ফরিদপুরে জাহাজের সুকানির রহস্যজনক মৃত্যু, মাথায় ক্ষত
Why this classification
A ship's steersman died after being found unconscious on a ship in Faridpur on 30 April 2026, with a deep head wound visible in a video and no rope mark on his neck. His family says he was beaten to death, while the ship owner says he fell during a suicide attempt, so the cause of death is disputed. Because a body with a head injury was found and foul play is alleged, this is classified as a possible murder.
Killed
1
Injured
0
Summary
ফরিদপুরের ডিক্রিরচর সিএন্ডবি ঘাটে ‘আলতাফ শেখ’ জাহাজ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সুকানি বাকিয়ার রহমান সুমন (৪০) অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার পর হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরিবারের দাবি, তাকে পিটিয়ে হত্যা করে আত্মহত্যার কথা প্রচার করা হয়েছে, যদিও পুলিশ এখনো অভিযোগ গ্রহণ করেনি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
72% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ফরিদপুরে জাহাজের সুকানির রহস্যজনক মৃত্যু, মাথায় ক্ষত
ফরিদপুরে জাহাজের সুকানির রহস্যজনক মৃত্যু, মাথায় ক্ষত বাকিয়ার রহমান সুমন ফরিদপুর অফিস প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬ | ০৬:৫৩ | আপডেট: ০২ মে ২০২৬ | ০৬:৫৩ ফরিদপুরে বাকিয়ার রহমান সুমন (৪০) নামের জাহাজের এক সুকানির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, তাকে পিটিয়ে হত্যা করে গলায় রশি নিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে গেলে ২৬ ঘণ্টায়ও অভিযোগ নেয়নি পুলিশ। নিহত বাকিয়ার রহমান সুমন নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের পুরাতন ধানাইড় গ্রামের মৃত ইমার উদ্দিন মোল্যার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ‘আলতাফ শেখ’ নামের একটি জাহাজে সুকানি হিসেবে কাজ করতেন এবং পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর জেলা সদরের ডিক্রিরচরের সিএন্ডবি ঘাট এলাকায় ‘আলতাফ শেখ’ নামক জাহাজ থেকে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা এসে ফরিদপুর কোতয়ালী থানা পুলিশকে জানায় এবং পুলিশ সুরতহাল শেষে মর্গে প্রেরণ করেন। পরিবারের সদস্যরা জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে জাহাজটির আব্বাস নামে এক স্টাফ তার পরিবারকে ফোন করে জানান, সুমন গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে দুপুর পৌনে দুইটায় হাসপাতালে ছুটে আসেন পরিবারের সদস্যরা এবং তারা কোতয়ালী থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার বিকেল ৫টায় বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় নিহতের মামা ওসিয়ার শেখ দাবি করে বলেন, আমাকে ফোন করে জানায়, আমার ভাগনে গলায় রশি নিয়ে মারা গেছে। তখনই আমি হাসপাতালে এসে দেখি, তার গলায় কোনো দাগ নেই, মাথায় আঘাত রয়েছে, সেখান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে গিয়ে গলায় রশি নেওয়ার কোনো চিহ্নও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আমরা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাই এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। তাদের ধারণকৃত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নিহতের কপালে গভীর ক্ষত রয়েছে। এছাড়া মরদেহের গলায়ও কোনো দাগ নেই। বিষয়টি নিয়ে জানতে শুক্রবার দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত এক নার্স জানান, জরুরি বিভাগে মরদেহটি আনা হয়নি, সরাসরি মর্গে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাদের খাতায়ও রেজিস্ট্রেশন করা হয়নি। নিহতের বোন আয়েশা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পর থেকে বার বার থানায় গেলে পুলিশ আমাদের সাহায্য করতে চায় না। তারা জানায়, আমার ভাই আত্মহত্যা করেছে। এমনকি কোনো অভিযোগও নিতে চাচ্ছে না। গতকাল শুক্রবার বিকেলে পুলিশ এসে হাসপাতালের কাগজে লিখে দেয় মদপান করে মারা গেছে। এসব পরিকল্পিতভাবে করা হচ্ছে, আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে। আমার ভাই হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানাই। তবে ঘটনাটি নিয়ে ভিন্ন তথ্য দেন জাহাজটির মালিক মো. শুভ শেখ। তিনি বলেন, গত বুধবার আমাকে ফোন দিয়ে জানায় জাহাজে ঝামেলা করতেছে, লোড দেওয়া যাবে না। এরপর থেকে সে ঘাটে ভিড়িয়ে জাহাজ নিয়ে শুধু ঘুরতে থাকে। পরে আমি আরেকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সে আমাকে জানায়, সুমন কি যেন খেয়ে মাতলামি করতেছে, জাহাজ ঘাটে নিতেছে না। এরপর আবারও তাকে ফোন দিলে আমাকে বলে, এক স্টাফ সিগারেটের সঙ্গে কি যেন খাইয়েছে। এরপর গতকাল দুপুরে জানতে পারি, জাহাজের ইঞ্জিনরুমের মধ্যে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তার গলায় কাপড় পেচানো ছিল এবং মাথা ফাটা ছিল। স্টাফরা আমাকে জানিয়েছে, ইঞ্জিনরুমে গলায় ফাঁস নিতে গিয়ে ১০ ফিট ওপর থেকে পড়ে গিয়ে মাথা ফেটেছে। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন (ফরিদপুর সদর সার্কেল) বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে পরিবার এসেছিল। কিন্তু তাদের অভিযোগ নিয়ে কাউকে ধরে আনলে সেও হয়রানির শিকার হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
গ্রেফতারের পর বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে আকাশ
ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডার গ্রেফতারের পর বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে আকাশ Advertisement ফরিদপুর ব্যুরো প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফরিদপুর সদরে তিন খুনের ঘটনায় ঘাতক আকাশ মোল্লাকে (২৮) গ্রেফতার করেছে র্যাব-পুলিশের যৌথবাহিনী। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ খুনের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। মঙ্গলবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেসবিফ্রিংয়ে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম। এর আগে সোমবার রাতে শহরতলীর আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে ছুটে যান র্যাব, পুলিশ ও ডিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। রাতে র্যাব-পুলিশের কয়েকটি দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আকাশকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পরদিন মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরে লিয়াকত মোল্লার কলাবাগান থেকে আকাশকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের হেফাজতে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
