ভৈরবে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের অস্ত্রের আঘাতে যুবক খুন
Why this classification
A 19-year-old man, Iman Khan, was stabbed to death with sharp weapons on 23 March 2026 by a group of youths from a rival family in Bhairab, Kishoreganj. The killing was linked to a seven to eight year old dispute over local dominance, and the article reports a single concrete incident with a confirmed death.
Killed
1
Injured
0
Summary
কিশোরগঞ্জের ভৈরবের আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া গ্রামে ২০২৬ সালের ২৩ মার্চ (সোমবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ শেখ বাড়ির একদল যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমান খান (১৯) নামে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান এবং পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জে পাঠায়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ভৈরবে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের অস্ত্রের আঘাতে যুবক খুন
ভৈরবে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের অস্ত্রের আঘাতে যুবক খুন Advertisement ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম প্রতীকী ছবি ভৈরবে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইমান খান (১৯) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া গ্রামে এই খুনের ঘটনা ঘটে। নিহত ইমান খান লুন্দিয়া গ্রামের পাগলা বাড়ির ঈসা মিয়ার ছেলে। তিনি এলাকায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে নিজের বাবার মোবাইল ফোনের জন্য মিনিট কার্ড কিনতে বাড়ি থেকে বের হন ইমান খান। তিনি গ্রামের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়ার পথে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষ শেখ বাড়ির একদল যুবক তার পথরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমানকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে আহত করে ফেলে চলে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায়।রক্তাক্ত অবস্থায় ইমানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। অ্যাম্বুলেন্স এনে ঢাকার নেওয়ার আগেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমাম খানের হাসপাতালে মৃত্যু হয়। এদিকে স্থানীয়রা আরও জানায়, আগানগর ইউনিয়নের 'পাগলা বাড়ি' ও 'শেখ বাড়ির' মধ্যে গত ৭-৮ বছর ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। পাগলা বাড়ির পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আব্দুল মজিদ বড় মিয়া ও শহিদ মিয়া এবং শেখ বাড়ির পক্ষে রয়েছেন মাইনু শেখ ও আক্কাছ শেখ। এর আগেও দুপক্ষের মধ্যে ৪-৫ বার বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সেই পুরনো শত্রুতার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, লাশের ময়না তদন্তের জন্য আজ মঙ্গলবার সকালে কিশোরগঞ্জ পাঠানো হয়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
