঁর মোটরসাইকেলটি জোরপূর্বক আটকে রেখে চারটি ১০০ টাকা মূল্যের নন–জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। এ ঘটনায় রোববার দিবাগত রাত একটার দিকে বোদা থানায় পাঁচ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন পরিমল। মামলার এজাহারে এভাবেই ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়। মামলার আসামিরা হলেন বোদা পৌর যুবদলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ওরফে রনি (৩০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সোহেল রানা (৩৪), বোদা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন মজুমদার (৫০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন আরিফ (৩৫) এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রাজু ইসলাম (৩২)। এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন ও সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া রাজু ইসলাম ছাড়া অপর চার যুবদল নেতার প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয় সব পদ স্থগিত করেছে বোদা পৌর যুবদল। পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. অলিয়ার রহমান ও সদস্যসচিব মো. আফছারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, তা আগামী তিন দিনের মধ্যে সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, শনিবার ৯টার দিকে পরিমল মোটরসাইকেলে প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে গেলে এসব ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান তিনি। পরদিন বিকেলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বোদা পৌরসভার প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে গিয়ে যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন ও সোহেল রানাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাঁদের আটক করেন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া স্ট্যাম্প ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আটক দুজনকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তাঁরা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বোদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলকান্ত রায় বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে সোমবার আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ ঘটনায় অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।